ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পোস্টারে আগুন দিয়েছেন এক বিক্ষোভকারী। এ সময় তাকে 'বাংলার দ্বিতীয় মীরজাফরখ্যাত দেশদ্রোহী, আমেরিকার দালাল', 'জুলাই বিপ্লব ধ্বংসকারী' ও 'সুদখোর' হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। একইসঙ্গে নির্বাচিত সরকারের কাছে দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তর এবং উপদেষ্টাদের গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়েছে।
আজ রোববার (১৫ই ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভবনের সামনে এই প্রতিবাদ জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০১-০২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং ডাকসু নির্বাচনের সবচেয়ে বয়স্ক ভিপি পদপ্রার্থী আবু তৈয়ব হাবিলদার।
পোস্টারে আগুন দেওয়ার আগে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সমালোচনা আছে। খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সমালোচনা আছে। শেখ হাসিনারও বহু সমালোচনা রয়েছে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগতভাবে রাষ্ট্রীয় সম্পদ নিজের করে নেওয়ার অভিযোগ আমরা এভাবে শুনিনি। এখানেই আগের রাষ্ট্রনায়কদের সঙ্গে ড. ইউনূসের পার্থক্য।'
আবু তৈয়ব আরও বলেন, 'যে মানুষ জনগণের ভালোবাসা পেয়ে ক্ষমতায় বসেন, কিন্তু পরে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে আমেরিকার সঙ্গে বৈধ-অবৈধ, অসম চুক্তি করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ করেন, তার সম্মান নিয়ে বিদায়ের অধিকার নেই।'
তিনি আরও বলেন, 'আমরা আশা করেছিলাম, তিনি দেশের জন্য ভালো কিছু করবেন; বাংলাদেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেবেন; বিদেশি বিনিয়োগ আনবেন; তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবেন; অর্থনীতিকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করাবেন। কিন্তু তিনি দায়িত্বে এসেই গ্রামীণফোনের ৬০০ কোটি টাকার বকেয়া কর মওকুফ করেছেন—যা ছিল জনগণের ট্যাক্সের টাকা।'
শেষে তিনি বলেন, 'গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে আদম ব্যবসার লাইসেন্স নেওয়ার মতো নানা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ড. ইউনূস, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।'
খবরটি শেয়ার করুন