রবিবার, ২০শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৫ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** অপ্রতিমের মা ড. নাহিদার চব্বিশের সেই ফেসবুক পোস্ট কেন আলোচনায়, কী লিখেছিলেন তিনি *** পাকিস্তান কি সৌদি আরবকে রক্ষা করতে যুদ্ধে জড়াবে *** প্রভাবশালী বৌদ্ধ ভিক্ষুর ৩০ লাখ ডলার আত্মসাৎ ও যৌন কেলেঙ্কারি যেভাবে প্রকাশ্যে এল *** হাইকোর্ট-মৎস্য ভবন এলাকায় পরপর ককটেল বিস্ফোরণ *** জিএমপির ফেসবুক পেজে লংমার্চ নিয়ে পোস্ট: স্টাফ অফিসার প্রত্যাহার *** আগুন-ককটেল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের কাজ, প্রত্যেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *** অপ্রতীম হত্যায় জড়িতরা ১২ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার, তদন্ত প্রতিবেদনও দ্রুত দেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *** প্রধানমন্ত্রী কাল নিউইয়র্ক যাচ্ছেন, সফরসঙ্গী চার মন্ত্রীসহ ৩৫ জন *** আইফোনের জন্যই অপ্রতিমকে হত্যা করা হয়: পুলিশ সুপার *** যুদ্ধ শুরুর পর ইরানে সরকারপন্থী সবচেয়ে বড় সমাবেশ, লাখো মানুষের উপস্থিতি

সুখবর এক্সপ্লেইনার

প্রভাবশালী বৌদ্ধ ভিক্ষুর ৩০ লাখ ডলার আত্মসাৎ ও যৌন কেলেঙ্কারি যেভাবে প্রকাশ্যে এল

জেবিন শান্তনু

🕒 প্রকাশ: ০৬:১৬ অপরাহ্ন, ২০শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

থাইল্যান্ডের প্রাচীন রাজধানী আয়ুথায়ার ঐতিহাসিক একটি বৌদ্ধ মঠের বিপুল পরিমাণ অনুদানের অর্থ আত্মসাৎ, অর্থ পাচার এবং যৌন অসদাচরণের অভিযোগে এক প্রবীণ বৌদ্ধ ভিক্ষুর গ্রেপ্তারের ঘটনায় দেশটিতে নতুন করে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশের তদন্তে মঠের তহবিলের সঙ্গে ওই ভিক্ষু ও তার ঘনিষ্ঠ এক নারীর আর্থিক লেনদেনের তথ্য যেমন উঠে এসেছে, তেমনি মঠের আবাসিক ভবনের নজরদারি ক্যামেরার দৃশ্য থেকে তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কের অভিযোগও সামনে এসেছে।

গ্রেপ্তার হওয়া ভিক্ষু ফ্রা ওয়াচিরায়ান উই, যিনি লুয়াং ফো অতিচোট নামেও পরিচিত। তার বয়স ৬৬ বছর। তিনি আয়ুথায়ার ঐতিহাসিক ওয়াট পুথ্থাইসাওয়ান মঠের সাবেক মঠাধ্যক্ষ। তার সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এক নারী সহযোগীকেও। বিভিন্ন প্রতিবেদনে ওই নারীর পরিচয় ও নামের বানানে কিছু পার্থক্য রয়েছে। থাই সংবাদমাধ্যম খাওসোদ ইংলিশ তাকে ভিক্ষুটির ঘনিষ্ঠ নারী সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করেছে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মঠের তহবিল থেকে ৯ কোটি ২০ লাখের বেশি থাই বাত সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগের তদন্ত থেকেই ঘটনাটির সূত্রপাত। অভিযোগ হলো, দুই বছরের বেশি সময় ধরে মঠের নামে অননুমোদিতভাবে ২০টির বেশি অনুদান গ্রহণের রসিদ দেওয়া হয়েছিল। এসব অনুদানের অর্থ মঠের হিসাবে যথাযথভাবে জমা না দিয়ে ব্যক্তিগত ব্যবহার এবং পরে এক নারী সহযোগীর মাধ্যমে অর্থের গতিপথ আড়াল করার চেষ্টা করা হয়। এ কারণে পুলিশের প্রাথমিক হিসাবে ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়ায় ৯ কোটি ২০ লাখের বেশি বাত, যা মার্কিন মুদ্রায় প্রায় ৩০ লাখ ডলারের কাছাকাছি।

তদন্তে শুধু মঠ সংস্কারের অনুদান নয়, ধর্মীয় তাবিজ ও অন্যান্য সামগ্রী বিক্রির অর্থ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ বলছে, তাবিজ বিক্রি, মঠ সংস্কারের জন্য পাওয়া অনুদান এবং অন্যান্য ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের অর্থের লেনদেনের নথি পরীক্ষা করা হচ্ছে। ১২ সেপ্টেম্বর অপরাধ দমন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, সংশ্লিষ্ট লেনদেনের সামগ্রিক পরিমাণ ২১ কোটি ৫০ লাখ বাতের বেশি হতে পারে। এ অর্থের সঙ্গে আরও ব্যক্তি জড়িত কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ঘটনাটি প্রথমে প্রকাশ্যে আসে একটি গোপন অভিযোগের সূত্র ধরে। মঠের অর্থ ব্যবস্থাপনা ও ভিক্ষুর আচরণ নিয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ গোপনে অনুসন্ধান শুরু করে। তদন্তকারীরা ব্যাংক হিসাব, অনুদানের রসিদ, তাবিজ বিক্রির অর্থ এবং মঠের আর্থিক লেনদেন পর্যালোচনা করতে থাকেন। পরে আদালতের পরোয়ানার ভিত্তিতে ১০ সেপ্টেম্বর সকালে মঠে অভিযান চালিয়ে ভিক্ষুকে গ্রেপ্তার করা হয়। খাওসোদ ইংলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে সরকারি দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির সম্পদ আত্মসাৎ, দায়িত্বে অনিয়ম এবং অর্থ পাচারের ষড়যন্ত্রসহ একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযানের সময় ভিক্ষুর আবাসিক ভবন থেকেও বিপুল পরিমাণ অর্থ ও স্বর্ণ উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। দ্য নেশন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, সেখানে নগদ অর্থ ও স্বর্ণের প্রাথমিক মূল্য ১০ কোটি বাতের বেশি হতে পারে। তবে হিসাব সম্পূর্ণ হওয়ার আগে এই সম্পদের চূড়ান্ত মূল্য নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ একই সঙ্গে বলেছে, উদ্ধার হওয়া সম্পদের সবটাই যে আত্মসাৎ করা অর্থ, তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না; তদন্তের মাধ্যমে সম্পদের উৎস যাচাই করা হবে।

এখানেই তদন্তের সঙ্গে যুক্ত হয় যৌন অসদাচরণের অভিযোগ। পুলিশের হাতে থাকা নজরদারি ক্যামেরার দৃশ্য পর্যালোচনা করতে গিয়ে ভিক্ষু ও তার নারী সহযোগীর ঘনিষ্ঠ আচরণের ছবি পাওয়া যায়। থাই সংবাদমাধ্যম থাইরাথ জানিয়েছে, একটি দৃশ্যে তাদের যৌন আচরণের অভিযোগ উঠে এসেছে। তবে এ ধরনের দৃশ্যের বিস্তারিত বর্ণনার চেয়ে মামলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—পুলিশ এটিকে ভিক্ষুর বিরুদ্ধে ওঠা আচরণগত অভিযোগের প্রমাণ হিসেবে পরীক্ষা করছে এবং একই নারীর সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টির সঙ্গেও মিলিয়ে দেখছে।

তাবিজের ব্যবসার সঙ্গে ভিক্ষুর পরিচিতিও তদন্তকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করেছে। তিনি মঠে তৈরি বিশেষ ধরনের পবিত্র তাবিজের জন্য পরিচিত ছিলেন। খাওসোদ ইংলিশ বলেছে, তার তৈরি ‘নুয়া দুয়াং’ তাবিজ ভক্তদের মধ্যে জনপ্রিয় ছিল। ফলে মঠের অনুদানের পাশাপাশি তাবিজ বিক্রি থেকে আসা অর্থের হিসাবও তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।

ঘটনার আরেকটি দিক হলো মঠের অর্থ ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা। থাইল্যান্ডে বৌদ্ধ মঠগুলো সাধারণ মানুষের দান, ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং বিভিন্ন সামগ্রী বিক্রির মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য অর্থ পেয়ে থাকে। সেই অর্থের নিয়ন্ত্রণ অনেক সময় মঠের শীর্ষ ভিক্ষুদের হাতে থাকে। ফলে কোনো মঠে হিসাবরক্ষণ ও তদারকির ব্যবস্থা দুর্বল হলে বিপুল অর্থের অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে। বর্তমান মামলায় এ বিষয়টিই নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

১১ সেপ্টেম্বর থাইল্যান্ডের অর্থপাচারবিরোধী সংস্থা এএমএলও জানায়, তারা মামলার আর্থিক নথি নিয়ে পৃথকভাবে কাজ করবে। সংস্থাটির মহাসচিব থেপসু বোভর্নচোটিদারা বলেন, অর্থ মঠের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাব এবং একটি ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করা হবে। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সম্পদকে অবৈধ অর্থ বা ‘ধূসর পুঁজি’ হিসেবে চিহ্নিত করা ঠিক হবে না।

এই ঘটনা থাইল্যান্ডের বৌদ্ধ ভিক্ষুদের নিয়ে গত দুই বছরের ধারাবাহিক কেলেঙ্কারির নতুন অধ্যায় বলেও মনে করা হচ্ছে। এর আগে ২০২৫ সালে দেশটির বৌদ্ধ ভিক্ষুদের যৌনতা, ব্ল্যাকমেল এবং অর্থ আত্মসাতের এক বড় ঘটনা জাতীয় পর্যায়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। ওই ঘটনায় উইলাওয়ান এমসাওয়াত নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের অভিযোগ ছিল, তিনি একাধিক জ্যেষ্ঠ ভিক্ষুর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করতেন এবং পরে সেগুলো ব্যবহার করে অর্থ আদায় করতেন।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই নারীর ব্যাংক হিসাবে তিন বছরে প্রায় ৩৮ কোটি ৫০ লাখ বাত প্রবাহিত হয়েছিল। পুলিশ দাবি করেছিল, এর বড় অংশ অনলাইন জুয়ায় ব্যয় করা হয়েছে। ওই ঘটনায় অন্তত নয়জন জ্যেষ্ঠ ভিক্ষুকে ভিক্ষুপদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে মঠাধ্যক্ষও ছিলেন।

সিএনএ-ও জানিয়েছিল, পুলিশের তদন্তে ওই নারীর মোবাইল ফোনে বিপুলসংখ্যক ছবি, ভিডিও ও কথোপকথনের তথ্য পাওয়া যায়। এসব তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তকারীরা ধারণা করেছিলেন, আরও বহু ভিক্ষু এই ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত থাকতে পারেন। থাই পুলিশ তখন দেশজুড়ে ভিক্ষুদের আচরণ ও আর্থিক কর্মকাণ্ড নিয়ে তদন্ত বাড়ানোর কথা জানিয়েছিল।

দ্য গার্ডিয়ান-এর বিশ্লেষণে ২০২৫ সালের ঘটনাটি শুধু যৌন কেলেঙ্কারি হিসেবে নয়, মঠের অর্থ, ক্ষমতা এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহির প্রশ্ন হিসেবেও দেখা হয়। পত্রিকাটি জানায়, ওই ঘটনায় মঠ ও ভিক্ষুদের সঙ্গে যুক্ত অর্থের পরিমাণ এবং জ্যেষ্ঠ ধর্মীয় ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে থাইল্যান্ডে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।

এর কিছুদিন আগে এবং একই সময় আর্থিক অনিয়মের আরও কয়েকটি ঘটনাও সামনে আসে। ব্যাংকক পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ওয়াট রাই খিং মঠের সাবেক মঠাধ্যক্ষ ফ্রা থাম্মা ওয়াচিরানুওয়াতের বিরুদ্ধে প্রায় ৩০ কোটি বাত আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। তদন্তে মঠের অর্থ অনলাইন জুয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার অভিযোগও আসে। পরে ব্যাংকক পোস্ট জানায়, তদন্ত আরও বিস্তৃত হয়ে প্রায় ২০০ কোটি বাতের লেনদেনের বিষয় পর্যন্ত পৌঁছায় এবং ২০২৬ সালের এপ্রিলে ওই সাবেক মঠাধ্যক্ষকে ৫০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

২০২৩ সালেও থাইল্যান্ডে আরেক প্রভাবশালী ভিক্ষু ফ্রা আজার্ন খোমের বিরুদ্ধে বিপুল অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছিল। ব্যাংকক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকারীরা তার মঠের পেছনে নগদ অর্থ ও স্বর্ণের বার উদ্ধার করেন এবং আত্মসাতের অভিযোগের মোট পরিমাণ প্রায় ৩০ কোটি বাতের কাছাকাছি পৌঁছায়।

অর্থাৎ ওয়াট পুথ্থাইসাওয়ানের বর্তমান ঘটনাটি বিচ্ছিন্ন কোনো অভিযোগ নয়। সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনায় একই সঙ্গে তিনটি বিষয় বারবার সামনে এসেছে—মঠের বিপুল অর্থের ওপর ব্যক্তিগত নিয়ন্ত্রণ, ধর্মীয় বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এবং জবাবদিহির দুর্বলতা। থাই পিবিএস ওয়ার্ল্ডও ২০২৫ সালের ধারাবাহিক কেলেঙ্কারির পর মঠ পরিচালনা ও ভিক্ষুদের আচরণে পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছিল।

তবে এসব ঘটনার ভিত্তিতে থাইল্যান্ডের পুরো বৌদ্ধ ভিক্ষু সম্প্রদায়কে একইভাবে দেখা যায় না। দেশটির বিপুলসংখ্যক ভিক্ষু স্বাভাবিক ধর্মীয় জীবনযাপন করেন এবং তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। কিন্তু যখন কোনো উচ্চপদস্থ ভিক্ষুর বিরুদ্ধে মঠের অর্থ আত্মসাৎ ও যৌন আচরণবিধি লঙ্ঘনের মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠে, তখন তার প্রভাব সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির গণ্ডি ছাড়িয়ে পুরো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর পড়ে।

বর্তমান মামলাতেও শেষ পর্যন্ত আদালতে অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয় কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। পুলিশ যে অর্থ, স্বর্ণ, ব্যাংক লেনদেন ও নজরদারি ক্যামেরার তথ্য পেয়েছে, সেগুলোর আইনগত মূল্যায়ন হবে তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ায়। একইভাবে গ্রেপ্তার হওয়া নারী সহযোগীর ভূমিকা কতটা এবং অর্থের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা কী ধরনের ছিল, সেটিও তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

তবে একটি বিষয় ইতিমধ্যে স্পষ্ট—থাইল্যান্ডে বৌদ্ধ মঠের অর্থ ও ধর্মীয় নেতৃত্বের জবাবদিহি এখন আর শুধু ধর্মীয় সম্প্রদায়ের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে থাকছে না। একের পর এক অর্থ আত্মসাৎ, যৌন কেলেঙ্কারি ও ব্ল্যাকমেলের অভিযোগের পর মঠের আর্থিক স্বচ্ছতা, অনুদানের হিসাব এবং উচ্চপদস্থ ভিক্ষুদের ওপর প্রাতিষ্ঠানিক নজরদারি নিয়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায়েও প্রশ্ন উঠছে। ওয়াট পুথ্থাইসাওয়ানের ঘটনা সেই বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে।

বৌদ্ধ ভিক্ষু

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250