সোমবার, ১২ই অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৭শে আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বাংলাদেশের মতো পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে: ধ্রুব রাঠি *** নেপালে ফের বন্যা: ভেসে গেছে বাড়ি-সেতু, জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত *** ‘স্বৈরাচার’ ও ‘গুপ্তরা’ এক হতে পারে, এমপিদের সতর্ক করলেন তারেক রহমান *** অপকর্মে জড়ালে নেতা-এমপি-মন্ত্রী কারও ছাড় নেই: প্রধানমন্ত্রী *** দিল্লিতে বিমসটেকের প্রথম বৈঠক, যাচ্ছেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *** ‘প্রতারক’ দুয়োর জবাব মাঠেই দিল ম্যানসিটি *** সৌদি আরবের বিমানবন্দরে আবারও হুতিদের হামলা, টার্মিনালে আগুন *** রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: আটকা পড়েছেন অন্তত ৫০০ বাংলাদেশি যাত্রী *** ‘লড়াই মাত্র শুরু’—দেশজুড়ে আন্দোলনের ঘোষণা ককরোচদের *** শেরেবাংলা নগরে যাচ্ছে সচিবালয়

কফি চাষে সুদিনের স্বপ্ন দেখছেন পাহাড়িরা

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১২:১৬ অপরাহ্ন, ১৫ই ফেব্রুয়ারি ২০২৪

#

ছবি : সংগৃহীত

কফি সাধারণত পশ্চিমা দেশের অন্যতম পানীয় হলেও বিশ্বের সবার কাছেই বেশ জনপ্রিয়। পাহাড়ি জেলা খাগড়াছড়িতে কফিচাষে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা। এরইমধ্যে মাঠ পর্যায়ে পরীক্ষামূলকভাবে কফি চাষে সাফল্যের খবর ছড়িয়ে পড়েছে। ভবিষ্যতে দেশের কফি বিশ্ববাজারে স্থান করে নেবে এমনটাই আশা সংশ্লিষ্টদের।

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার ৮ মাইল এলাকায় দুই একর জমিতে ১২শ কফির চারা রোপণ করেছেন যলেশ্বর ত্রিপুরা নামে এক চাষি। কফি চাষে সাফল্য পাওয়া যলেশ্বর বলেন, ‘এরাবিকা’ ও ‘রোবাস্টা’ জাতের কফির চারা রোপণ করেছি। তিন বছর বয়সী কফি বাগানে এরইমধ্যে কয়েকটা গাছে কফি ফল এসেছে। আশা করি আগামী বছর বেশিরভাগ গাছে ফল আসবে।


সাত মাইল এলাকার কফি চাষি কৃষক গণেশ ত্রিপুরা বলেন, আমি এক একর জমিতে ৫শ কফির চারা রোপণ করেছি। পাহাড়ের পাদদেশে রোপণ করা চারার অবস্থা ভালো। কিন্তু ঢালু অংশের চারা পানির অভাবে মারা গেছে। চলতি মৌসুমে কিছু কিছু গাছে ফলও এসেছে। শুষ্ক মৌসুমে পানির সঙ্কট নিরসনে কৃষি বিভাগের সহযোগিতা চান তিনি।

আরো পড়ুন : শিম চাষে লাভবান কৃষক আতাউর

এদিকে পাহাড়ি অঞ্চলে কফি চাষের উপযোগিতা পরীক্ষাসহ কৃষকদের কফি চাষে উদ্বুদ্ধ করতে পৃথক প্রকল্প কর্মসূচি হাতে নিয়েছে পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।


খাগড়াছড়িতে কফি চাষ করে প্রথম সফলতা পায় পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র। ২০০১ সালে কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে পরীক্ষামূলকভাবে কফির চাষাবাদ শুরু হয়। বর্তমানে এই কেন্দ্রের প্রায় সাড়ে ৪শ গাছের শাখায় ঝুলছে লালচে রঙিন কফি ফল। কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে চারা রোপণের ৪-৫ বছর পর গাছে ফল আসতে শুরু করে। খাগড়াছড়ি পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে চাষকৃত ‘এরাবিয়ান’ জাতের কফি অত্যন্ত সুস্বাদু, ঘ্রাণযুক্ত এবং বাজারের কফির তুলনায় অধিক গুণগত মানসম্পন্ন।

খাগড়াছড়ি পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. আলতাফ হোসেন বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জমি কফি চাষের উপযোগী। কেন্দ্রের ভেতরে লাগানো গাছগুলোতে কফির ভালো ফলন হয়েছে। আমরা ৩০টা পরীক্ষামূলক প্রদর্শনী প্লটে অন্তত ১৫ হাজার চারা বিতরণ করেছি। এছাড়া বাগানের আগাছা পরিষ্কার করার জন্য এককালীন ৩ হাজার টাকা অর্থ বরাদ্দ দিয়েছি। এছাড়া শুষ্ক মৌসুমে সেচ দিতে পানি সংরক্ষণের জন্য ট্যাংকিও দেওয়া হয়েছে। কৃষকদের নিজ উদ্যোগে সেচের পানির ব্যবস্থা করতে হবে।

এস/ আই. কে. জে/ 



কফি চাষ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250