বুধবার, ১১ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৯শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ভোট দিতে না গেলে 'আক্রান্ত' হওয়ার ভয় আওয়ামী লীগের তৃণমূলে, আতঙ্কে নেতাকর্মীরা *** বাংলাদেশ–ভারত ভালো কূটনৈতিক সম্পর্ক দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র *** অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জাতিসংঘের *** গণভোটে ‘হ্যাঁ’ কেটে দিয়ে ‘না’ রাখলেন ন্যান্সি, ফেসবুকে তোলপাড় *** চড়া মূল্যে নামমাত্র শুল্ক ছাড়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে বিতর্ক *** ‘অর্ধকোটি’ টাকাসহ ঠাকুরগাঁও জামায়াতের আমির আটক *** নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ঢাকায় ৩৯৪ বিদেশি পর্যবেক্ষক ও ১৯৭ সাংবাদিক *** গণভোটে ‘না’ ভোট দেবেন আসিফ মাহতাব *** ভারতকে জবাব দেওয়া বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন বিসিবি সভাপতি *** সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়ম ভেঙে নির্বাচনী প্রচারণা

চড়া মূল্যে নামমাত্র শুল্ক ছাড়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে বিতর্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৪:২২ অপরাহ্ন, ১১ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার ঠিক আগে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কিছুটা শুল্ক কমানোর সুবিধা পেতে বাংলাদেশ একটি বড় বাণিজ্যচুক্তিতে সই করেছে। তবে শুধু শুল্ক কমানোই নয়, এই চুক্তির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও কৌশলগত শর্তও যুক্ত হয়েছে।

গত ৯ই ফেব্রুয়ারি সই হওয়া ‘এগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড’ শুধু শুল্ক কমানোর চুক্তি নয়। এর মাধ্যমে এমন বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়েছে, যার ফলে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, বাণিজ্য ও ডিজিটাল খাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বাড়বে।

চুক্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ‘যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বেশি সামরিক সরঞ্জাম কেনার চেষ্টা করবে।’ একই সঙ্গে ‘কিছু নির্দিষ্ট দেশ’ থেকে কেনাকাটা কমাতে হবে, যা আসলে চীনের দিকেই ইঙ্গিত করে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তারা বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা বাণিজ্য আরও ‘সহজ ও বিস্তৃত’ করবে।

দক্ষিণ এশিয়ায় এই ধরনের চুক্তি এটিই প্রথম। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেছেন, এই চুক্তির মাধ্যমে বাজার আরও উন্মুক্ত হবে, বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা কমবে এবং মার্কিন রপ্তানিকারকদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির দপ্তর (ইউএসটিআর) তাদের ওয়েবসাইটে ৩২ পৃষ্ঠার চুক্তিপত্র প্রকাশ করেছে।

চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ এমন কোনো দেশ থেকে পারমাণবিক চুল্লি, জ্বালানি বা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কিনতে পারবে না, যাদের যুক্তরাষ্ট্র তার ‘স্বার্থের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ’ মনে করে।

শুধু আগে থেকে চালু থাকা চুল্লির ক্ষেত্রে, যদি অন্য কোনো বিকল্প সরবরাহকারী না থাকে, তখন সীমিত ছাড় পাওয়া যাবে। ফলে ভবিষ্যতে রাশিয়া বা চীনের সঙ্গে পারমাণবিক খাতে কাজ করা প্রায় বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

চুক্তির ৪.৩ অনুচ্ছেদে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ যদি চীন বা রাশিয়ার মতো ‘নন-মার্কেট দেশ’ (যুক্তরাষ্ট্রেরে সংজ্ঞায় চীন ও রাশিয়া)-এর সঙ্গে কোনো মুক্ত বাণিজ্য বা অগ্রাধিকারমূলক অর্থনৈতিক চুক্তি করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তি বাতিল করে আবার শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করতে পারবে।

চুক্তির আরেকটি ধারায় বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় সীমান্ত বা বাণিজ্যিক ব্যবস্থা নেয়, তাহলে বাংলাদেশকেও তাদের সঙ্গে মিল রেখে ‘পরিপূরক বিধিনিষেধ’ গ্রহণ করতে হবে। অর্থাৎ, বড় শক্তিগুলোর দ্বন্দ্বে বাংলাদেশ নিরপেক্ষ থাকতে পারবে না, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বা বাণিজ্যযুদ্ধে বাংলাদেশকে কার্যত একই অবস্থানে দাঁড়াতে হবে।

চুক্তির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশ করেছে। প্রায় আড়াই হাজার বাংলাদেশি পণ্য শুল্কমুক্ত বা বিশেষ সুবিধায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ঢুকতে পারবে। 

অন্যদিকে বাংলাদেশ প্রায় ৪ হাজার ৪০০টি মার্কিন পণ্যের জন্য একই সুবিধা দেবে। এর মধ্যে আছে রাসায়নিক, চিকিৎসা সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি, গাড়ি ও যন্ত্রাংশ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) পণ্য, গরুর মাংস, পোলট্রি, বাদাম ও ফল।

তবে চুক্তিতে নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রাসহ এক ধরনের ‘নিয়ন্ত্রিত বাণিজ্য’ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ আগামী ১৫ বছরে ১৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন জ্বালানি, বিশেষ করে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কিনতে রাজি হয়েছে।

এ ছাড়া রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কিনবে। ফলে প্রতিদ্বন্দ্বী ইউরোপের এয়ারবাসের বদলে মার্কিন কোম্পানিই অগ্রাধিকার পাবে। কৃষিখাতে বাংলাদেশ অন্তত ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন কৃষিপণ্য, যেমন গম ও সয়াবিনের মতো পণ্য আমদানি করবে।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশিষ্ট ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, এই চুক্তিতে এমন অনেক শর্ত আছে যা বাংলাদেশের নীতিগত স্বাধীনতা সীমিত করবে। বিশেষ করে প্রতিরক্ষা খাতে কেনাকাটার ক্ষেত্রে সমস্যা হবে, কারণ বাংলাদেশ নিজের মতো করে সরঞ্জাম বা সরবরাহকারী বেছে নিতে পারবে না।

তার ভাষায়, এটি বাণিজ্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে চাপিয়ে দেওয়া একটি চুক্তি। তিনি মনে করেন, শুরুতে অন্যায়ভাবে বাড়তি শুল্ক বসানো হয়েছিল, আর এখন তা কমানোর শর্ত হিসেবে নানা বাধ্যবাধকতা জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশকে অনেক মার্কিন পণ্যে শূন্য শুল্ক দিতে হবে। কিছু পণ্যে পাঁচ ও দশ বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে শুল্ক কমাতে হবে। চুক্তি কার্যকর হওয়ার দিন থেকেই কিছু পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক কমানো শুরু হবে।

তার মতে, এতে ‘রাজস্ব আয়ে বড় প্রভাব পড়বে।’ তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আর মাত্র দুদিন বাকি ছিল। তাহলে এত তাড়াহুড়ো করে কেন এমন একটি চুক্তি সই করা হলো, যা বাস্তবায়ন করবে পরের নির্বাচিত সরকার। যুক্তরাষ্ট্রকে কি কয়েক দিন অপেক্ষা করতে বলা যেত না, যাতে একটি গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার চুক্তিটি পর্যালোচনা ও চূড়ান্ত করতে পারে?

চুক্তির আরেকটি সিদ্ধান্ত, বাংলাদেশকে ধর্মঘটের ওপর থাকা বিধিনিষেধ তুলে নিতে হবে। ট্রেড ইউনিয়নের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক আচরণ করলে জরিমানা বাড়াতে হবে। দুই বছরের মধ্যে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলগুলোকে (ইপিজেড) (পোশাক শিল্পের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ) সাধারণ শ্রম আইনের আওতায় আনতে হবে। এতে ইপিজেডের বিশেষ সুবিধা শেষ হয়ে যাবে।

বাংলাদেশকে বন্দর, টার্মিনাল ও জাহাজ পরিচালনায় এমন ‘ডিজিটাল লজিস্টিকস প্ল্যাটফর্ম’ ব্যবহার করতে হবে, যা সাইবার নিরাপদ এবং এমন বিশেষভাবে তৈরি হবে যাতে ‘অন্য বিদেশি সরকার’ এসব তথ্য না পায়।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি প্রশাসন বিধিমালার (ইএআর) আওতায় থাকা মার্কিন পণ্য যেন অনুমতি ছাড়া অন্য দেশে রপ্তানি, পুনঃরপ্তানি বা দেশের ভেতরে স্থানান্তর না হয়, তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পণ্যের কাস্টমস লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘স্ক্রিন ও শেয়ার’ করতে হবে, যাতে যুক্তরাষ্ট্র ‘সন্দেহজনক লেনদেন’ শনাক্ত করতে পারে। অর্থাৎ, বাংলাদেশের বাণিজ্য প্রবাহের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারির সুযোগ তৈরি হবে।

দক্ষিণ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান বলেন, এই চুক্তিতে উদ্বেগের মতো অনেক বিষয় আছে। সরকারের শেষ সময়ে এমন চুক্তি সই করা বিতর্কিত। নির্বাচিত সরকার আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা যেত।

তার মতে, এই চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বাংলাদেশের ওপর বেশি শর্ত চাপানো হয়েছে। সামান্য শুল্ক ছাড়ের বিনিময়ে এত বড় মূল্য দেওয়া যৌক্তিক হলো কি না, সেটি প্রশ্নের বিষয়।

তিনি বিশেষ করে ১৪টি বোয়িং বিমান কেনার পরিকল্পনার প্রসঙ্গ তুলে বলেন, এতে দেশের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কী হবে, তা ভাবতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় ঋণ ইতোমধ্যেই বেড়েছে। এখন যদি বোয়িং বিমান কেনার জন্য আরও ঋণ নিতে হয় এবং সে অনুযায়ী বাণিজ্যিক সুবিধা না পাওয়া যায়, তাহলে অর্থনৈতিক চাপ বাড়বে। তাই এসব সিদ্ধান্ত ভালোভাবে হিসাব করে নেওয়া দরকার।

তার মতে, এই চুক্তি দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বা নীতিগত স্বাধীনতা সুরক্ষিত করতে পারেনি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এটি বৈশ্বিক বাণিজ্য নিয়মের সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ। তার মতে, বরং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি স্বাভাবিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করা উচিত ছিল।

তিনি বলেন, রপ্তানিতে কিছু শুল্ক কমলেও এর মূল্য অনেক বেশি। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এই চুক্তির কারণে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ নানা চাপের মুখে পড়তে পারে।

তিনি আরও সতর্ক করেন, এ ধরনের চুক্তি একটি ঝুঁকিপূর্ণ ভূরাজনৈতিক দৃষ্টান্ত তৈরি করছে। ভবিষ্যতে অন্য দেশও যদি একইভাবে চাপ দিয়ে সুবিধা নিতে চায়, তাহলে তা বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

চুক্তিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন অশুল্ক বাধা কমানোর কথাও উল্লেখ রয়েছে। সেলিম রায়হান বলেন, বৈশ্বিক বাণিজ্যে অংশ বাড়াতে হলে এসব বাধা কমানোর বিকল্প নেই। তবে এসব সুবিধা যেন শুধু যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নয়, সব দেশের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হয়—এটা নিশ্চিত করতে হবে।

আগে যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ওষুধ বাংলাদেশে আনতে সময় ও খরচ বেশি হতো। কারণ যুক্তরাষ্ট্রে অনুমোদিত হলেও এখানে আবার পরীক্ষা ও বিপণন অনুমোদন নিতে হতো।

এখন বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের এফডিএ অনুমোদন সরাসরি মেনে নেবে। ফলে মার্কিন চিকিৎসা পণ্যের জন্য আলাদা পরীক্ষা বা অনুমোদন লাগবে না, সরাসরি বাজারে আসতে পারবে।

চুক্তিতে সরাসরি না থাকলেও ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের কৃষিপণ্য (যার মধ্যে তুলা আছে) আমদানির প্রতিশ্রুতির সঙ্গে পুরোনো ‘ডাবল ফিউমিগেশন’ শর্ত তুলে নেওয়ার বিষয়টি জড়িত। আগে মার্কিন তুলা দেশে আসার পর আবার পোকা মারার রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হতো।

এখন নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য কেনার অঙ্গীকার করার মাধ্যমে বাংলাদেশ মূলত মার্কিন কৃষিপণ্যের আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করছে এবং আগে যে প্রশাসনিক জটিলতায় এসব আমদানি বাধাগ্রস্ত হতো, তা দূর করছে।

জে.এস/

বাণিজ্যচুক্তি

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

ভোট দিতে না গেলে 'আক্রান্ত' হওয়ার ভয় আওয়ামী লীগের তৃণমূলে, আতঙ্কে নেতাকর্মীরা

🕒 প্রকাশ: ০৫:৩২ অপরাহ্ন, ১১ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বাংলাদেশ–ভারত ভালো কূটনৈতিক সম্পর্ক দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

🕒 প্রকাশ: ০৫:১১ অপরাহ্ন, ১১ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জাতিসংঘের

🕒 প্রকাশ: ০৪:৫২ অপরাহ্ন, ১১ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ কেটে দিয়ে ‘না’ রাখলেন ন্যান্সি, ফেসবুকে তোলপাড়

🕒 প্রকাশ: ০৪:৪২ অপরাহ্ন, ১১ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

চড়া মূল্যে নামমাত্র শুল্ক ছাড়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে বিতর্ক

🕒 প্রকাশ: ০৪:২২ অপরাহ্ন, ১১ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

Footer Up 970x250