শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৮ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বাংলাদেশে বেসরকারি খাতে ৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে জাপান *** রুয়েটের বাসে প্রধানমন্ত্রী, ‘স্নাইপারের অভাব ছিল’ মন্তব্যের জেরে আইনের আওতায় বাবা-ছেলে *** প্রধানমন্ত্রীর কাছাকাছি যাওয়ার চেষ্টা, মিরপুরে গ্রেপ্তার ১ *** প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরকালে রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় রাখার সিদ্ধান্ত *** মাজারের সিন্দুক ও মসজিদের দানবাক্স ভেঙে টাকা চুরি *** এআই-ছবি ছড়িয়ে ঘৃণা উসকে দেওয়া সব ধর্মের জন্য অবমাননাকর: রুমিন ফারহানা *** সাজেকে পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর গুলি, ৩ হাজার পর্যটক উদ্ধার *** সাজেককে ঘিরে ‘কী হচ্ছে’, প্রশ্ন শফিকুর রহমানের *** সৌদি আরবে ১২ বছরে ২০৮৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসেই ১০০ *** সারোগেসি পদ্ধতিতে প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় নেদারল্যান্ডসের প্রথম সমকামী প্রধানমন্ত্রী

১৪ মাস পর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন ২৮ জুন

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০২:২৭ অপরাহ্ন, ২৫শে জুন ২০২৬

#

ফাইল ছবি

প্রায় ১৪ মাস পর দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন শুরু হতে যাচ্ছে। অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও শিশুদের পুষ্টিহীনতা দূরীকরণের লক্ষ্যে আয়োজিত এই বিশেষ ক্যাম্পেইন আগামী ২৮ জুন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। এদিন ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ কোটি ৩৫ লাখের বেশি শিশুকে ভিটামিন ’এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ (প্রথম রাউন্ড) উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

প্রতিমন্ত্রী জানান, নির্ধারিত দিনে কোনো কারণে কোনো শিশু ক্যাপসুল গ্রহণ থেকে বাদ পড়লে পরদিন উপজেলা পর্যায়ে তা দেওয়া হবে। আর দুর্গম এলাকায় পরবর্তী চার দিন পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।

তিনি আরও বলেন, আজকের মধ্যেই সারা দেশে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল পৌঁছে যাবে। এ উপলক্ষে ১ লাখ ২০ হাজার কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। পাশাপাশি লঞ্চঘাট, ফেরিঘাট, রেলস্টেশন ও বাসস্টেশনসহ বিভিন্ন স্থানে ৫০০টি মোবাইল কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।

ড. এম এ মুহিত বলেন, ১৯৯৫ সালে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন শুরু হয়। শুধু অন্ধত্ব দূর করা বা অপুষ্টি কমানো নয়, শিশু মৃত্যুর হার কমাতেও ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি জানান, ৬ মাসের কম বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয় না। কারণ তারা বুকের দুধ থেকে ভালো পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’ পেয়ে থাকে। আগামী ২৮ জুন শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে। এ বছরের দ্বিতীয় রাউন্ড ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, শিশুদের অন্ধত্ব ও পুষ্টিহীনতা দূর করতে বাংলাদেশে ১৯৭৩ সাল থেকে ভিটামিন এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু হয়। তখন এটি ‘জাতীয় রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম’ নামে পরিচিত ছিল। ১৯৯৫ সালে কার্যক্রমটি আরও শক্তিশালী করতে জাতীয় টিকাদান দিবসের সঙ্গে ভিটামিন ‘এ’ কর্মসূচি যুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে ২০০৩ সাল থেকে এর নাম দেওয়া হয় ‘জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন’। ২০১১ সালে এটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় পুষ্টিসেবা (এনএনএস) কার্যক্রমের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250