শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৮ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** সাজেক সড়কে অবরোধ অব্যাহত, রিসোর্টের ৬০ শতাংশ বুকিং বাতিল *** দ্রুততম মানব ইমরানুর, মুকুট ধরে রাখলেন শিরিনও *** ১৩ বছর বয়সী ছাত্রীকে ধর্ষণে সহায়তা করেছিলেন মাদ্রাসাশিক্ষকের স্ত্রী, গ্রেপ্তার *** কোনো কিছুই পক্ষে নেই, কেন কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি সৌদি যুবরাজ *** ‘শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরছেন’ জানিয়ে নওগাঁয় মাইকিং *** ছাত্রীকে যৌন হয়রানির খবরে মহিলা মাদ্রাসায় আগুন, শিক্ষককে পুলিশে সোপর্দ *** ১৩ বছর বয়সী ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, মাদরাসা শিক্ষক পলাতক *** টঙ্গীতে শিশুকে যৌন নিপীড়ন: মাদ্রাসাশিক্ষককে থাপ্পড়ের ভিডিও ভাইরাল, থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ *** বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্টের আগে সুখবর দিল বিসিবি *** সৌদির বিভিন্ন কারাগারে সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি বন্দি

এক্সিলারেটের টার্মিনালে এলএনজি শেষ, আবার কমলো গ্যাস সরবরাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৮:২৭ অপরাহ্ন, ১৯শে আগস্ট ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

মহেশখালীতে এক্সিলারেট পরিচালিত টার্মিনালে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) শেষ হয়ে যাওয়ায় সেখান থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। টার্মিনালটি কার্যক্রম শুরুর কয়েকদিনের মধ্যেই আবারও বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশে গ্যাস সরবরাহে আরেক দফা সংকট তৈরি হলো। পেট্রোবাংলার একাধিক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, আজ বুধবার বিকেল ৩টার দিকে টার্মিনালটি থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।

বর্তমানে সামিটের এফএসআরইউ (ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) থেকে প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। এটিসহ দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ ২ হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুটের নিচে নেমে গেছে। যেখানে জাতীয় পর্যায়ে গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট।

গত সপ্তাহের তীব্র গ্যাস সংকটের তুলনায় সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হলেও আবারও এই বিপর্যয় ঘটল। ইতোমধ্যেই শিল্পকারখানাগুলো কম চাপের গ্যাস নিয়ে সমস্যায় রয়েছে এবং সরবরাহ করা গ্যাসের বড় একটি অংশ বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে দেওয়া হচ্ছে।

প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহে সক্ষম এক্সিলারেট পরিচালিত এফএসআরইউটি ২১ জুলাইয়ের অগ্নিকাণ্ড ও পরবর্তী কারিগরি সমস্যার কারণে বন্ধ ছিল। ৬ আগস্ট আংশিকভাবে কার্যক্রম শুরু করলেও ১৪ আগস্ট আবারও এর কার্যক্রম ব্যাহত হয় এবং ১৫ আগস্ট পুনরায় চালু হয়। তবে কর্মকর্তাদের মতে, টার্মিনালটির এলএনজির মজুত এখন শেষ হয়ে গেছে।

সামিট ও এক্সিলারেটের এফএসআরইউ সম্মিলিতভাবে প্রায় ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি রূপান্তর করতে পারে। এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ কমে গেছে।

সর্বশেষ এই পরিস্থিতির ফলে এক্সিলারেটের টার্মিনালে নতুন এলএনজির চালান পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত আমদানি করা এলএনজির জন্য বাংলাদেশ আবারও পুরোপুরি সামিটের টার্মিনালের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।

পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানান, সরকারের এলএনজি ক্রয় পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২৩ আগস্টের আগে এক্সিলারেটের টার্মিনালটির কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ার সম্ভাবনা কম।

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি)

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250