সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৫ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** আশুলিয়ায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণে যেভাবে ছড়াল আগুন *** আশুলিয়ায় কাভার্ড ভ্যান থেকে ৬ লাশ উদ্ধার *** জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রথম স্ত্রীসহ থানায় এমপি নজরুল *** সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বাড়ল ২০ টাকা *** কমলাপুর রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে আগুন *** শিল্পকলা একাডেমির সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, পল্লবীতে বাসে আগুন *** ন্যাম ভবন থেকে সাতক্ষীরার এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার *** সমালোচনার মুখে হাফেজদের উপহার দেওয়া সেই বই ফেরত নিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী *** অপ্রতিমের মা ড. নাহিদার চব্বিশের সেই ফেসবুক পোস্ট কেন আলোচনায়, কী লিখেছিলেন তিনি *** পাকিস্তান কি সৌদি আরবকে রক্ষা করতে যুদ্ধে জড়াবে

গিলে ফেললেন ১৮ ইঞ্চি তলোয়ার

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, ২৪শে সেপ্টেম্বর ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্ক নগরের বাসিন্দা জিন মিনস্কি এক ভিডিওর মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন। তার নিমেষেই তলোয়ার গিলে ফেলার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ভিডিওতে দেখা যায়, তলোয়ার গেলার সময় তার গলার ভেতরের অংশ দেখা যাচ্ছে।

মিনস্কি একজন পেশাদার তলোয়ার গেলা শিল্পী। তার গলার ভেতর দিয়ে ১৮ ইঞ্চি লম্বা একটি ব্লেড প্রবেশ করানোর এন্ডোস্কোপিক দৃশ্যের ভিডিও তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। তথ্যসূত্র:নিউইয়র্ক পোস্ট।

ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা ভিডিওটি কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি মেডিকেল সেন্টারে ধারণ করা হয়েছিল। এতে দেখা যায়, তলোয়ারটি তার গলার নালি পার হয়ে খাদ্যনালিতে প্রবেশ করছে।

দীর্ঘদিন ধরে এই শিল্প নিয়ে অনুশীলন করা মিনস্কি আশা করছেন যে ভিডিওটি আসল সত্য প্রকাশ করবে। তিনি নিউইয়র্ক পোস্টকে বলেন, ‘আমি এই সপ্তাহান্তেই একটি প্রদর্শনী করছিলাম এবং আমি দেখতে পাচ্ছিলাম যে এক নারী তার স্বামীকে তলোয়ারটির দিকে ইশারা করে বলছেন, এটা ভাঁজ হয়ে যায়।’

কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির ল্যারিঙ্গোলজি বিভাগের প্রধান মাইকেল পিটম্যান বলেন, ‘এ পদ্ধতির মাধ্যমে আমরা পুরো গলা ও স্বরযন্ত্র দেখতে ও রেকর্ড করতে পারি, যা মুখ দিয়ে তাকালে দেখা সম্ভব নয়।’ পিটম্যান শিল্পী মিনস্কির ওপর এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন, যাকে ল্যারিঙ্গোস্কোপি বলা হয়ে থাকে।

মাইকেল পিটম্যান আরও বলেন, ‘আমরা এসব অঙ্গ খুব স্পষ্টভাবে দেখতে পারি। কথা বলা, গান গাওয়া বা কিছু গেলার সময় এগুলো কীভাবে কাজ করে, তা–ও পর্যবেক্ষণ করতে পারি।’

কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির স্পিচ-ল্যাঙ্গুয়েজ প্যাথলজিস্ট হলি রেকার্স বলেন, ‘আমি সব সময় মানুষের কণ্ঠস্বর ও গেলার প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করি। তাই তলোয়ার গেলার কথা ভাবলে ব্যাপারটা যৌক্তিক মনে হয়, কিন্তু বাস্তবে এটা ঘটতে দেখাটা ছিল অবিশ্বাস্য।’

এই ভিডিও ধারণকারী রেকার্স বলেন, তিনি মিনস্কির এই শিল্পকলা দেখে বিস্মিত হয়েছেন।

জে.এস/

তলোয়ার

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250