ফাইল ছবি
গত ১২ মে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন জুলাই আন্দোলনে আহতদের দেখতে থাইল্যান্ডে গিয়েছিলেন। মন্ত্রীর এই সফরটি ছিল সরকারি। নিয়ম অনুযায়ী মন্ত্রী বিজনেস ক্লাসে ভ্রমণের জন্য সরকারি খরচ পাওয়ার যোগ্য হলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি। বরং নিজেই এই খরচ বহন করেছেন।
এ সময় থাইল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী চিকিৎসাধীন আহতদের চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
এ সময় মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থাইল্যান্ডে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে ব্যাংককের ভেজথানি ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতদের সার্বিক খোঁজখবর রাখছে এবং তাদের চিকিৎসাসহ অন্যান্য সকল ব্যয় বহন করছে। তাছাড়া রাশিয়া, সিঙ্গাপুর ও তুরস্কে চিকিৎসাধীন আহতদের চিকিৎসাসহ সার্বিক খোঁজখবর রাখা হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের চিকিৎসা এবং অন্যান্য ব্যয়ও বহন করছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। জুলাই অভ্যুত্থানের আদর্শ ও লক্ষ্য সংরক্ষণ, ইতিহাস ও স্মৃতি রক্ষা এবং নিহতদের পরিবারের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয়ের অধীনে “জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর” প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য আহত ১৫২ জনকে রাশিয়া, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও তুরস্কে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৯২ জন চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন এবং বর্তমানে ৬০ জন বিদেশে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
খবরটি শেয়ার করুন