ছবি: সংগৃহীত
ব্যয় বৃদ্ধি, করছাড় ও নতুন নিরাপত্তা কৌশলের পক্ষে জনসমর্থন আদায়ে আগামী ৮ই ফেব্রুয়ারি আগাম জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। এ লক্ষ্যে আগামী শুক্রবার সংসদ ভেঙে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন তিনি।
নির্বাচনে সংসদের নিম্নকক্ষের ৪৬৫টি আসনে ভোট হবে। গত বছরের অক্টোবরে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই হবে জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। খবর রয়টার্সের।
গতকাল সোমবার (১৯শে জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে তাকাইচি খাদ্যপণ্যে ৮ শতাংশ ভোগকর দুই বছরের জন্য স্থগিত রাখার ঘোষণা দেন। তার দাবি, এতে কর্মসংস্থান বাড়বে, পরিবারের ব্যয়ক্ষমতা বাড়বে এবং পরোক্ষভাবে অন্যান্য খাত থেকে রাজস্ব আদায় বাড়বে।
তবে সরকারের হিসাব অনুযায়ী, এ সিদ্ধান্তে বছরে প্রায় ৫ ট্রিলিয়ন ইয়েন (প্রায় ৩২ বিলিয়ন ডলার) রাজস্ব ঘাটতি হতে পারে। এ ঘোষণার প্রভাব পড়েছে আর্থিক বাজারেও। সোমবার জাপানের ১০ বছর মেয়াদি সরকারি বন্ডের সুদের হার গত ২৭ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জনসমর্থন পেয়ে তাকাইচি প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। এখন সেই সমর্থন কাজে লাগিয়ে ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) ভেতরেও নিজের অবস্থান শক্ত করতে চান তিনি। এ ছাড়া নতুন নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করাও তার উদ্দেশ্য।
জে.এস/
খবরটি শেয়ার করুন