ছবি: সংগৃহীত
ফেডারেল এক এজেন্টের দিকে স্যান্ডউইচ ছুড়ে মারার অভিযোগে আমেরিকার বিচার বিভাগের এক কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে ‘অপরাধ দমনে জরুরি অবস্থা’ ঘোষণার পর সেখানে মোতায়েন করা হয়েছিল ওই এজেন্টকে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শন চার্লস ডান নামের বিচার বিভাগের ওই কর্মকর্তাকে এরই মধ্যে বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে গুরুতর হামলার অভিযোগও আনা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ডের পাশাপাশি ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী সংস্থার এই উপস্থিতি ডেমোক্র্যাট-অধ্যুষিত এই শহরে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। ট্রাম্পের দাবি, মাদকাসক্ত উদ্বাস্তুদের কারণে রাজধানীতে অপরাধ অনেক বেশি।
তাই, অপরাধ দমনে এসব ‘মাদকাসক্ত উন্মাদ’দের রাজধানী থেকে সরাতে হবে। আর সে কারণেই ওয়াশিংটনে ‘অপরাধ দমনে জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। তবে, স্থানীয় পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ওয়াশিংটন ডিসি-তে সহিংস অপরাধ গত ৩০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, গত রোববার এই ‘স্যান্ডউইচ হামলা’র ঘটনা ঘটেছে। এক কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার পেট্রল অফিসার জানান, বিচার বিভাগের ওই কর্মকর্তা ফেডারেল এজেন্টের দিকে একটি ‘সাবমেরিন স্টাইল স্যান্ডউইচ’ ছুড়ে মারেন।
এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ওই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ফেডারেল এজেন্টকে দেখে ‘ফ্যাসিস্ট’ বলে চিৎকার করতে থাকেন শন চার্লস নামের ওই কর্মকর্তা। তারপর চিৎকার করে বলেন, ‘তোমরা এখানে কেন? আমার শহরে আমি তোমাদের চাই না।’
কিছুক্ষণ পর তিনি আবার ফিরে আসেন আর প্লাস্টিক র্যাপে মোড়ানো একটি স্যান্ডউইচ ছুড়ে মারেন ওই ফেডারেল এজেন্টের দিকে। এ ঘটনায় ওই এজেন্ট আহত হয়েছেন কি না সে ব্যাপারে কোনো তথ্য জানাননি প্রসিকিউটররা। উল্লেখ্য, ওই এজেন্ট বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিহিত ছিলেন।
খবরটি শেয়ার করুন