শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১১ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** প্রাথমিকে নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী *** শেখ হাসিনার বিষয়টি ঢাকা ও দিল্লির ওপর ছেড়ে দিল ওয়াশিংটন, তারেক রহমানের প্রতি আস্থার ইঙ্গিত *** জাতিসংঘ সফর শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী *** যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ *** স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রটির মালিকানা নিয়ে যা গন্ডগোল, তা কোর্টে নির্ধারণ হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী *** মধ্যরাতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভাঙচুর: এমপির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ প্রসঙ্গে যা বলল ডিএমপি *** জাসদের কার্যালয় থেকে আ.লীগ সন্দেহে অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী আটক *** জাসদ কার্যালয় থেকে সাংবাদিক নেতা আবু জাফর সূর্য আটক *** মিরপুরে স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রের গেটে ত্রিপল টানিয়ে চলছে টিকাদান, ভোগান্তিতে শিশু-মায়েরা *** স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্র ভাঙচুরে পুলিশের গাফিলতি ছিল কি না, তদন্ত হচ্ছে: ডিএমপি কমিশনার

সুখবর এক্সপ্লেইনার

বাংলাদেশ–চীন ঘনিষ্ঠতায় ভারতের সতর্ক নজর, ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত

নবনীতা রায়

🕒 প্রকাশ: ০৮:২৩ অপরাহ্ন, ৩রা জুলাই ২০২৬

#

ফাইল ছবি

দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন এক বাস্তবতা ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক অর্থনীতি, অবকাঠামো ও কূটনীতির গণ্ডি পেরিয়ে এখন প্রতিরক্ষা এবং আঞ্চলিক সংযোগের মতো সংবেদনশীল ক্ষেত্রেও বিস্তৃত হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালের আজ শুক্রবারের মন্তব্য—বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার আলোচনা এবং চীন–মিয়ানমার–বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোরের (সিবিএমইসি) প্রস্তাব ভারত "নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে"—আঞ্চলিক কূটনীতিতে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

ভারতের বক্তব্যে সরাসরি আপত্তি বা হুমকির ভাষা নেই। তবে "প্রয়োজন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ" করার কথা উল্লেখ করে নয়াদিল্লি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, প্রতিবেশী বাংলাদেশের কৌশলগত সিদ্ধান্তগুলো তাদের নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক চীননীতি ভারতের কাছে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে তিনটি কারণে। প্রথমত, তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে চীনের সক্রিয় সম্পৃক্ততা। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশের সম্ভাব্য জে-১০সিই যুদ্ধবিমান ক্রয়। তৃতীয়ত, বাংলাদেশ–মিয়ানমার–চীন অর্থনৈতিক করিডোরের সম্ভাবনা। এই তিনটি বিষয়ই ভারতের পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক প্রভাবের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে সম্পর্কিত।

তিস্তা প্রকল্প বহু বছর ধরেই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে একটি অমীমাংসিত বিষয়। দীর্ঘদিন ধরে নদীর পানিবণ্টন চুক্তি আটকে রয়েছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের আপত্তির কারণে দিল্লি চূড়ান্ত সমঝোতায় যেতে পারেনি। এই শূন্যতার মধ্যেই চীন তিস্তা পুনরুদ্ধার ও নদী ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে সহযোগিতার প্রস্তাব নিয়ে এগিয়ে আসে। ঢাকাস্থ চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন গতকাল বৃহস্পতিবার স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, এটি বাংলাদেশের অনুরোধে পরিচালিত একটি জনকল্যাণমূলক প্রকল্প এবং এর লক্ষ্য কোনো তৃতীয় দেশ নয়। তিনি আরও জানান, বাস্তবায়নের আগে যৌথ বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা করা হবে।

অন্যদিকে ভারত আজ জানিয়েছে, তিস্তা প্রকল্প নিয়ে তাদের অবস্থান আগেই বাংলাদেশকে জানানো হয়েছে এবং বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখেই ভবিষ্যৎ নীতি নির্ধারণ করা হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের উদ্বেগ কেবল নদী ব্যবস্থাপনা নিয়ে নয়। তিস্তা অববাহিকা ভারতের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল শিলিগুড়ি করিডোরের কাছাকাছি। এই সরু ভূখণ্ডই ভারতের মূল ভূখণ্ডকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত করেছে। ফলে এই অঞ্চলে চীনের বড় অবকাঠামোগত উপস্থিতি নয়াদিল্লির নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করাই স্বাভাবিক।

সম্ভাব্য জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়টিও ভারতের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ তার বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকা চীনের কাছ থেকে জে-১০সিই বহুমুখী যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে আলোচনা করছে। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ক্রয়চুক্তি ঘোষণা করা হয়নি এবং চীনের রাষ্ট্রদূতও নির্দিষ্ট অস্ত্র ক্রয় নিয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

ভারতের দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ জে-১০সিই হচ্ছে চীনের অন্যতম আধুনিক যুদ্ধবিমান, যা ইতোমধ্যে পাকিস্তানও ব্যবহার করছে। ফলে একই ধরনের প্ল্যাটফর্ম প্রতিবেশী আরেকটি দেশের হাতে গেলে ভারতীয় সামরিক পরিকল্পনায় নতুন হিসাব যোগ হবে বলে প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের ধারণা।

তবে বাংলাদেশের অবস্থান ভিন্ন। ঢাকা দীর্ঘদিন ধরেই "সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়" নীতির আলোকে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়িয়েছে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই চীন, তুরস্ক, ইতালি, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ একাধিক দেশের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ করেছে। ফলে সম্ভাব্য নতুন প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকেও সরকার কৌশলগত বৈচিত্র্য হিসেবেই তুলে ধরতে পারে।

এর পাশাপাশি নতুন করে আলোচনায় এসেছে চীন–মিয়ানমার–বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোর। এটি মূলত চীনের ইউনান প্রদেশকে মিয়ানমার হয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে সংযুক্ত করার ধারণা। দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় থাকলেও মিয়ানমারের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে প্রকল্পটি এগোয়নি। সাম্প্রতিক সময়ে আবারও বিষয়টি সামনে এসেছে। চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, এই করিডোর বাস্তবায়িত হলে সংশ্লিষ্ট সব দেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে এবং প্রয়োজনে ভারতও এতে অংশ নিতে পারে।

ভারতের জন্য এই করিডোরের তাৎপর্য দ্বিমুখী। একদিকে এটি আঞ্চলিক বাণিজ্য বাড়াতে পারে, অন্যদিকে বঙ্গোপসাগরে চীনের কৌশলগত উপস্থিতি আরও দৃঢ় করার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। এ কারণেই নয়াদিল্লি প্রকল্পটিকে শুধু অর্থনৈতিক নয়, নিরাপত্তাগত দৃষ্টিকোণ থেকেও মূল্যায়ন করছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস সম্প্রতি এক বিশ্লেষণে বলেছে, দক্ষিণ এশিয়ায় চীন এখন আরও সক্রিয় কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক উদ্যোগ নিচ্ছে এবং বাংলাদেশ সেই প্রচেষ্টার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্দর উন্নয়ন, তিস্তা প্রকল্প, সম্ভাব্য যুদ্ধবিমান চুক্তি এবং বিনিয়োগ—সব মিলিয়ে বাংলাদেশে চীনের উপস্থিতি ভারতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

একই প্রতিবেদনে সাংহাইয়ের ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ লিন মিনওয়াংয়ের বক্তব্য উদ্ধৃত করা হয়েছে। তার মতে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াতে আগ্রহী এবং এটিকে কেবল ভারতবিরোধী দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখা ঠিক হবে না। অন্যদিকে ভারতের বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করে, বেইজিং ধীরে ধীরে ভারতের ঐতিহ্যগত প্রভাববলয়ের ভেতরে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করছে।

বাংলাদেশের দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি কিছুটা আলাদা। দেশের সামনে বর্তমানে অবকাঠামো উন্নয়ন, জ্বালানি নিরাপত্তা, নদী ব্যবস্থাপনা, শিল্পায়ন এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। চীন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অবকাঠামো বিনিয়োগকারী দেশ হিসেবে এসব ক্ষেত্রে সহযোগিতা দিতে আগ্রহী। অন্যদিকে ভারত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রতিবেশী, গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার এবং নিরাপত্তা সহযোগী। ফলে ঢাকার সামনে সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ হলো—এক পক্ষের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করতে গিয়ে অন্য পক্ষের সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা সৃষ্টি না করা।

চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনও একই বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা কোনো তৃতীয় দেশকে লক্ষ্য করে নয় এবং পারস্পরিক সম্মান, সার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতির ভিত্তিতেই দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, প্রতিরক্ষা, বিনিয়োগ ও আঞ্চলিক সংযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে।

অন্যদিকে ভারতের বক্তব্যেও এখনো কূটনৈতিক সংযম লক্ষ করা যাচ্ছে। নয়াদিল্লি প্রকাশ্যে বাংলাদেশের কোনো সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেনি। বরং তারা জানিয়েছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে নিজেদের সামগ্রিক নীতির অংশ হিসেবে বিষয়গুলো বিবেচনা করবে।

সব মিলিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন প্রতিযোগিতার একটি পর্ব শুরু হয়েছে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। একদিকে চীন অর্থনৈতিক বিনিয়োগ, অবকাঠামো, প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে কৌশলগত উচ্চতায় নিতে চাইছে। অন্যদিকে ভারত তার নিরাপত্তা, আঞ্চলিক প্রভাব এবং দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থের দৃষ্টিকোণ থেকে প্রতিটি পদক্ষেপ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

এই বাস্তবতায় বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি বজায় রাখা। কারণ, ভৌগোলিক অবস্থান, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা এবং আঞ্চলিক সংযোগের কারণে বাংলাদেশ এখন শুধু দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র নয়; বরং ভারত ও চীনের বৃহত্তর কৌশলগত প্রতিযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দুতেও পরিণত হয়েছে। আগামী মাসগুলোতে তিস্তা প্রকল্প, সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং অর্থনৈতিক করিডোর নিয়ে যেসব সিদ্ধান্ত আসবে, সেগুলো শুধু ঢাকা–বেইজিং সম্পর্ক নয়, সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক ভারসাম্যেও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।

বাংলাদেশ–চীন ঘনিষ্ঠতা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

প্রাথমিকে নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

🕒 প্রকাশ: ০৭:২২ অপরাহ্ন, ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

শেখ হাসিনার বিষয়টি ঢাকা ও দিল্লির ওপর ছেড়ে দিল ওয়াশিংটন, তারেক রহমানের প্রতি আস্থার ইঙ্গিত

🕒 প্রকাশ: ০৭:০৭ অপরাহ্ন, ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ সফর শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী

🕒 প্রকাশ: ০৬:২১ অপরাহ্ন, ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

পুলিশ পরিচয়ে ছেলের কণ্ঠ নকল, বাবার কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে গ্রেপ্তার ২

🕒 প্রকাশ: ০৬:১৪ অপরাহ্ন, ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ

🕒 প্রকাশ: ০৬:০৫ অপরাহ্ন, ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

Footer Up 970x250