বুধবার, ২৫শে মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১০ই চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘জিয়া পরিবারকে শেষ করতে চেয়েছিলেন মাসুদ’ *** ‘এক-এগারোর পর শেখ হাসিনা সরকার মাসুদ চৌধুরীকে পুরস্কৃত করেছিল’ *** সৌদি যুবরাজ ইরানে হামলা চালিয়ে যেতে ট্রাম্পকে চাপ দিচ্ছেন: নিউইয়র্ক টাইমস *** এক-এগারোর কুশীলব মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার কেন গুরুত্বপূর্ণ *** কেন দেশ ছাড়ছেন ‘নবীন পাঞ্জাবি’র মালিক? *** এক-এগারোর ‘কুশীলব’ মাহফুজ আনাম, মতিউর রহমানকে গ্রেপ্তারের দাবিতে সরব নেটিজেনরা *** কামড় দিতেই আইসক্রিম থেকে বেরিয়ে এল কেঁচো, জরিমানা ৩০ হাজার টাকা *** ১০ ঘণ্টারও কম সময়ে ৭ দফায় ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের *** মানহানির এক মামলায় জামিন পেলেন মেনন-মানিক-ইনু *** শেখ হাসিনার সব অপকর্মের লাইসেন্স ওয়ান-ইলেভেন থেকে এসেছে: ফারুকী

সামরিক ড্রোন কারখানা স্থাপনে চীনের সঙ্গে চুক্তি করছে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ১০:৫৪ অপরাহ্ন, ২৬শে জানুয়ারী ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদারে সামরিক ড্রোন উৎপাদন কারখানা স্থাপনের জন্য চীনের সঙ্গে সরকার-থেকে-সরকার (জিটুজি) চুক্তি সই করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগামীকাল মঙ্গলবার (২৭শে জানুয়ারি) ঢাকা সেনানিবাসে বিমানবাহিনীর এনেক্স ভবনে এ চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে জি-টু-জি চুক্তির আওতায় মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ইউএভি) উৎপাদন ও সংযোজন, কারখানা স্থাপন এবং প্রযুক্তি হস্তান্তর-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ৬ই জানুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয় ‘স্টাবলিশমেন্ট অব ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্ট অ্যান্ড ট্রান্সফার অব টেকনোলজি (টিওটি) ফর আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকেল (ইউএভি)’ শীর্ষক প্রকল্প প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়। ৬০৮ কোটি ৮ লাখ টাকার এই প্রকল্পের আওতায় ড্রোন ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্ট স্থাপন, প্রযুক্তি আমদানি ও স্থাপনের জন্য এলসি খোলা এবং পরিশোধ বাবদ ৫৭০ কোটি ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

বৈদেশিক মুদ্রায় পরিশোধযোগ্য এই অর্থ চার অর্থবছরে ব্যয় করা হবে। চলতি অর্থবছরে ১০৬ কোটি টাকা, ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে প্রতি বছরে ১৫৫ কোটি টাকা করে এবং ২০২৮-২৯ অর্থবছরে প্রায় ১৫৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা পরিশোধ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

অবশিষ্ট ৩৭ কোটি ৪৭ লাখ টাকা দেশীয় মুদ্রায় এলসি খোলার চার্জ, ভ্যাট ও সুইফট চার্জ হিসেবে পরিশোধ করা হবে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ বিমানবাহিনী চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিরক্ষা ইলেকট্রনিকস প্রতিষ্ঠান চায়না ইলেকট্রনিকস টেকনোলজি গ্রুপ করপোরেশন (সিইটিসি) ইন্টারন্যাশনালের সরবরাহ করা প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী দেশেই সামরিক ড্রোন উৎপাদন, সংযোজন ও রক্ষণাবেক্ষণের সক্ষমতা অর্জন করবে। এতে দীর্ঘ মেয়াদে বিদেশি নির্ভরতা কমবে এবং প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন তারা।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250