রবিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১০ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী ভারত *** ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে পারে’ *** মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই-বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত *** নতুন প্রধানমন্ত্রীর ফেসবুক পেজ, ইনস্টাগ্রামে অনুসারী কত হলো *** ‘শুরু থেকেই পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আমার পথচলায় ছাই দিয়ে এসেছেন...’ *** কেন্দ্র দখলের অভিযোগ, মামুনুল হকের বিরুদ্ধে মামলার ঘোষণা ববি হাজ্জাজের *** ১৪ লাখ বাংলাদেশির ভিসা ইস্যু করেছে সৌদি: রাষ্ট্রদূত *** দ্রুত শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের *** ১৪ই এপ্রিলের মধ্যে বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে ভোট: ইসি *** চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক কেউ নষ্টের চেষ্টা করলেও তা সফল হবে না: চীনা রাষ্ট্রদূত

বিজ্ঞানীদের খোঁজে আশ্চর্য প্রোটিন, থাকবে না আর বন্ধ্যাত্ব!

স্বাস্থ্য ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৭:৩০ অপরাহ্ন, ১০ই ফেব্রুয়ারি ২০২৪

#

ছবি : সংগৃহীত

সম্প্রতি বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় এক ধরনের প্রোটিন আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। এই প্রোটিন শুক্রাণু-ডিম্বাণুর পুষ্টির পাশপাশি নিষেকের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করতে পারবে বলে বিজ্ঞানীদের আশা।

ঘরে ঘরে এখন বন্ধ্যাত্বের সমস্যা। মহিলা বা পুরুষ, উভয়ের সন্তানহীনতার নেপথ্যেই রয়েছে জীবনযাত্রায় অনিয়ম। খাদ্যাভ্যাসের জটিলতা, মাত্রাতিরিক্ত শারীরিক-মানসিক চাপ। এ সবের প্রকোপেই এই সমস্যা দিন দিন বাড়ছে।

সন্তানধারণের জন্য যেমন সুস্থ স্বাভাবিক ডিম্বাশয় প্রয়োজন যাতে তৈরি হতে পারে উৎকৃষ্ট ডিম্বাণু, ঠিক তেমনই প্রয়োজন সুস্থ-সবল-সচল শুক্রাণু। যদি শুক্রাণুর মান কোনও কারণে খারাপ হয় অথবা শুক্রাশয় থেকে শুক্রাণু নির্গমনের পথ সুগম না হয়, তখন বন্ধ্যাত্ব আসতে পারে। চিকিৎসা শাস্ত্রে প্রভূত উন্নতির দৌলতে অনেকেই বাবা-মা হওয়ার সাধ পূরণ করতে পারছেন।

আরো পড়ুন : সুযোগ পেলে চিকিৎসায় উদাহরণ সৃষ্টি করবে বাংলাদেশ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আইইউআই (ইন্ট্রা ইউটেরাইন ইনসেমিনেশন), ডিআই (ডোনার ইনসেমিনেশন), ইকসি (ইন্ট্রা সাইটোপ্লাজমিক স্পার্ম ইঞ্জেকশন) এবং টেসা (টেস্টিকুলার স্পার্ম অ্যাসপিরেশন)-কে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় অসাধারণ এক বিপ্লব বলা যায়। এ ছাড়াও রয়েছে বহুল প্রচলিত আইভিএফ পদ্ধতি। তবে এই সব পদ্ধতিগুলিই বেশ খরচসাপেক্ষ, মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে।

সম্প্রতি বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন বিজ্ঞানীরা! তাঁরা এক প্রকার প্রোটিন আবিষ্কার করেছেন যা, শুক্রাণু-ডিম্বাণুর পুষ্টির পাশাপাশি নিষেকের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করতে পারবে বলে বিজ্ঞানীদের আশা। প্রোটিনটির নাম দেওয়া হয়েছে, ‘মাইয়া’। গ্রিসের মাতৃত্বের দেবীর নাম অনুসারে এই প্রোটিনের নামকরণ করা হয়েছে। সায়েন্স অ্যাডভান্সেস জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা অনুযায়ী, বংশবিস্তারের ক্ষেত্রে গ্যামেট ফিউশন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।

বিজ্ঞানীরা এক প্রকার প্রোটিন-৩ ধরনের রিসেপ্টার এফসি আবিষ্কার করেছেন। তা নিষেকের সময়ে ডিম্বানু যে শুক্রণুর সাহায্যে নিষিক্ত হতে চাইছে, সেই শুক্রণুটির প্রোটিনের সঙ্গে দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ হতে সাহায্য করে। এই আবিষ্কারটি বন্ধ্যাত্ব দূরীকরণের ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী আবিষ্কার বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

এস/ আই.কে.জে

বন্ধ্যাত্ব ‘মাইয়া

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250