বুধবার, ১৮ই মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩রা চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ড. ইউনূসের চেয়ে বড় বাটপার বাংলাদেশের সরকারে কেউ আসেননি: আনিস আলমগীর *** সরকার গঠনের ২৮ দিনে প্রধানমন্ত্রীর ২৮ পদক্ষেপ ‘অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ’ *** মুসলিম হও, নয়তো মৃত্যু—নাইজেরিয়ায় খ্রিষ্টান সম্প্রদায়কে জঙ্গিদের হুমকি *** ইরান যুদ্ধের মধ্যেই কিউবা দখলের হুমকি, ট্রাম্পের মতিগতি কী? *** ধর্ষণ প্রতিকারে বিশেষ পদক্ষেপ নেবে সরকার *** চা বিক্রেতা বৃদ্ধা ও নাতনির কাছে ঈদ উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী *** কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের হস্তক্ষেপ দাবি আওয়ামী লীগের *** কারাবন্দি আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের জন্য দোয়ার আয়োজন, অতঃপর... *** ১০ বছরে বাংলাদেশে শ্রমবাজারে প্রবেশ করা অর্ধেক তরুণই কাজ পায়নি: বিশ্বব্যাংক *** ‘জামায়াতের সঙ্গে বিএনপি আপস করায় প্রধানমন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশ করা উচিত’

বন্দর এলাকায় সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে যা বললেন আনু মুহাম্মদ

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০২:৪২ অপরাহ্ন, ১২ই অক্টোবর ২০২৫

#

ফাইল ছবি

অর্থনীতিবিদ ও গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির সদস্য অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, ‘বন্দর এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে ১১ই নভেম্বর পর্যন্ত। বলা হয়েছে, যানজটের কারণে আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়। তার মানে ১১ই নভেম্বরের পর থেকে যানজট যদি হয়, আমদানি-রপ্তানির সমস্যা হবে না।'

তিনি বলেন, 'এই এক মাসই শুধু সমস্যা। এর মানে এই এক মাস যেন কোনো প্রতিবাদ না হয়। এর অর্থ, তাদের ইচ্ছা আগামী ১১ই নভেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী ও বিপজ্জনক একটি চুক্তিতে যাওয়া।’

শনিবার (১১ই অক্টোবর) বিকেলে চট্টগ্রামে ‘জাতীয় সক্ষমতা ও জাতীয় নিরাপত্তা: চট্টগ্রাম বন্দর ও বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রসঙ্গ’ শিরোনামে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে এ কথাগুলো বলেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউ মুরিং টার্মিনালকে বিনা টেন্ডারে বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়া দেশের জন্য নিরাপত্তাঝুঁকি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নগরের কাজীর দেউড়ি এলাকায় জিয়া স্মৃতি জাদুঘর সেমিনার হলে এ সভার আয়োজন করে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি ও গণতান্ত্রিক অধিকার আন্দোলন। এতে মূল দাবি ছিল, জাতীয় সমুদ্রবন্দর জাতীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালনা করতে হবে। উপস্থিত বক্তারা চট্টগ্রাম বন্দরে বিদেশি অপারেটর নিয়োগে ঝুঁকি ও বন্দরের বর্তমান প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।

অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধের নির্দেশ নিশ্চয় ওপর থেকে এসেছে। আমরা আগেও এমন নির্দেশ দেখেছি। আমাদের দাবি হচ্ছে, অবশ্যই এই তৎপরতা বন্ধ করবেন।'

তিনি বলেন, 'বাম, ডান, মধ্যপন্থী সব রাজনৈতিক দলকে বলব, বিশেষত যারা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য কিংবা ক্ষমতার অংশীদার হওয়ার জন্য চাইছেন; এই ধরনের তৎপরতা বন্ধ করতে আপনাদের ভূমিকা নিতে হবে। না হয় দায় আপনাদের ওপরও পড়বে।’

উপদেষ্টারা তাড়াহুড়া করছেন—এমন মন্তব্য করে আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর দরকার হলে সেটা করবে সামনে নির্বাচিত সরকার। আপনাদের এত তাড়াহুড়া কিসের?’

তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘কোথাও কি মুচলেকা দেওয়া আছে; যে চট্টগ্রাম বন্দরকে বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দিতেই হবে?’ তিনি বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত একটি জাতীয় সম্পদ কোনোভাবেই বিদেশিদের হাতে দেওয়া চলবে না।

জে.এস/

আনু মুহাম্মদ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250