শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১১ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** প্রাথমিকে নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী *** শেখ হাসিনার বিষয়টি ঢাকা ও দিল্লির ওপর ছেড়ে দিল ওয়াশিংটন, তারেক রহমানের প্রতি আস্থার ইঙ্গিত *** জাতিসংঘ সফর শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী *** যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ *** স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রটির মালিকানা নিয়ে যা গন্ডগোল, তা কোর্টে নির্ধারণ হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী *** মধ্যরাতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভাঙচুর: এমপির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ প্রসঙ্গে যা বলল ডিএমপি *** জাসদের কার্যালয় থেকে আ.লীগ সন্দেহে অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী আটক *** জাসদ কার্যালয় থেকে সাংবাদিক নেতা আবু জাফর সূর্য আটক *** মিরপুরে স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রের গেটে ত্রিপল টানিয়ে চলছে টিকাদান, ভোগান্তিতে শিশু-মায়েরা *** স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্র ভাঙচুরে পুলিশের গাফিলতি ছিল কি না, তদন্ত হচ্ছে: ডিএমপি কমিশনার

সুখবর এক্সপ্লেইনার

ভারত-চীনকে কাছে টানছে বাংলাদেশ, প্রশংসিত হচ্ছে ভারসাম্যমূলক কূটনীতি

জেবিন শান্তনু

🕒 প্রকাশ: ০৫:৩৭ অপরাহ্ন, ৬ই জুলাই ২০২৬

#

ছবি: পিএমও

দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে বাংলাদেশ আবারও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। একদিকে প্রতিবেশী ভারত, অন্যদিকে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত শক্তি হিসেবে ক্রমবর্ধমান প্রভাবশালী চীন—এই দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির সঙ্গে একই সময়ে সম্পর্ক জোরদারের কৌশল গ্রহণ করেছে তারেক রহমান সরকার। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের পররাষ্ট্রনীতিতে এখন সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো ভারসাম্য রক্ষা। কোনো একটি শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভর না করে জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখে বহুমাত্রিক কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করছে ঢাকা।

আজ সোমবার বিবিসি ‘বাংলাদেশ কোর্টস চায়না ইভেন অ্যাজ টাইজ উইথ ইন্ডিয়া ইমপ্রুভ’ শিরোনামে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে বলেছে, চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে দীর্ঘদিনের শীতল সম্পর্কও পুনর্গঠনের পথে হাঁটছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমটির মূল্যায়ন অনুযায়ী, এই কূটনৈতিক উদ্যোগ শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত ভারসাম্যের ক্ষেত্রেও তাৎপর্যপূর্ণ।

গত কয়েক বছরে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নানা রাজনৈতিক ঘটনার কারণে টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে গেছে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতার পরিবর্তন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দেওয়ার ঘটনায় দুই দেশের সম্পর্কে দৃশ্যমান শীতলতা তৈরি হয়। তবে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনের পর নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পরিস্থিতি ধীরে ধীরে বদলাতে শুরু করেছে।

অন্যদিকে অর্থনৈতিক বাস্তবতা বাংলাদেশের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জও তৈরি করেছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ, শিল্পায়নের জন্য নতুন বিনিয়োগের প্রয়োজন, অবকাঠামো উন্নয়নের ধারাবাহিকতা এবং রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ—এসব কারণে সরকার বৃহৎ অর্থনৈতিক অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে আগ্রহী। এই প্রেক্ষাপটে চীন বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে সামনে এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফরকে অনেক পর্যবেক্ষক নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির রূপরেখা হিসেবে দেখছেন। দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক প্রথায় সাধারণত নতুন সরকারপ্রধানের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সফর ভারতেই হয়ে থাকে। সেই প্রচলিত ধারা ভেঙে চীন সফরকে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকেরা একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বার্তা হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এটি ভারতবিরোধী কোনো অবস্থান নয়; বরং অর্থনৈতিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ইঙ্গিত।

বেইজিং সফরে মোংলা বন্দরের নিকট বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, শিল্প বিনিয়োগ বৃদ্ধি, উৎপাদন খাত সম্প্রসারণ এবং তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনায় কারিগরি সহযোগিতা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। একই সঙ্গে চীন, মিয়ানমার ও বাংলাদেশকে যুক্ত করে একটি অর্থনৈতিক করিডোর প্রতিষ্ঠার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এবং উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুন গতি আসতে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদেরা।

চীন ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদারদের অন্যতম এবং সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহকারী প্রধান দেশ। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নের উল্লেখযোগ্য অংশে চীনা অর্থায়ন রয়েছে। সড়ক, সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্পাঞ্চল এবং বন্দর উন্নয়নসহ বহু প্রকল্পে চীনা প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। ফলে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর হওয়া অনেকটাই প্রত্যাশিত ছিল।

তবে বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রা ভারতের দৃষ্টিতে অত্যন্ত সংবেদনশীল। বিশেষ করে তিস্তা নদী প্রকল্পে চীনের সম্পৃক্ততা এবং উত্তরবঙ্গের কৌশলগত অবস্থানকে ঘিরে দিল্লির নিরাপত্তা-উদ্বেগ দীর্ঘদিনের। ভারতের শিলিগুড়ি করিডোর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত, তার কাছাকাছি এলাকায় চীনের উপস্থিতি নিয়ে ভারতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা বহুদিন ধরেই সতর্ক অবস্থান নিয়ে আসছেন।

চীনের পক্ষ থেকেও অবশ্য এই উদ্বেগ প্রশমনের চেষ্টা দেখা গেছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়া কুন সম্প্রতি বলেছেন, বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা কোনো তৃতীয় দেশের বিরুদ্ধে নয় এবং এটি সম্পূর্ণ দ্বিপক্ষীয় উন্নয়ন সহযোগিতা। আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এ ধরনের বক্তব্যকে আস্থার বার্তা হিসেবে দেখা হয়।

এদিকে ভারতের সঙ্গেও সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে। ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রসচিব শ্যাম শরণ বিবিসিকে বলেন, সীমান্তবর্তী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আবার সক্রিয় হচ্ছে এবং ভারত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য পর্যটন ভিসা পুনরায় চালু করেছে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর কলকাতা-ঢাকা ও ঢাকা-আগরতলা রুটে যাত্রীবাহী বাস চলাচলও আংশিকভাবে পুনরায় শুরু হয়েছে।

জ্বালানি সহযোগিতার ক্ষেত্রেও দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক যোগাযোগ বজায় রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতজনিত বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের সময় ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রাখে। একই সঙ্গে সীমান্ত বাণিজ্য ও বিদ্যুৎ সহযোগিতাও চলমান রয়েছে।

তবে সম্পর্কের এই ইতিবাচক অগ্রগতির মাঝেও কিছু জটিলতা রয়ে গেছে। শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এখনও একটি বড় ইস্যু। ঢাকা তার প্রত্যর্পণ চাইলেও দিল্লি এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো ইতিবাচক সাড়া দেয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি দুই দেশের সম্পর্কে দীর্ঘমেয়াদি একটি রাজনৈতিক চাপ হিসেবে থেকে যেতে পারে।

আরেকটি বড় সমস্যা সীমান্তে পুশ-ইন বা অবৈধ অভিবাসী সন্দেহে লোকজনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ। বাংলাদেশ বারবার এ ধরনের ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছে। সীমান্ত হত্যা, অনুপ্রবেশ এবং অভিবাসন-সংক্রান্ত বিরোধও দুই দেশের সম্পর্কে সংবেদনশীল ইস্যু হিসেবেই রয়ে গেছে।

সাবেক কূটনীতিক এম হুমায়ুন কবির সুখবর ডটকমকে বলছেন, বাংলাদেশের উচিত জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সব বড় শক্তির সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা। তার মতে, কোনো একটি শক্তির প্রতি অতিরিক্ত ঝুঁকে পড়া দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের জন্য লাভজনক হবে না।

একই ধরনের মূল্যায়ন দিয়েছে রয়টার্স ও নিক্কেই এশিয়া। তাদের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও চীনের প্রতিযোগিতা যত বাড়ছে, বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর কৌশলগত গুরুত্বও তত বাড়ছে। ফলে ঢাকার জন্য সবচেয়ে কার্যকর পথ হচ্ছে ‘মাল্টি-অ্যালাইনমেন্ট’ বা বহুমাত্রিক অংশীদারত্বের নীতি অনুসরণ করা, যেখানে অর্থনীতি, বাণিজ্য ও নিরাপত্তার প্রশ্নে ভিন্ন ভিন্ন দেশের সঙ্গে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা গড়ে তোলা হবে।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকেরা মনে করেন, বর্তমান বিশ্ব আর স্নায়ুযুদ্ধের যুগের মতো দ্বিমেরু নয়। এখন অধিকাংশ মধ্যম আয়ের উন্নয়নশীল দেশ একই সঙ্গে বিভিন্ন শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখছে। ভারত যেমন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদার, তেমনি রাশিয়ার কাছ থেকেও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কিনছে। আবার ভিয়েতনাম যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সঙ্গে একযোগে অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ করছে। সেই বাস্তবতায় বাংলাদেশের ভারসাম্যমূলক কূটনীতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অস্বাভাবিক কিছু নয়।

বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে এই ভারসাম্য দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখা। চীনের বিনিয়োগ যেমন প্রয়োজন, তেমনি ভারতের সঙ্গে ভৌগোলিক, বাণিজ্যিক ও নিরাপত্তাগত সম্পর্কও অপরিহার্য। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ, ট্রানজিট, বিদ্যুৎ আমদানি, সীমান্ত বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক সংযোগে বাংলাদেশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে শিল্পায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং উৎপাদন খাতে চীনের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাংলাদেশের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার যদি দুই দেশের মধ্যে আস্থার ভারসাম্য বজায় রাখতে পারে, তাহলে বাংলাদেশ একদিকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে পারবে, অন্যদিকে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতেও নিজের কৌশলগত অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে সক্ষম হবে।

বিবিসির বিশ্লেষণেও শেষ পর্যন্ত একই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনাকে ঘিরে রাজনৈতিক অস্বস্তি এবং সীমান্ত-সংক্রান্ত বিরোধ থাকলেও অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার কারণে ভারত ও বাংলাদেশ—কোনো দেশই অন্যটিকে উপেক্ষা করতে পারবে না। একই সময়ে চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতাও বাংলাদেশের উন্নয়নের একটি বড় ভিত্তি হয়ে উঠছে। ফলে বর্তমান সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হবে প্রতিযোগী দুই আঞ্চলিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক এমনভাবে পরিচালনা করা, যাতে বাংলাদেশের সার্বভৌম স্বার্থ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং কৌশলগত স্বাধীনতা—তিনটিই সমানভাবে সুরক্ষিত থাকে।

দক্ষিণ এশিয়ার দ্রুত পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশের এই কূটনৈতিক ভারসাম্য কেবল একটি পররাষ্ট্রনীতি নয়; বরং এটি দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ, আঞ্চলিক প্রভাব এবং আন্তর্জাতিক অবস্থান নির্ধারণের অন্যতম প্রধান কৌশল হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

প্রাথমিকে নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

🕒 প্রকাশ: ০৭:২২ অপরাহ্ন, ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

শেখ হাসিনার বিষয়টি ঢাকা ও দিল্লির ওপর ছেড়ে দিল ওয়াশিংটন, তারেক রহমানের প্রতি আস্থার ইঙ্গিত

🕒 প্রকাশ: ০৭:০৭ অপরাহ্ন, ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ সফর শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী

🕒 প্রকাশ: ০৬:২১ অপরাহ্ন, ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

পুলিশ পরিচয়ে ছেলের কণ্ঠ নকল, বাবার কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে গ্রেপ্তার ২

🕒 প্রকাশ: ০৬:১৪ অপরাহ্ন, ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ

🕒 প্রকাশ: ০৬:০৫ অপরাহ্ন, ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

Footer Up 970x250