রবিবার, ১৫ই মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩০শে ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বাংলাদেশ-তুরস্ক পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে সমরাস্ত্র-জ্বালানি-বাণিজ্যে জোর *** ‘হাজী শরীয়ত উল্লাহর বংশধর হানজালা খোঁচাখুঁচি করলে বিএনপি দেশে থাকতে পারবে না’ *** ‘শাহরিয়ার কবির আমাকে মধ্যরাতের রাজাকার বললতেন, তবুও তার মুক্তি চাই’ *** ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর *** আমস্টারডামে ইহুদি স্কুলে বিস্ফোরণ *** ‘জামায়াত-এনসিপি অসভ্যতা করবে, এটাই স্বাভাবিক’ *** হাদি হত্যা: ফয়সালকে পালাতে ‘সাহায্যকারী’ ফিলিপ সাংমা পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার *** নিষেধাজ্ঞা কাটাতে আন্তর্জাতিক তৎপরতা, নির্বাচনী রাজনীতিতে শক্তিশালী হয়ে ফিরতে চায় আওয়ামী লীগ *** রাত থেকে গণপরিবহনে তেল নেওয়ার সীমা থাকছে না: সড়কমন্ত্রী *** তিন মাস পর জামিনে মুক্ত সাংবাদিক আনিস আলমগীর

কাজুবাদাম যেভাবে চাষ করবেন

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১০:০১ পূর্বাহ্ন, ১লা জুন ২০২৪

#

ছবি: সংগৃহীত

কাজুবাদাম একটি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ফল। কাজুবাদামকে বলা হয় প্রাকৃতিক পুষ্টিকর ফল। আন্তর্জাতিক বাজারে কাজুবাদামের চাহিদা প্রচুর।  বাণিজ্যিক কৃষির যে সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশে; সেই বাণিজ্যিকীকরণের বাহক হিসেবে কাজুবাদামের সম্ভাবনা ব্যাপক। এই চাহিদা দিন দিন বেড়ে চলেছে। প্রাথমিক অবস্থায় কাজুবাদাম গাছ পাহাড়ি অঞ্চলে কৃষি পুনর্বাসন কার্যক্রমের সঙ্গে ভূমিক্ষয়, ভূমিধস ইত্যাদির জন্য লাগানো হলেও বর্তমানে গাছটি দ্রুত বর্ধনশীল, পরিবেশবান্ধব এবং লাভজনক হওয়ায় পাহাড়ি বা সমতল জমির পতিত জায়গায় রোপণের কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের সর্বত্র এর চাষ সম্ভব। আমাদের দেশের জলবায়ু কাজুবাদাম চাষের জন্য বেশ সহায়ক। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রাচীন জাতের কাজুবাদাম চাষ হয়ে থাকে। এ জাতের কাজুবাদামের ফলন কম এবং দেরিতে ফলন পাওয়া যায়। ইদানীং ভারত, ভিয়েতনাম ও শ্রীলঙ্কায় কিছু কিছু উন্নত জাত আবিষ্কার হয়েছে। যেগুলোতে ফলন ৪-৫ গুণ বেশি এবং ছোট ছোট গাছে প্রচুর ফলন দেয়।

কাজুবাদাম চাষের উপযুক্ত আবহাওয়া ২৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড থেকে ২৭ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রা। ১০০০ মিমি থেকে ২০০০ মিমি বার্ষিক বৃষ্টিপাত, ৫০০ মিটার থেকে ১০০০ মিটার সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা এবং বন্যামুক্ত অম্লীয় বালি বা বালি দোআঁশ মাটি। এসব বিষয়গুলো বিবেচনা করলে কাজুবাদাম চাষের উপযুক্ত জমি পাহাড়ি অঞ্চলের প্রচুর পরিমাণে আছে। পাহাড়ি এলাকায় নভেম্বর থেকে প্রায় এপ্রিল-মে মাস পর্যন্ত সাধারণত কোনো বৃষ্টিপাত হয় না। অর্থাৎ ৫-৬ মাস পাহাড়ি ভূমি বৃষ্টিহীন অবস্থায় থাকে। আবার সেখানে সেচ দেওয়ার তেমন কোনো সুযোগ-সুবিধা নেই।

আরো পড়ুন: সুস্বাদু রাশিয়ান আঙ্গুরের বাণিজ্যিক চাষ এখন নাটোরে

মার্চ-এপ্রিল মাসে প্রচণ্ড খরা এবং গরম হাওয়া বিদ্যমান থাকে। সে অবস্থায়ও কাজুবাদাম বেশ ভালো ফলন দিয়ে থাকে। আবার স্বল্প মূল্যের জমি এবং কর্মঠ শ্রমিক প্রাপ্যতা এখানে আছে। জমি হলো কৃষির মূল উপাদান। এ ছাড়া কৃষি অচল ও অসম্ভব। সমতল এলাকায় কাজুবাদাম করার মতো স্বল্প মূল্যের ভূমি পাওয়াটা দুষ্কর। বান্দরবানে ১,৭৯৭ হেক্টর জমিতে ৮.৬৯ লাখ কাজুবাদামের গাছ আছে। বান্দরবানের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফলন হয় থানচি উপজেলায়। মোট আবাদের ৫০ শতাংশই হয় এ উপজেলায়। এরপর রুমা, রোয়াংছড়ি এবং সদরে কাজুবাদামের চাষ হয়।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

এসি/   আই.কে.জে


প্রাকৃতিক কাজুবাদাম

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250