রবিবার, ৩১শে আগস্ট ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** নেদারল্যান্ডসকে উড়িয়ে বাংলাদেশের শুরু *** ট্রাম্প মারা গেছেন—এক্সে অনেকেই কেন লিখছেন এই কথা *** ৪ শতাংশ সুদে আরও দুই বছর ঋণ পাবেন ভূমিহীন কৃষকেরা *** ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প *** সেই মেরুন টি-শার্ট পরা হামলাকারীর পরিচয় জানালেন প্রেস সচিব *** নুরের অবস্থা স্থিতিশীল, জানালেন ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক *** আ.লীগ নিষিদ্ধ হতে পারলে জাপা কেন নয়: অ্যাটর্নি জেনারেল *** কোনো শক্তি ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধের নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না: প্রেস সচিব *** ফেলিক্সের অভিষেক হ্যাটট্রিকে আল নাসরের উড়ন্ত জয়, রোনালদোর ইতিহাস *** টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, ২২ মাস পর একাদশে সাইফ

ভারতকে ছাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রিয় তালিকায় পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১০:০৪ পূর্বাহ্ন, ১৫ই আগস্ট ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে পাকিস্তানের প্রতি আক্রমণ করে বলেছিলেন, আমেরিকাকে ‘মিথ্যা আর প্রতারণা ছাড়া কিছুই দেয়নি’ এই দেশটি।

পরে অবশ্য ট্রাম্প পাকিস্তানের সঙ্গে উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করেছিলেন। তবে ওয়াশিংটনের কর্মকর্তারা সন্ত্রাসবাদের ব্যাপারে নরম মনোভাবের জন্য সেই দেশের নেতাদের অভিযুক্ত করতেই থাকেন।

এখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে আমেরিকার সামরিক কর্মকর্তারা পাকিস্তানের সঙ্গে সন্ত্রাসবিরোধী অংশীদারত্বকে ‘দারুণ’ বলে উল্লেখ করছেন। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় পাকিস্তানের প্রভাবশালী সেনাবাহিনীর প্রধান হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিয়েছেন। খবর নিউইয়র্ক টাইমসের।

আর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পাকিস্তানকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, খনিজ ও তেল খাতে তাদের সঙ্গে বড় মুনাফার চুক্তি করবেন। যদিও পাকিস্তানি কর্মকর্তারা নিশ্চিত নন, ট্রাম্প যে জ্বালানির ‘বড় মজুতের’ কথা বলছেন, তা আদৌ কোথায় আছে।

তবে একটা বিষয় পরিষ্কার, পাকিস্তান আবারও ওয়াশিংটনের প্রিয় তালিকায় উঠে এসেছে। বহু দশক ধরে দুই দেশের সম্পর্কের এই পারদ ওঠা-নামা করছে। আর বর্তমান পরিস্থিতিতে পাকিস্তান তার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের চেয়ে ভালো অবস্থায় আছে।

ভারত একসময় ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিল। কিন্তু এখন আমেরিকা তাদের পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক বসিয়েছে। পাকিস্তানের ক্ষেত্রে তা হয়েছে ১৯ শতাংশ।

আমেরিকা ও জাতিসংঘে পাকিস্তানের সাবেক রাষ্ট্রদূত মালিহা লোধি বলেন, ‘হঠাৎ করেই দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে উষ্ণতা এসেছে, যা কেউই আশা করেনি।’ এই উষ্ণতার আংশিক কারণ ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতে পাকিস্তান দুটি দ্রুত সাফল্য দেখিয়েছিল।

গত মার্চে পাকিস্তান ইসলামিক স্টেটের এক শীর্ষ নেতাকে আটক করেছে। ওই নেতার বিরুদ্ধে ২০২১ সালে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে বোমা হামলার পরিকল্পনার অভিযোগ রয়েছে। ওই হামলায় ১৮০ জনের বেশি নিহত হয়েছিলেন, যাদের মধ্যে ১৩ জন আমেরিকান সেনা ছিলেন। ওই ব্যক্তিকে আটকের জন্য ট্রাম্প কংগ্রেসে দেওয়া ভাষণে পাকিস্তানের নামোল্লেখ করেন।

গেল বসন্তে পাকিস্তান ঘোষণা দিয়েছিল, তারা আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দেবে। কারণ, তিনি ভারত-পাকিস্তানের সাম্প্রতিক সংঘাতে মধ্যস্থতা করেছেন। অবশ্য নয়াদিল্লি ট্রাম্পের মধ্যস্থতার দাবি বারবার নাকচ করে বলেছে, তাদের যুদ্ধবিরতিতে ওয়াশিংটনের কোনো ভূমিকা ছিল না।

আমেরিকার সঙ্গে নতুন সম্পর্কের কেন্দ্রীয় চরিত্র পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির। ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের সংঘাতের পর থেকে আরও প্রকাশ্য ভূমিকা নিয়ে সামনে এসেছেন তিনি। এই সপ্তাহে ফিল্ড মার্শাল মুনির আমেরিকার জেনারেল মাইকেল কুরিলার অবসরে যাওয়ার অনুষ্ঠানে অংশ নেন। কুরিলার মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকান বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন।

দুই মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এটি ছিল পাকিস্তানি ফিল্ড মার্শালের আমেরিকায় দ্বিতীয় উচ্চপর্যায়ের সফর। অথচ পাকিস্তানের বেসামরিক নেতা, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এখনো ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি।

জে.এস/

ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকা-পাকিস্তান

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন