সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৫ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** আশুলিয়ায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণে যেভাবে ছড়াল আগুন *** আশুলিয়ায় কাভার্ড ভ্যান থেকে ৬ লাশ উদ্ধার *** জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রথম স্ত্রীসহ থানায় এমপি নজরুল *** সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বাড়ল ২০ টাকা *** কমলাপুর রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে আগুন *** শিল্পকলা একাডেমির সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, পল্লবীতে বাসে আগুন *** ন্যাম ভবন থেকে সাতক্ষীরার এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার *** সমালোচনার মুখে হাফেজদের উপহার দেওয়া সেই বই ফেরত নিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী *** অপ্রতিমের মা ড. নাহিদার চব্বিশের সেই ফেসবুক পোস্ট কেন আলোচনায়, কী লিখেছিলেন তিনি *** পাকিস্তান কি সৌদি আরবকে রক্ষা করতে যুদ্ধে জড়াবে

মুরগির ডিমের রং বিভিন্ন হয় কেন

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৩:২৭ অপরাহ্ন, ২৩শে এপ্রিল ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

মুরগির ডিমের কথা বললে সাধারণত সাদা বা বাদামি খোলসের ডিমই ভেসে ওঠে আমাদের চোখে। প্রকৃতপক্ষে ডিমের খোলসের রং হতে পারে ক্রিম, গোলাপি, নীল, এমনকি সবুজও। শুধু তাই নয়, কিছু ডিমের খোলসের ওপর আবার দাগও দেখা যায়। প্রশ্ন হলো, ডিমের রঙে এত বৈচিত্র্য কেন এবং কী কারণে একেক মুরগি একেক রঙের ডিম পাড়ে?

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন টেক্সাস এ অ্যান্ড এম ইউনিভার্সিটির কলেজ অব এগ্রিকালচার অ্যান্ড লাইফ সায়েন্সেসের পোলট্রি সায়েন্স বিভাগের বিশেষজ্ঞ গ্রেগরি আর্চার। অনেক কারণ মুরগির ডিম তৈরির প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে। কারণগুলো তুলে ধরা হলো—

ডিমের রং মূলত নির্ধারিত হয় মুরগির জিনগত বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে। মজার ব্যাপার হলো, মুরগির কানের লতির দিকে তাকালেই অনুমান করা যায়, সে কেমন রঙের ডিম দেবে। খবর ফিউচুরিটির।

আর্চার বলেন, ‘সাধারণভাবে যেসব মুরগির কানের লতি সাদা, তারা সাদা ডিম পাড়ে। তবে সব ডিম শুরুতে সাদাই হয়। কারণ ডিমের খোলস তৈরি হয় ক্যালসিয়াম কার্বোনেট দিয়ে। ডিম গঠনের সময় মুরগির জিন থেকে নির্গত রঙিন রঞ্জক খোলসে জমা হয় এবং এর রং নির্ধারিত হয়।

আর্চার বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই যেসব মুরগির কানের লতি হালকা রঙের হয়, তাদের পালকও সাদা হয় এবং তারা সাদা ডিম পাড়ে। অন্যদিকে, যেসব মুরগির পালক ও কানের লতি গাঢ় রঙের, তারা সাধারণত রঙিন ডিম পাড়ে।

ডিম তৈরি হয় মুরগির ডিম্বাশয় থেকে একটি ডিমকোষ বের হয়ে ‘ওভিডাক্ট’ নামক এক নালিতে প্রবেশ করার মাধ্যমে। এখানে পাঁচটি ধাপে সম্পন্ন হয় পুরো প্রক্রিয়া, যেন ডিমের কুসুম নিরাপদে থাকে। এ প্রক্রিয়া সাধারণত ২৪ ঘণ্টার কিছু বেশি সময় নেয়।

এর মধ্যে চতুর্থ ধাপে পৌঁছালে ডিমের খোলসে রঙিন রঞ্জক জমা হয়, যা ডিমের বাহ্যিক রং নির্ধারণ করে।

বিভিন্ন জাতের মুরগির খোলস তৈরির সময় খোলসের ওপর বিভিন্ন রঞ্জক পদার্থ জমা হয়, যার ফলে খোলসের বাইরের রং, কখনো কখনো ভেতরের রং পরিবর্তন হয়।

আমেরাউকানা, আরাউকানা, দংশিয়াং, লুশি: নীল বা নীলাভ সবুজ ডিম (রঞ্জক: ওসায়ানিন, যা ডিমের খোলসের ভেতরেও প্রবেশ করে)।

বিশেষ ধরনের সবুজাভ ডিম আসে বাদামি ডিম পাড়া ও নীল ডিম পাড়া মুরগির সংকর প্রজাতি থেকে। বাদামি রঞ্জক ও নীল খোলসের মিশ্রণে ডিমটি হয় জলপাই রঙের। রঞ্জকের গাঢ়ত্ব অনুযায়ী রঙের তারতম্য ঘটে।

অন্যান্য রঙিন ডিম পাড়া মুরগির মধ্যে রয়েছে ব্যারেড রক, ওয়েলসামার এবং মারান। ডিমের রং জাত এবং এর জিনগত বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে।

এইচ.এস/

ডিম

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250