সোমবার, ৯ই নভেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৪শে কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ঢাবি, পল্লবীর পর সিআইডি কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ *** ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ৮–৯টি ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৩ *** সাংবাদিক নেতা ইকবাল সোবহান চৌধুরীর মুক্তি দাবি অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী ৩৫ সাংবাদিকের *** জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের পাশেই মাদকের কারবার *** শেখ হাসিনা প্যারাসুটে নামবেন, সবাই ঢোল বাজিয়ে অভ্যর্থনা জানাবে—এটা কি সম্ভব: রিজভী *** টিএসসি এলাকায় পরপর কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ২ *** ত্রয়োদশ সংসদের চতুর্থ অধিবেশন বসছে সোমবার, চলবে ৮ কার্যদিবস *** প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউপিতে ভোট, ইভিএম আর নয় *** নওগাঁয় ১৫ শিক্ষার্থীর চুল কাটলেন প্রধান শিক্ষক, ক্ষুব্ধ অভিভাবকেরা *** দীপাবলি অন্ধকারের ওপর আলোর জয়ের প্রতীক: শাহবাজ শরিফ

ঠান্ডাজনিত রোগের ফলে দেশজুড়ে হাসপাতালে ভর্তি প্রায় এক লাখ

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, ৫ই জানুয়ারী ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

টানা তিন সপ্তাহ ধরে চলা তীব্র শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। হাড়কাঁপানো শীতে সারাদেশে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত দুই মাসে (১লা নভেম্বর থেকে ৪ই জানুয়ারি পর্যন্ত) প্রায় ১ লাখ মানুষ শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ে মৃত্যু হয়েছে ৪৬ জনের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, উল্লিখিত সময়ে ৯৮ হাজার ৭৪১ জন রোগী ঠান্ডাজনিত জটিলতায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ হয়ে আক্রান্ত ২৯ হাজার ৫৫৫ জন, মৃত্যু ৪০ জন। এছাড়া ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে ৬৯ হাজার ১৮৬ জন, মৃত্যু ৬ জন। বিভাগীয় হিসেবে ঢাকা বিভাগে শ্বাসতন্ত্রের রোগী এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে।

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, শীতের কারণে শিশু রোগীর সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পুরোপুরি বিকশিত না হওয়ায় এবং তীব্র শীতে শ্বাসনালির স্বাভাবিক ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ায় নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কিওলাইটিস ও ডায়রিয়া দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও শিশু রোগীর সংখ্যা ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. পি কে এম মাসুদ উল ইসলাম শিশুদের বিশেষভাবে উষ্ণ রাখা এবং সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, শীত মৌসুম শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি জটিল থাকতে পারে। নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে বা ডায়রিয়া হলে দেরি না করে নিকটস্থ হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জে.এস/

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250