ছবি: সংগৃহীত
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে গত বছরের ২৬শে অক্টোবর। এক হাজার ১২২টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে প্রায় ৭ লাখ, অর্থাৎ গড়ে ৬২৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এই পদে। পরীক্ষা গ্রহণের তারিখ এখনো নির্ধারিত না হলেও একক কেন্দ্র হিসেবে ঢাকাকে বেছে নিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান মোবাশ্বের মোনেম বলেন, প্রায় সাত লাখ পরীক্ষার্থীর জন্য পরীক্ষা নেওয়া অত্যন্ত জটিল ও সময়সাপেক্ষ।
সব দিক বিবেচনা করে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পরীক্ষা শুধুমাত্র ঢাকায় একক কেন্দ্রে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ জন্য কমিশন সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে প্রস্তুতি নিচ্ছে।
উল্লেখ্য, প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০২৫ সালের ৩১শে আগস্ট। সেসময় শূন্য পদের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ১৬৯টি। পরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা সংশোধনের ফলে এই সংখ্যা কমে যায়। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, মোট শূন্য পদের ৮০ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে এবং মাত্র ২০ শতাংশ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে সরাসরি নিয়োগের জন্য পদের সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ১ হাজার ১২২টিতে। পদের সংখ্যা কমে যাওয়া এবং একই সঙ্গে বেতন গ্রেড উন্নীত হওয়ায় প্রতিযোগিতা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।
নিয়োগ পরীক্ষার কাঠামো অনুযায়ী, মোট ১০০ নম্বরের ভিত্তিতে প্রার্থী বাছাই করা হবে। এর মধ্যে লিখিত পরীক্ষার জন্য থাকবে ৯০ নম্বর এবং মৌখিক পরীক্ষার জন্য ১০ নম্বর। লিখিত পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, গণিত, দৈনন্দিন বিজ্ঞান ও সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি) অন্তর্ভুক্ত থাকবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে অন্তত ৫০ শতাংশ নম্বর অর্জন করতে হবে। কেবল লিখিত পরীক্ষায় সফল প্রার্থীরাই মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।
জে.এস/
খবরটি শেয়ার করুন