ছবি: সংগৃহীত
ময়ময়নসিংহের ভালুকায় মাছ কেটে ও মাছের আঁশ বিক্রি করে অনেকেই আজ সাবলম্বী। প্রত্যেকেরই এখন মাসিক আয় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা।
একসময় এদের অনেকেই মাছ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকলেও বিভিন্ন কারণে ব্যবসার মূলধন হারিয়ে বেকার জীবনযাপন করছিলেন। বর্তমানে ভালুকা মধ্যবাজারে মাছের শেড ঘরের দক্ষিণ পাশে বঁটি নিয়ে বসে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাছ কেটে প্রতিদিন আয় করছেন ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা। পাশাপাশি মাছের আঁশ সংগ্রহ করে রৌদ্রে শুকিয়ে ৭০-৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে অতিরিক্ত অর্থ করছেন।
ভালুকা মধ্যবাজারে মাছ কাটেন রতন চন্দ্র বর্মন। ধামশুর গ্রামের বাসিন্দা রতন চন্দ্র জানান, তিনি একসময় এই বাজারে আড়তদারের কাছ থেকে মাছ কিনে তা বিক্রি করে সংসার চালাতেন। ব্যবসায় লোকসান খেয়ে মূলধন হারিয়ে দীর্ঘদিন বেকার থাকায় সংসারে অভাব ছাড় ছিল না। ঐ সময় তিনি লক্ষ করেন বাজারে মাছ কিনতে আসা ক্রেতাদের অনেকেই ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও মাছ কাটার ঝামেলার জন্য বড় মাছ কিনেন না।
আরও পড়ুন: বাড়িতেই চাষ করা যায় আঙুর
তা থেকে আইডিয়া নিয়ে চার বছর আগে ৫ হাজার টাকা দিয়ে একটি বড় বঁটি বানিয়ে বাজারে বড় মাছ কাটার কাজ শুরু করেন। প্রতি কেজি মাছভেদে ২০ থেকে ৩০ টাকা দরে। প্রতিদিন খরচ বাদে আয় হয় ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং ঢাকা থেকে পাইকাররা এসে তার কাছ থেকে ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে মাছের আঁশ সংগ্রহ করে নিয়ে যায়। একসময় তিনি একা মাছ কাটলেও এখন তার দেখাদেখি অনেকেই এই কাজে জড়িয়ে পড়েছেন।
ভালুকা মধ্যবাজারে মাছ কিনতে আসা উপজেলার পুরুরা গ্রামের মফিজুল ইসলাম জানান, তিনি পাঁচ কেজি ওজনের একটি সিলভার কার্প মাছ কিনেছেন, যা কাটা বাবদ বিল দিতে হয়েছে ১০০ টাকা।
এসি/ আই.কে.জে