বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১২ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** নেপালে বন্যায় মৃত বেড়ে ৩৩২, এখনো নিখোঁজ অন্তত ১৫০০ *** মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদান বাংলাদেশের একান্ত নিজস্ব বিষয়: জামায়াত আমির *** রংপুরে ৪ খুন: সাংবাদিকদের ডেকে প্রশ্নের জবাব না দিয়েই সটকে পড়লেন কমিশনার *** রংপুরে চার খুন: হত্যার স্থান, সময় ও কারণ নিয়ে পুলিশ কমিশনারের নতুন ভাষ্য *** স্বাস্থ্যসেবায় প্ল্যান মেডি ট্রিপের সঙ্গে যমুনা ব্যাংকের ০% ইএমআই সুবিধা *** বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় আইনশৃঙ্খলা, সার ও বিদ্যুৎ নিয়ে প্রশ্ন *** সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বারান্দায় তিন সাপের বাচ্চা *** প্রস্তাব পেলে মক্কা প্যাক্টে যোগদানে ইতিবাচক বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী *** বাংলাদেশের প্রশংসা করে নিজের পুরনো প্রস্তাব মনে করালেন স্টিভ ওয়াহ *** নেপালে বাংলাদেশি পর্যটকেরা কেমন আছেন, জানাল দূতাবাস

অপকর্মে জড়িত পুলিশের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা : ডিএমপি কমিশনার

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০১:৫২ অপরাহ্ন, ১৭ই আগস্ট ২০২৪

#

ছবি : সংগৃহীত

ছাত্র-জনতার আন্দোলন এবং আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘিরে সংঘর্ষ-সহিংসতায় পুলিশের মনোবল ভেঙে পড়েছিল। প্রাণভয়ে পালিয়ে ছিলেন মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা। এরই মধ্যে ৯৯ শতাংশ পুলিশ সদস্য কাজে ফিরেছেন। তাদের মনোবল ফিরিয়ে আনাই এ মুহূর্তের মূল চ্যালেঞ্জ। বৃহস্পতিবার একটি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নবনিযুক্ত কমিশনার মো. মাইনুল হাসান।

তিনি বলেন, থানা পুলিশের কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে শুরু হতে আরও ১ মাস সময় লাগবে। সাম্প্রতিক সহিংসতায় পুলিশের ৭৫ ভাগ ইউনিটের অস্ত্র মিসিং বলে তিনি জানান। আরও জানান, পুলিশে এমন পরিস্থিতি কখনো আসেনি। বিক্ষোভ দমনে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ মানুষ ভালোভাবে নেয়নি। অপকর্মে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, আসাদুজ্জামান এবং যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকারসহ কয়েকজন এখনো কাজে ফেরেননি। তারা কোথায় আছেন, সে বিষয়ে ডিএমপির কাছে কোনো তথ্য নেই।

কমিশনার বলেন, ডিএমপির ৫০টি থানার মধ্যে ২২টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। পুলিশের মনোবল একেবারে ভেঙে গিয়েছিল। অনেকেই আত্মগোপনে ছিলেন, নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন, কাজে যেতে ভয় পাচ্ছিলেন। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই চেষ্টা করি, তাদের মনোবল বৃদ্ধি করার, যাতে ভয় না পেয়ে কাজে ফিরে আসেন। তাদের ১১ দফা দাবি আদায়ে কর্মবিরতিতে ছিল। আমরা রাজারবাগ ও মিরপুর পুলিশ লাইনসহ, বিভিন্ন পুলিশ স্টেশনে গিয়েছি। তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেছি। যৌক্তিক দাবিগুলো মেটানোর আশা দিয়েছি। নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন মোতায়েন করাসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়- যাতে থানায় আসতে তারা ভয় না পান। এটি খুব দ্রুত করা হয়েছে। এতে তাদের আস্থা বেড়েছে, থানায় এলে কেউ তাদের মারধর করবে না, ক্ষতি করবে না। ফলে তারা থানায় আসতে শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে তাদের দাবির বিষয়ে আলোচনায় একটি সমাধান হয়ে যায়। একদিকে সিকিউরিটি লেভেল রেইজ (নিরাপত্তা স্তর বৃদ্ধি) হয়েছে, থ্রেট লেভেল কমে গেছে। এতে পুলিশ সদস্যরা মনে করেছেন আর কর্মবিরতিতে গিয়ে দরকার নেই। যেহেতু আমরা ডিসিপ্লিন ফোর্স-নিয়মনীতি আছে সেহেতু কাজে যোগ দিতে বলা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে পুলিশ সদস্যরা চিন্তা করেছেন, আর কর্মবিরতিতে যাওয়ার দরকার নেই। আমার ধারণা ৯৯ শতাংশ সদস্য কর্মে ফিরে আসছেন।

আরো পড়ুন : স্বরাষ্ট্র থেকে সরানোর প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন সাখাওয়াত

এস/ আই.কে.জে/


পুলিশ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250