বুধবার, ২৮শে জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** আমলাতন্ত্র জগদ্দল পাথরের মতো জনগণের বুকে চেপে বসেছে, কিছুই করা যায় না: ফাওজুল কবির খান *** আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশের ওপর শুল্ক কমানোর ঘোষণা দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র *** ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা গণমাধ্যমকর্মীদেরই আদায় করতে হবে’ *** নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ‘সিম্প্যাথি’ পেতে মিথ্যা বলছেন: মির্জা আব্বাস *** ড্রোন বানাবে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী, সহায়তা করবে চীন *** নারী ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ইসির কাছে ৭১ সংগঠনের ১০ সুপারিশ *** ‘নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গণভোটের পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না’ *** ‘কাজের টোপ’ দিয়ে রাশিয়ায় নিয়ে বাংলাদেশিদের পাঠানো হচ্ছে যুদ্ধে *** পায়ে পাড়া দিয়ে কেউ যদি আশা করে আমরা চুপ থাকব, তা হবে না: শফিকুর রহমান *** বিচ্ছেদের পর গলায় স্ত্রীর ছবি ঝুলিয়ে দুধ দিয়ে গোসল

কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজির দ্বন্দ্বে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোসাব্বিরকে হত্যা: ডিবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৩:৩৬ অপরাহ্ন, ২৪শে জানুয়ারী ২০২৬

#

ফাইল ছবি

রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তার এবং চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করেই স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আজিজুর রহমান মোসাব্বিরকে হত্যা করা হয়েছে।

আজ শনিবার (২৪শে জানুয়ারি) সকালে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার ও ডিবির প্রধান শফিকুল ইসলাম এই তথ্য জানান।

ডিবির প্রধান জানান, কারওয়ান বাজার এলাকায় প্রকাশ্যে ও গোপনে চাঁদা আদায়ের জন্য ৮ থেকে ৯টি সিন্ডিকেট সক্রিয়। এই চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ ও অর্থের ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরেই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হয়। বিদেশে পলাতক আন্ডারওয়ার্ল্ড সন্ত্রাসী দিলীপ ওরফে ‘বিনাশ’-এর নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ।

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘চাঁদাবাজদের কোনো নির্দিষ্ট দল নেই। কারওয়ান বাজারের মতো বড় কাঁচাবাজারে দখল-বাণিজ্য টিকিয়ে রাখতে তারা বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক ব্যানারের আশ্রয় নেয়।’

৭ই জানুয়ারি কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ের পাশের একটি গলিতে স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা উত্তর সিটি ইউনিটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোসাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় জড়িত অন্যতম প্রধান শুটার মো. রহিমকে গতকাল শুক্রবার নরসিংদীর মাধবদী থেকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

রহিমের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন ও ১২টি গুলি। এর আগে ১১ই জানুয়ারি এই মামলার আরও চার আসামি জিন্নাত, আবদুল কাদির, মো. রিয়াজ ও মো. বিলালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এ নিয়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত মোট পাঁচজন এখন পুলিশের হেফাজতে।

সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে প্রাপ্ত তথ্যের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, রহিম ও জিন্নাত নামের দুজন সরাসরি গুলি চালাতে অংশ নেয়। গ্রেপ্তারের পর একজন আসামি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন, যেখানে ‘দাদা’ বা বিনাশের নির্দেশনার কথা উঠে এসেছে। বিনাশ বর্তমানে দেশের বাইরে থাকলেও তার নাম ভাঙিয়ে কারওয়ান বাজারে নিয়মিত চাঁদা তোলা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ডিবির প্রধান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘কারওয়ান বাজারের এই ৮-৯টি চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট আমরা অচিরেই ভেঙে দেব। শিগগিরই সেখানে বিশেষ অভিযান শুরু করা হবে।’

তিনি আরও জানান, সামনে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি গোষ্ঠী দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তবে পুলিশ সতর্ক রয়েছে এবং গত এক মাসে সর্বোচ্চ ১৩টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

জে.এস/

ডিবি

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250