শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১০ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** জাতিসংঘ সদর দপ্তরের বাইরে নেতানিয়াহুবিরোধী বিক্ষোভ, অস্কারজয়ী অভিনেত্রীসহ অনেকে গ্রেপ্তার *** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এবার কেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নেই *** পাকিস্তান সফরে কবে যাবেন—জবাবে সাংবাদিকদের যা বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান *** বোয়িংয়ের কাছ থেকে বাংলাদেশের উড়োজাহাজ কেনা নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট, কী লিখেছেন *** সমুদ্রের উচ্চতার সঙ্গে সংকল্প আরও দৃঢ় হোক, পদক্ষেপ তার চেয়ে দ্রুত: বিশ্বনেতাদের তারেক রহমান *** নিউইয়র্কে তারেক রহমান, সেখানেই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সঙ্গে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল বৈঠক *** এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের দ্রুততম মানব *** রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুল ৫ দিনের রিমান্ডে *** জাতিসংঘে খলিলুরের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হলেন জাইমা রহমান *** বিশ্বের বৃহত্তম মুক্তবাণিজ্য জোটে যুক্ত হওয়ার পথে বাংলাদেশ

সুখবর এক্সপ্লেইনার

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এবার কেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নেই

নবনীতা রায়

🕒 প্রকাশ: ০৬:৫০ অপরাহ্ন, ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনুপস্থিতি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। নিউইয়র্কে চলমান উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। আগামীকাল ২৬ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে ভারতের বক্তব্য দেওয়ার কথা তার।

তবে মোদি কেন এবার নিউইয়র্কে যাননি, সে বিষয়ে ভারত সরকার এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট কারণ জানায়নি। ফলে তার অনুপস্থিতিকে ঘিরে নানা ব্যাখ্যা সামনে এসেছে। এর মধ্যে কিছু ব্যাখ্যা কূটনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সম্পর্কিত। আবার কিছু ব্যাখ্যা ভারতের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে যুক্ত।

তবে শুরুতেই একটি তথ্য সংশোধন জরুরি। মোদি ২০২৪ সালের সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কেও বক্তব্য দেননি। ওই বছর তিনি নিউইয়র্কে গেলেও সাধারণ পরিষদের মূল বিতর্কে ভারতের হয়ে বক্তব্য দেন জয়শঙ্কর। জাতিসংঘের সংশোধিত বক্তৃতার তালিকায় তখন মোদির পরিবর্তে জয়শঙ্করের নাম দেওয়া হয়েছিল। মোদি অবশ্য নিউইয়র্ক সফরে ‘ভবিষ্যৎ শীর্ষ সম্মেলনে’ অংশ নিয়েছিলেন এবং কোয়াড বৈঠকেও যোগ দিয়েছিলেন।

জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলের ২৩ সেপ্টেম্বরের বিশ্লেষণেও বলা হয়েছে, নরেন্দ্র মোদিকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের মঞ্চে তুলনামূলকভাবে কমই দেখা যায়। ২০২১ সালের পর থেকে ভারত নিয়মিতভাবে জয়শঙ্করকে দিয়ে সাধারণ বিতর্কে বক্তব্য দেওয়াচ্ছে। ডয়চে ভেলে জানিয়েছে, এবারও মোদি কেন শেষ পর্যন্ত না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সে বিষয়ে কোনো পরিষ্কার কারণ জানা যায়নি। এমনকি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কিছু প্রতিবেদনে তাকে প্রাথমিকভাবে বক্তাদের তালিকায় রাখা হয়েছিল বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

এ কারণে মোদির অনুপস্থিতিকে সরাসরি কোনো একটি কারণের ফল হিসেবে দেখার সুযোগ কম। বরং ভারতের কূটনৈতিক অগ্রাধিকার এবং বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি একসঙ্গে বিবেচনা করলেই বিষয়টি কিছুটা পরিষ্কার হয়।

প্রথমত, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে কোনো দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও সেটিই সব কূটনৈতিক ফলাফলের একমাত্র পথ নয়। সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় নিউইয়র্কে বিপুলসংখ্যক দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বৈঠক হয়। এসব বৈঠকে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, প্রযুক্তি, নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক সংকট নিয়ে সরাসরি আলোচনা করা যায়।

এবার জয়শঙ্করের কর্মসূচিতে সেটিই স্পষ্ট। তিনি ফ্রান্স, ইকুয়েডর, স্লোভাকিয়া ও সুইজারল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ইউক্রেন ও উপসাগরীয় অঞ্চলের সংকটসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয় এসব আলোচনায় এসেছে।

ভারতের জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কারের প্রশ্নটি এখন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। নয়াদিল্লি দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে। বর্তমান পরিষদে পাঁচটি স্থায়ী সদস্যদেশ রয়েছে। ভারত মনে করে, বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় এই কাঠামো আর যথেষ্ট প্রতিনিধিত্বশীল নয়।

এই দাবিতে এবারের অধিবেশনের সময় ভারত কিছুটা কূটনৈতিক সাফল্যও পেয়েছে। ২২ সেপ্টেম্বর হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড, স্লোভাকিয়া ও চেক প্রজাতন্ত্র—ভিসেগ্রাদ গোষ্ঠীর চার দেশ—নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হিসেবে ভারতের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। নিউইয়র্কে প্রথম ভারত–ভিসেগ্রাদ গোষ্ঠী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে এই সমর্থন আসে।

অর্থাৎ নরেন্দ্র মোদি নিউইয়র্কে না থাকলেও ভারতের কূটনৈতিক তৎপরতা কমেনি। বরং জয়শঙ্করকে সামনে রেখে দিল্লি নির্দিষ্ট কিছু লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ভিসেগ্রাদ গোষ্ঠীর সঙ্গে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, যোগাযোগ ও সরবরাহব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

এখানে জয়শঙ্করের সাম্প্রতিক বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ। ২৫ সেপ্টেম্বর তিনি বলেন, জাতিসংঘ সংস্কার নিয়ে বিভিন্ন দেশের হতাশা বাড়ছে। তার মতে, সংস্কার নিয়ে আলোচনা করতে হলে লিখিত প্রস্তাবের ভিত্তিতে আলোচনা এগিয়ে নিতে হবে। তিনি নিরাপত্তা পরিষদকে বর্তমান বিশ্বের বাস্তবতার সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।

এর ফলে একটি বিষয় পরিষ্কার। ভারতের এবারের জাতিসংঘ কূটনীতিতে শুধু প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের বক্তৃতা নয়, নির্দিষ্ট রাষ্ট্রের সমর্থন আদায় এবং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা বড় জায়গা পেয়েছে।

দ্বিতীয়ত, ভারতের পররাষ্ট্রনীতির সামনে এখন একাধিক কঠিন প্রশ্ন রয়েছে। রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানি তার অন্যতম। রাশিয়ার তেল কেনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের টানাপোড়েন বেড়েছে। রয়টার্সের ১৮ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার কাছ থেকে বড় পরিমাণে তেল কেনা দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের সুযোগ তৈরি করা মার্কিন আইনের কারণে ভারত নতুন চাপের মুখে পড়েছে। নয়াদিল্লি বলেছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উৎস থেকে তেল আমদানি করা প্রয়োজন।

এই পরিস্থিতিতে ভারতের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া—দুই পক্ষের সঙ্গেই সম্পর্ক সামলানো গুরুত্বপূর্ণ। ফলে জয়শঙ্করের মতো অভিজ্ঞ কূটনীতিককে নিউইয়র্কে রেখে বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার সুযোগ নেওয়া দিল্লির জন্য বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্কও সহজ অবস্থায় নেই। রয়টার্স জানিয়েছে, রুশ জ্বালানি নিয়ে মার্কিন চাপের পাশাপাশি দুই দেশের বাণিজ্য আলোচনা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ভারত একই সময়ে যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক বাড়ানোর চেষ্টা করছে।

তবে এটিকে সরাসরি নরেন্দ্র মোদি–ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কের অবনতির কারণে মোদির নিউইয়র্ক সফর বাতিল হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে যাওয়ার মতো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখন পর্যন্ত নেই। সরকারি ব্যাখ্যাও নেই। তাই এ ধরনের ব্যাখ্যাকে সম্ভাব্য রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট হিসেবে দেখা যায়, নিশ্চিত কারণ হিসেবে নয়।

ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা, ভোটার তালিকা এবং ‘ভোট চুরি’ নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগ দেশটির রাজনীতিতে উত্তাপ তৈরি করেছে। তবে মোদি জাতিসংঘে না যাওয়ার সঙ্গে এসব অভ্যন্তরীণ বিরোধের সরাসরি সম্পর্ক আছে—এমন কোনো সরকারি বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি কারণ হিসেবে উল্লেখ করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

বরং আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, এবার শুধু নরেন্দ্র মোদি নন, আরও অনেক দেশের শীর্ষ নেতাই সাধারণ পরিষদে অনুপস্থিত। ডয়চে ভেলে জানিয়েছে, চীনের শি জিনপিং, রাশিয়ার ভ্লাদিমির পুতিন, জার্মানির ফ্রিডরিশ মের্ৎস, ইতালির জর্জিয়া মেলোনিসহ ৫০ জনের বেশি নেতা এবার নিউইয়র্কে যাচ্ছেন না। তাদের অনুপস্থিতির কারণও এক নয়। কারও ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ কর্মসূচি, কারও ক্ষেত্রে অন্য ব্যস্ততা কাজ করেছে।

ফলে নরেন্দ্র মোদির অনুপস্থিতিকে এককভাবে ভারতের কূটনৈতিক দুর্বলতার প্রমাণ বলা কঠিন। একইভাবে এটিকে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বলেও নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। কারণ, ভারতের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্তটির নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষণের দিক থেকেও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ মূলত একটি বৃহৎ কূটনৈতিক মঞ্চ। সেখানে বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও বাস্তব সমঝোতা অনেক সময় বৈঠকের বাইরে হয়। এবারের অধিবেশনে জয়শঙ্করের ধারাবাহিক বৈঠকগুলো সেই বাস্তবতারই ইঙ্গিত দেয়।

ভারতের সামনে এখন তিনটি বড় লক্ষ্য স্পষ্ট। নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কারে সমর্থন বাড়ানো, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখা এবং বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের অবস্থান শক্ত করা। একই সঙ্গে ২০২৮–২৯ মেয়াদে নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদের জন্যও ভারত প্রচার চালাচ্ছে।

তাই ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে মোদির অনুপস্থিতির সবচেয়ে সতর্ক ব্যাখ্যা হলো—ভারত এবার প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উপস্থিতির বদলে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে সামনে রেখে লক্ষ্যভিত্তিক কূটনৈতিক তৎপরতাকে গুরুত্ব দিয়েছে। এর পেছনে ঠিক কোন কারণ সবচেয়ে বেশি কাজ করেছে, তা দিল্লি আনুষ্ঠানিকভাবে না বলা পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।

তবে নিউইয়র্কের ঘটনাপ্রবাহ বলছে, মোদি না থাকলেও ভারত সেখানে নিষ্ক্রিয় নয়। বরং নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কার, জ্বালানি নিরাপত্তা, ইউক্রেন ও উপসাগরীয় সংকট, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক এবং ইউরোপের সঙ্গে নতুন সমীকরণ—এসব প্রশ্নে জয়শঙ্করকে সামনে রেখে ভারত সক্রিয়ভাবে নিজের অবস্থান তুলে ধরছে।

নরেন্দ্র মোদি

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

সেমিফাইনালেই থামলেন বাংলাদেশের দ্রুততম মানব

🕒 প্রকাশ: ০৭:১১ অপরাহ্ন, ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ সদর দপ্তরের বাইরে নেতানিয়াহুবিরোধী বিক্ষোভ, অস্কারজয়ী অভিনেত্রীসহ অনেকে গ্রেপ্তার

🕒 প্রকাশ: ০৭:০২ অপরাহ্ন, ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এবার কেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নেই

🕒 প্রকাশ: ০৬:৫০ অপরাহ্ন, ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাকিস্তান সফরে কবে যাবেন—জবাবে সাংবাদিকদের যা বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

🕒 প্রকাশ: ০৬:২৭ অপরাহ্ন, ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

বোয়িংয়ের কাছ থেকে বাংলাদেশের উড়োজাহাজ কেনা নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট, কী লিখেছেন

🕒 প্রকাশ: ০৬:১৯ অপরাহ্ন, ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

Footer Up 970x250