শনিবার, ১৪ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২রা ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** দেশ ছেড়েছেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব *** যেভাবে জামায়াতের একটি ‘সেক্যুলার’ চেহারা তৈরি হতো *** নির্বাচনের ফলকে স্বীকৃতি দেওয়া স্ট্যাটাস সরিয়ে নিলেন জামায়াত আমির *** ‘আওয়ামী লীগের স্থানীয় কার্যালয়ের তালা খুলে বিএনপি নেতা ভুল করেননি’ *** নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ ১৭ই ফেব্রুয়ারি *** ‘জাতীয় পার্টি কোনো আসন পায়নি, এটা অবিশ্বাস্য’ *** বাংলাদেশকে নিয়ে বেশি আশাবাদী হওয়া ঠিক হবে না, বলছেন ব্রিটিশ এমপি রুপা হক *** জুরিদের গাজা-বিষয়ক মন্তব্যে ক্ষুব্ধ অরুন্ধতী রায়, বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসব বর্জন *** এবার দেশ গড়ার পালা, ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: তারেক রহমান *** আমরা অবশ্যই সার্ক পুনরুজ্জীবিত করতে চাইব: তারেক রহমান

ঠান্ডাজনিত রোগের ফলে দেশজুড়ে হাসপাতালে ভর্তি প্রায় এক লাখ

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, ৫ই জানুয়ারী ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

টানা তিন সপ্তাহ ধরে চলা তীব্র শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। হাড়কাঁপানো শীতে সারাদেশে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত দুই মাসে (১লা নভেম্বর থেকে ৪ই জানুয়ারি পর্যন্ত) প্রায় ১ লাখ মানুষ শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ে মৃত্যু হয়েছে ৪৬ জনের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, উল্লিখিত সময়ে ৯৮ হাজার ৭৪১ জন রোগী ঠান্ডাজনিত জটিলতায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ হয়ে আক্রান্ত ২৯ হাজার ৫৫৫ জন, মৃত্যু ৪০ জন। এছাড়া ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে ৬৯ হাজার ১৮৬ জন, মৃত্যু ৬ জন। বিভাগীয় হিসেবে ঢাকা বিভাগে শ্বাসতন্ত্রের রোগী এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে।

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, শীতের কারণে শিশু রোগীর সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পুরোপুরি বিকশিত না হওয়ায় এবং তীব্র শীতে শ্বাসনালির স্বাভাবিক ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ায় নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কিওলাইটিস ও ডায়রিয়া দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও শিশু রোগীর সংখ্যা ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. পি কে এম মাসুদ উল ইসলাম শিশুদের বিশেষভাবে উষ্ণ রাখা এবং সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, শীত মৌসুম শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি জটিল থাকতে পারে। নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে বা ডায়রিয়া হলে দেরি না করে নিকটস্থ হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জে.এস/

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250