বুধবার, ২১শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৫ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** কী খবর মাসুদ, ভালো?—চট্টগ্রামের এসপিকে প্রধানমন্ত্রী *** ইরানে সরকার পতন হলে হিজবুল্লাহ থামবে এবং শান্তি আসবে: নেতানিয়াহু *** সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সরকারের এখন করণীয় কী *** সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া দুই বাংলাদেশির বিষয়ে ‘গোপনীয়’ চিঠিতে যা আছে *** পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে, দুই পক্ষ এক হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী *** চট্টগ্রামে দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান *** ডিজে পার্টি-কাণ্ডে অতিরিক্ত ডিআইজি আবদুল্লাহ আল জহির প্রত্যাহার *** বার্সার ম্যাচ দেখেননি, তবু রেফারিং নিয়ে খোঁচা মরিনহোর *** মালদ্বীপকে উড়িয়ে ফাইনালে ভারতের সঙ্গী বাংলাদেশ *** মেসিবিহীন আর্জেন্টিনায় একের পর এক চোটের হানা

সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া দুই বাংলাদেশির বিষয়ে ‘গোপনীয়’ চিঠিতে যা আছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ১১:৫৬ অপরাহ্ন, ২০শে অক্টোবর ২০২৬

#

ফাইল ছবি

সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া দুই বাংলাদেশির বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে একটি 'গোপনীয়' চিঠি দিয়েছে জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কার্যালয়। ১৮ অক্টোবর তারিখ দেওয়া ওই চিঠির একটি কপি গণমাধ্যমের হাতে এসেছে।

চিঠির তথ্য অনুযায়ী, গত ১৪ অক্টোবর সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশি পৃথক অভিযোগে ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে আটক ছিলেন।

জেদ্দা কনস্যুলেটের শ্রম উইংয়ের পাঠানো ওই চিঠিতে মক্কায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনকে নজরুল ইসলাম আব্দুল বশির ও সুইটি আক্তার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, গত ৩০ সেপ্টেম্বর কনস্যুলেটের পাওয়া বন্দিদের তালিকা অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১ আগস্ট সৌদি আরবের সাইবার অপরাধ আইনে নজরুলকে আটক করা হয়। পরদিন ব্যভিচারের অভিযোগে আটক করা হয় সুইটিকে।

চিঠি অনুযায়ী, নজরুল জেদ্দা সংশোধনাগারে এবং সুইটি জেদ্দা মহিলা কারাগারে বন্দি ছিলেন। তারা দুজনই ‘আল মাজাল কোম্পানিতে’ পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তবে ওই বন্দি তালিকায় তাদের কারও মৃত্যুদণ্ডের সাজার কথা উল্লেখ ছিল না।

চিঠিতে বলা হয়, বন্দি তালিকায় ৭ নম্বর কলামে রায় ঘোষিত কয়েদিদের সাজার সংক্ষিপ্ত বিবরণ উল্লেখ থাকলেও ওই দুই জনের সাজার তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।

সৌদি আরবে সাইবার আইন এবং ব্যভিচারের অপরাধে আগে কোনো বাংলাদেশিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার নজির নেই বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

জেদ্দা কনস্যুলেটের আওতাধীন সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলের কারাগারে বিভিন্ন ধরনের চারিত্রিক মামলায় ৩০৬ বাংলাদেশি আটক আছেন বলে তালিকায় জানানো হয়। এর মধ্যে ১৪৭ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ঘোষিত হয়েছে। তাদের সর্বনিম্ন ১ মাস এবং সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অপরদিকে, সাইবার বা তথ্যপ্রযুক্তি আইনের অপরাধে মক্কায় অপর ৩টি পৃথক মামলায় সর্বনিম্ন ৬ মাস এবং সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সৌদি আরবের ক্রিমিনাল কোর্টসহ অন্যান্য কোর্টে বর্তমানে অনুবাদক নিয়োগের ক্ষেত্রে 'মারকাযুত তারজামাহ আল মুওয়াহহাদ' প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শুনানি চলাকালে অনুবাদের সহায়তা নেওয়া হয়। এক্ষেত্রে এসব কোর্টে মিশনের পক্ষ থেকে বিচারিক কর্মকাণ্ডে আসামির পক্ষে অনুবাদক হিসেবে সংযুক্ত হওয়ার সুযোগ থাকে না।

তবে, বিচার চলাকালে এই দুই বাংলাদেশির পক্ষে দোভাষী বা আইনি প্রতিনিধিত্ব ছিল কি না, তা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়নি।

চিঠি অনুযায়ী, দুই বন্দির পরিবারের পক্ষ থেকে আইনি সহায়তা চেয়ে কনস্যুলেটে কোনো আবেদন বা যোগাযোগ করা হয়নি।

এতে আরও বলা হয়, মৃত্যুদণ্ড বা তা কার্যকরের বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে বা অনানুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ দূতাবাস বা কনস্যুলেট জেনারেলকে কিছুই জানায়নি।

কনস্যুলেট ইতোমধ্যে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মক্কা শাখায় একটি ‘নোট ভার্বাল’ পাঠিয়ে রায়ের কপি এবং মামলার বিস্তারিত জানতে চেয়েছে। রায়ের কপি হাতে পেলে পরবর্তী প্রতিবেদন পাঠানো হবে বলে তারা জানিয়েছে।

বাংলাদেশি

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250