শুক্রবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৮ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশকে সমর্থন করে ভারত’ *** এবার পাংশা উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ‘উদ্বোধনী ব্যানার’ *** মানুষকে যাতে ডাক্তারের পেছনে ঘুরতে না হয়, ডাক্তারই মানুষের পেছনে ঘুরবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী *** সমঝোতার চাঁদা: একই যুক্তি অন্য খাতেও প্রয়োগের আশঙ্কা টিআইবির *** এলডিসি থেকে উত্তরণ তিন বছর পেছানোর আবেদন করেছে সরকার *** ইফতার আয়োজনে আর্থিক সহায়তা চাইলেন আসাদুজ্জামান ফুয়াদ *** স্থগিত ভিসা প্রক্রিয়া চালু করতে সরকার কাজ করছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী *** মন্ত্রিপরিষদকে অভিনন্দন জানিয়ে চাঁদা ও হাদিয়া সংস্কৃতি প্রসঙ্গে যা বললেন রাষ্ট্রদূত মুশফিক *** তারাবির নামাজ নিয়ে বিশেষ আহ্বান আজহারীর *** গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

পাহাড়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফেরাতে অন্তর্বর্তী সরকার সংবেদনশীল নয়: গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন, ২৯শে সেপ্টেম্বর ২০২৫

#

ছবি: গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির ফেসবুক পেজ থেকে

পাহাড়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার কোনো প্রকার সংবেদনশীল ও দায়িত্বশীল আচরণ করছে না বলে অভিযোগ করেছে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি।

গতকাল রোববার (২৮শে সেপ্টেম্বর) রাজধানীর পরিবাগে সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির সাধারণ সভা হয়।

সভায় খাগড়াছড়িতে পাহাড়ে আদিবাসী জনগণের ওপর হামলার বিচার দাবি করা হয়। পাশাপাশি সারাদেশে পাহাড়-সমতলে ধর্ষণসহ হামলা, ভাঙচুর ও জবরদস্তির ঘটনাগুলো দ্রুত তদন্ত করে বিচারের দাবি জানানো হয়। সভায় একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন স্থানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় উদ্বেগও প্রকাশ করা হয়।

গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সাধারণ সভায় বক্তারা বলেন, ২৩শে সেপ্টেম্বর রাতে খাগড়াছড়িতে অষ্টম শ্রেণির এক মারমা শিক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় বিচারের দাবিতে পাহাড়ের জনগোষ্ঠীগুলো আন্দোলন করে। জনগণের ন্যায্য আন্দোলনে হামলা চালিয়ে জোর করে আন্দোলনকারীদের গ্রেপ্তারের মাধ্যমে পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে তোলা হয়।

এর ধারবাহিকতায় ২৭শে সেপ্টেম্বর বেলা দুইটায় ১৪৪ ধারা জারি করার পর পাহাড়ি আদিবাসীদের বিভিন্ন পাড়ায় আক্রমণ শুরু হয়।

পাহাড়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই বলে অভিমত দেন বক্তারা। বিজ্ঞপ্তিতে তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়, ‘কিন্তু আমরা দেখতে পেয়েছি, পাহাড়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকার কোনো প্রকার সংবেদনশীল ও দায়িত্বশীল আচরণ করছে না।’

মাজার, মন্দিরসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সুরক্ষা এবং মানুষের ধর্ম, মত ও চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতেও সভা থেকে আহ্বান জানানো হয়।

জে.এস/

গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250