ছবি: স্ক্রল.ইন
ভারতে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত টেলিভিশন সংবাদমাধ্যমগুলোর সাংবাদিকেরা এখন এমন এক পরিস্থিতির মুখোমুখি, যেখানে তাদের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে শুধু পুলিশের বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে না, বিক্ষোভকারীদের ক্ষোভও সামলাতে হচ্ছে। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং সরকারের প্রচারকৌশল—এই তিনটি বিষয়কে ঘিরে তৈরি হওয়া বিরোধের কেন্দ্রে চলে এসেছেন তারা।
গত ১০ অক্টোবর নয়াদিল্লিতে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ ঠেকাতে ব্যাপক পুলিশি তৎপরতা দেখা যায়। পরবর্তী দিনগুলোতেও বিক্ষোভ, ধরপাকড় ও সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত থাকে। রয়টার্সের ১২ অক্টোবরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিক্ষোভের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, স্ক্রল ও নিউজলন্ড্রিসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রায় তিন ডজন সাংবাদিক আটক হন। কয়েক সাংবাদিক তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, মারধর এবং সরঞ্জাম কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ করেন। সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরও তাদের আটক রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে।
তবে এই ঘটনার আরেকটি দিকও গুরুত্বপূর্ণ। পুলিশের হাতে স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের আটক হওয়ার পাশাপাশি বিক্ষোভকারীদের ক্ষোভের লক্ষ্য হয়ে উঠেছেন বিজেপি-সমর্থক বলে পরিচিত কিছু টেলিভিশন চ্যানেলের সাংবাদিকেরা। ভারতে ক্ষমতাসীনদের প্রতি অতিমাত্রায় অনুগত সংবাদমাধ্যমকে ব্যঙ্গ করে ‘গোদি মিডিয়া’ বলা হয়। ‘গোদি’ শব্দটি এখানে আক্ষরিক অর্থে কোলে বসে থাকার ইঙ্গিত বহন করে। অর্থাৎ, সমালোচকেরা বলতে চান, এসব সংবাদমাধ্যম সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করার পরিবর্তে ক্ষমতাসীনদের বক্তব্য প্রচারে বেশি মনোযোগী।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম স্ক্রল ১৬ অক্টোবর প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে প্রশ্ন তুলেছে, ‘গোদি মিডিয়া’র সাংবাদিকেরা কেন বিক্ষোভকারীদের হাতে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন। বিশ্লেষক শোয়াইব দানিয়ালের মতে, সাংবাদিকদের একটি অংশকে বিক্ষোভকারীরা নিরপেক্ষ সংবাদকর্মী হিসেবে দেখছেন না; বরং সরকারের বক্তব্য প্রচারের সঙ্গে যুক্ত হিসেবে বিবেচনা করছেন। তবে সাংবাদিকদের ওপর হামলা বা হেনস্তাকে এ কারণে গ্রহণযোগ্য বলা যায় না। সংবাদমাধ্যমের সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে দ্বিমত থাকলেও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনভাবে কাজ করার অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি।
এই বিরোধের পেছনে রয়েছে ভারতের সংবাদমাধ্যমের মালিকানা, রাজনৈতিক পক্ষপাত, সংবাদ পরিবেশনের ধরন এবং ডিজিটাল মাধ্যমে বিকল্প সংবাদপ্রবাহের বিস্তারের দীর্ঘ ইতিহাস।
২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি প্রথমবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর সংবাদমাধ্যম ও সরকারের সম্পর্কের ধরন নিয়ে বিতর্ক বাড়তে থাকে। এর আগে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সংযুক্ত প্রগতিশীল মোর্চা সরকারের শেষ বছরগুলোতে দুর্নীতির অভিযোগ, প্রশাসনিক দুর্বলতা ও বিভিন্ন জনবিক্ষোভ সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক গুরুত্ব পেয়েছিল। ২০১১ সাল থেকে শুরু হওয়া এসব বিতর্ক মনমোহন সিং সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে ভূমিকা রাখে। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিজেপির জয়ের মধ্য দিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন আসে।
স্ক্রল-এর ১৬ অক্টোবরের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, আগের সরকারের অভিজ্ঞতা থেকে মোদি সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা নেন। এরপর পুরস্কার ও চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে সরকারপন্থী সংবাদমাধ্যমের প্রভাবশালী বলয় গড়ে ওঠে বলে সমালোচকদের অভিযোগ। মোদির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কয়েক ধনকুবের বড় সংবাদমাধ্যমের মালিকানা বা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে যুক্ত হন। অন্যদিকে, সরকারের সমালোচনাকারী কিছু সংবাদমাধ্যমের মালিকানা ও সম্পাদকীয় স্বাধীনতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।
এই প্রেক্ষাপটে ‘গোদি মিডিয়া’ শব্দটি জনপ্রিয়তা পায়। সরকারপন্থী সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ হলো, তারা বিরোধী দলের বক্তব্য, সরকারের সমালোচনা এবং সাধারণ মানুষের সমস্যার তুলনায় ক্ষমতাসীনদের রাজনৈতিক বক্তব্যকে বেশি গুরুত্ব দেয়। কোনো কোনো টেলিভিশন অনুষ্ঠানে বিতর্কের বদলে উত্তেজনাপূর্ণ স্লোগান, ব্যক্তিগত আক্রমণ ও রাজনৈতিক মেরুকরণ প্রাধান্য পায়।
তবে ভারতের সব মূলধারার সংবাদমাধ্যমকে একই শ্রেণিতে ফেলা যায় না। বিভিন্ন সংবাদপত্র, টেলিভিশন চ্যানেল ও ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমের সম্পাদকীয় অবস্থান এক নয়। একইভাবে, সরকারের সমর্থনে সংবাদ প্রকাশ করলেই কোনো সংবাদমাধ্যমকে স্বাধীনতাবিরোধী বলা যায় না। মূল প্রশ্ন হচ্ছে, সংবাদমাধ্যমটি সরকারের কর্মকাণ্ডের স্বাধীন যাচাই করছে কি না, বিরোধী মত প্রকাশের সুযোগ দিচ্ছে কি না এবং ক্ষমতাসীনদের জবাবদিহির আওতায় আনছে কি না।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়টার্স ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব জার্নালিজমের ডিজিটাল সংবাদবিষয়ক প্রতিবেদনে ভারতের সংবাদমাধ্যমের মালিকানা অল্প কয়েকজন ধনী ব্যবসায়ীর হাতে কেন্দ্রীভূত থাকার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব মালিকের অনেকেই মোদির প্রতি সমর্থনশীল। একই সঙ্গে সরকার-সমালোচক স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকেরা হয়রানি ও আইনি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
সংবাদমাধ্যমের মালিকানা ও রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পাশাপাশি ভারতের সংবাদপাঠকের অভ্যাসেও বড় পরিবর্তন এসেছে। এর পেছনে সাশ্রয়ী ইন্টারনেটের বিস্তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ২০১৬ সালে রিলায়েন্স জিওর টেলিযোগাযোগ সেবা চালুর পর ভারতজুড়ে কম খরচে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ বাড়ে। স্মার্টফোনের বিস্তার এবং ভিডিও দেখার সহজলভ্যতা সংবাদ গ্রহণের ধরন বদলে দেয়।
এর ফলে ইউটিউবভিত্তিক সংবাদমাধ্যম, স্বাধীন সাংবাদিক এবং নিজস্ব বিশ্লেষণধর্মী ভিডিও তৈরি করা ব্যক্তিদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হয়। মূলধারার টেলিভিশনে যেসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাচ্ছিল না বলে দর্শকদের একাংশ মনে করত, সেসব বিষয় নিয়ে বিকল্প আলোচনা জনপ্রিয়তা পেতে থাকে।
রয়টার্স ইনস্টিটিউট এক প্রতিবেদনে জানায়, ভারতের কয়েকটি ইউটিউবভিত্তিক সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে সরকারি নির্দেশে চ্যানেল বন্ধ বা আয় বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। প্রতিবেদনে বোলতা হিন্দুস্তান ও ন্যাশনাল দস্তক-এর মতো সংবাদমাধ্যমের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়। একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, টেলিভিশন সাংবাদিকতার বাইরে এসে স্বাধীনভাবে কাজ শুরু করা সাংবাদিকদের মধ্যে রবীশ কুমার ও অভিসার শর্মাও রয়েছেন। এসব উদাহরণ দেখায়, ডিজিটাল মাধ্যম সংবাদ পরিবেশনের বিকল্প ক্ষেত্র তৈরি করলেও সেখানে কাজ করা সাংবাদিকেরা চাপের বাইরে নন।
২০২০ সালে ভারত সরকার চীনা ভিডিওমাধ্যম টিকটক নিষিদ্ধ করে। ভারত-চীন সীমান্তে উত্তেজনার পর নেওয়া এই সিদ্ধান্তের ফলে স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও তৈরির ক্ষেত্রে ইনস্টাগ্রাম রিলসসহ অন্য মাধ্যমগুলোর গুরুত্ব বাড়ে। ইউটিউবও সংবাদ ও রাজনৈতিক আলোচনা প্রচারের বড় ক্ষেত্র হয়ে ওঠে। ফলে সংবাদ ও রাজনৈতিক বক্তব্যের ওপর প্রচলিত টেলিভিশনমাধ্যমের একচ্ছত্র প্রভাব কমতে শুরু করে। তবে ডিজিটাল মাধ্যমের এই বিস্তার যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্বাধীন ও নির্ভুল সংবাদ নিশ্চিত করেছে, তা নয়। ভুল তথ্য, রাজনৈতিক প্রচার এবং যাচাইহীন ভিডিওর ঝুঁকিও বেড়েছে।
চলতি অক্টোবরের ঘটনাপ্রবাহে এই পরিবর্তনের রাজনৈতিক তাৎপর্য স্পষ্ট হয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে বিতর্কের মধ্যে নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ ঠেকাতে দুই হাজারের বেশি মানুষকে আটক করা হয়। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ ছিল, ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ১৩ কোটি নাম বাদ দেওয়ার ফলে বিজেপি সুবিধা পেতে পারে। নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। কমিশনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, তালিকা যাচাইয়ের সময় স্থানান্তরিত, খুঁজে পাওয়া যায়নি এমন এবং মৃত ব্যক্তিদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে; ভুল করে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের পুনরায় তালিকাভুক্ত হওয়ার সুযোগও রয়েছে।
এরপর ১১ অক্টোবরের বিক্ষোভের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের আটকের ঘটনা আরও বড় বিতর্ক সৃষ্টি করে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, সাংবাদিকদের আটকের কারণ সম্পর্কে দিল্লি পুলিশের কাছ থেকে তাৎক্ষণিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। ভারতের প্রেস ক্লাবসহ সাংবাদিকদের সংগঠনগুলো ঘটনাটিকে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর আঘাত বলে সমালোচনা করে। রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্সের ভারত প্রতিনিধি রিতিকা জৈনও সাংবাদিকদের ওপর বিধিনিষেধ নিয়ে উদ্বেগ জানান। ভারতের সরকার এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো জবাব দেয়নি বলে রয়টার্স উল্লেখ করেছে।
এই পরিস্থিতিতে ‘গোদি মিডিয়া’র সাংবাদিকদের প্রতি বিক্ষোভকারীদের বিরূপ মনোভাবকে শুধু তাৎক্ষণিক ক্ষোভ হিসেবে দেখলে পুরো চিত্র বোঝা যাবে না। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে সংবাদ পরিবেশনের প্রতি আস্থার সংকট। কোনো সংবাদমাধ্যমকে যদি দর্শকেরা দীর্ঘদিন ধরে সরকারের বক্তব্যের পুনরাবৃত্তিকারী হিসেবে দেখতে অভ্যস্ত হন, তাহলে সেই সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকেরা মাঠপর্যায়ে গেলে তাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। বিশেষ করে যখন বিক্ষোভকারীরা মনে করেন, তাঁদের অভিযোগ মূলধারার সংবাদমাধ্যমে যথাযথ গুরুত্ব পাচ্ছে না।
তবে এই ক্ষোভ সাংবাদিকদের ব্যক্তিগতভাবে অপমান, হুমকি বা শারীরিকভাবে আক্রমণ করার অধিকার দেয় না। সাংবাদিকের কাজ ও সংবাদমাধ্যমের মালিকের রাজনৈতিক অবস্থান এক বিষয় নয়। একজন প্রতিবেদক ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে সংবাদ সংগ্রহ করছেন—এ কারণে তাকে বাধা দেওয়া হলে সাধারণ মানুষেরও নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়ার সুযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একইভাবে, পুলিশের দায়িত্বও সাংবাদিকদের পরিচয় যাচাই করে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া তাদের পেশাগত কাজে বাধা না দেওয়া।
মোদির সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জটি তাই দ্বিমুখী। একদিকে, নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগের বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত এবং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অধিকার নিশ্চিত করার প্রশ্ন রয়েছে। অন্যদিকে, সরকারপন্থী সংবাদমাধ্যমের প্রতি মানুষের অনাস্থা এবং স্বাধীন ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমের ক্রমবর্ধমান প্রভাব রাজনৈতিক বক্তব্য নিয়ন্ত্রণের প্রচলিত কৌশলকে কঠিন করে তুলছে।
শেষ পর্যন্ত ‘গোদি মিডিয়া’র সাংবাদিকেরা কেন হেনস্তার শিকার হচ্ছেন, তার উত্তর শুধু বিক্ষোভকারীদের আচরণে সীমাবদ্ধ নয়। সংবাদমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা, মালিকানার কাঠামো, সম্পাদকীয় স্বাধীনতা এবং সরকারের জবাবদিহির সঙ্গে বিষয়টি গভীরভাবে যুক্ত। সরকারপন্থী বলে পরিচিত সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের নিরাপত্তা যেমন নিশ্চিত করতে হবে, তেমনি সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতার প্রশ্নেও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা জরুরি। আর এসব প্রশ্নের সমাধান নির্ভর করবে রাজনৈতিক বিরোধীদের দমন নয়, বরং তথ্যের অবাধ প্রবাহ, স্বচ্ছতা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর।
খবরটি শেয়ার করুন