বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২২শে আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে যাচ্ছে এনসিটি, ১৫ বছরের চুক্তি আজ *** ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত ধরে নিয়েছেন বাংলাদেশ সবকিছু যুক্তরাষ্ট্রকে দিয়ে দিয়েছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী *** দিল্লিতে বাংলাদেশ–ভারত বাণিজ্য বৈঠক আজ, পাটের শুল্ক ও বাণিজ্য বাধা নিয়ে ঢাকার চাপ *** ১৩ জন হত্যাকারী নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড ফায়ারিং স্কোয়াডে অনুমোদন ট্রাম্পের *** ধর্ম, বর্ণ ও পরিচয় অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে বাধা হবে না: প্রধানমন্ত্রী *** এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করল বিমান *** বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক চায় ভারত *** অর্থনীতি বাড়ছে, কিন্তু কর্মসংস্থান বাড়ছে না কেন *** আওয়ামী লীগকে কি রাজনৈতিক পরিসর থেকে স্থায়ীভাবে বাদ দেওয়া সম্ভব, প্রশ্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের *** ট্রাম্পের ‘ব্যর্থ’ গাজা পরিকল্পনা: বন্ধ হয়নি ইসরায়েলি হামলা, নিরস্ত্র হয়নি হামাস

সুখবর এক্সপ্লেইনার

ট্রাম্পের ‘ব্যর্থ’ গাজা পরিকল্পনা: বন্ধ হয়নি ইসরায়েলি হামলা, নিরস্ত্র হয়নি হামাস

জেবিন শান্তনু

🕒 প্রকাশ: ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, ৭ই অক্টোবর ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

গাজা যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত ২০ দফা পরিকল্পনার প্রথম ধাপ কার্যকর হওয়ার এক বছর পেরিয়ে গেছে। কিন্তু যুদ্ধ শেষ হয়নি। হামাস নিরস্ত্র হয়নি, ইসরায়েলি বাহিনী গাজা থেকে পুরোপুরি সরে যায়নি, আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে মাঠে নামেনি এবং পুনর্গঠনও কার্যত শুরু হয়নি। বরং যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েলি হামলায় ১ হাজার ৪০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ইসরায়েল এখন গাজার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ এলাকায় নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে। ফলে যে পরিকল্পনাকে ট্রাম্প গাজা যুদ্ধের অবসানের পথ হিসেবে উপস্থাপন করেছিলেন, এক বছর পর সেটিই বড় ধরনের বাস্তবায়ন সংকটে পড়েছে। রয়টার্সের ৬ অক্টোবরের বিশ্লেষণেও পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যগুলোকে প্রায় থমকে থাকা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

পরিকল্পনার প্রথম ধাপের সবচেয়ে বড় অর্জন ছিল ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়া। এর আওতায় ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর আটক সর্বশেষ জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া হয়। বিনিময়ে ইসরায়েলি কারাগারে থাকা বিপুলসংখ্যক ফিলিস্তিনি বন্দিও মুক্তি পান। গাজায় ত্রাণ প্রবেশের সুযোগও আগের তুলনায় বাড়ে। কিন্তু পরিকল্পনার পরবর্তী ধাপে যাওয়ার জন্য যে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাগত সমঝোতা প্রয়োজন ছিল, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় বাধা।

এর কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে হামাসের অস্ত্র। ট্রাম্পের পরিকল্পনায় হামাস ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীকে নিরস্ত্র করার কথা ছিল। এরপর ইসরায়েল ধাপে ধাপে গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে এবং একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী গাজার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি ফিলিস্তিনি বেসামরিক প্রশাসনের মাধ্যমে গাজা পরিচালনার কথা ছিল।

কিন্তু এখানে একটি মৌলিক বিরোধ তৈরি হয়েছে। হামাস বলছে, তারা অস্ত্র আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে একটি ফিলিস্তিনি কমিটির কাছে হস্তান্তরে রাজি হতে পারে। তবে ইসরায়েলি বাহিনী গাজায় অবস্থান করা অবস্থায় সরাসরি অস্ত্র সমর্পণ করতে তারা রাজি নয়। অন্যদিকে ইসরায়েল বলছে, হামাস পুরোপুরি নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত তারা সেনা প্রত্যাহার করবে না। ফলে দুই পক্ষের অবস্থান কার্যত একই জায়গায় এসে আটকে আছে—এক পক্ষ আগে প্রত্যাহার চায়, অন্য পক্ষ আগে নিরস্ত্রীকরণ চায়।

জুলাইয়ে এই অচলাবস্থা কাটানোর জন্য নতুন একটি রূপরেখা তৈরি হয়েছিল। আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, হামাস অস্ত্রের তালিকা তৈরি ও সেগুলো সংরক্ষণের একটি প্রক্রিয়ায় সম্মত হয়েছিল। অস্ত্রগুলো ইসরায়েল বা অন্য কোনো অ-প্যালেস্টিনীয় পক্ষের হাতে দেওয়ার বদলে একটি ফিলিস্তিনি জাতীয় কমিটির কাছে রাখার কথা বলা হয়। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের তা যাচাই করার কথা ছিল। কিন্তু ইসরায়েল তখনও এই কাঠামো পুরোপুরি গ্রহণ করেনি।

এই জায়গাতেই পরিকল্পনার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা স্পষ্ট হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র হামাসকে নিরস্ত্র করতে চাইলেও ইসরায়েলের সঙ্গে প্রত্যাহারের শর্ত নিয়ে এমন কোনো কার্যকর নিশ্চয়তা তৈরি করতে পারেনি, যা হামাসকে অস্ত্র ছাড়ার বিষয়ে আস্থা দেবে। আল-জাজিরাকে ইউনিভার্সিটি অব সান ফ্রান্সিসকোর মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষজ্ঞ স্টিফেন জুন্স বলেছেন, ইসরায়েল অতীতেও চুক্তির শর্ত নিজেদের মতো করে ব্যাখ্যা করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক সমর্থনের ওপর ভর করেছে। তাঁর মূল্যায়ন, ইসরায়েল চুক্তিতে নীতিগতভাবে সম্মত হলেও পরে এর ব্যাখ্যা বদলে দিতে পারে বা শর্ত বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

ইসরায়েলের সামরিক নিয়ন্ত্রণও পরিকল্পনার সঙ্গে বড় ধরনের অসামঞ্জস্য তৈরি করেছে। পরিকল্পনার প্রথম ধাপে ইসরায়েলি বাহিনী ‘ইয়েলো লাইন’ পর্যন্ত পিছু হটার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবে ওই রেখা আরও ভেতরে এগিয়েছে। রয়টার্সের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল গাজার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। এর ফলে প্রায় ২০ লাখ মানুষ উপকূলের অপেক্ষাকৃত ছোট এলাকায় বাস্তুচ্যুত অবস্থায় বসবাস করছেন।

যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও হামলা বন্ধ না হওয়ায় পরিকল্পনার বিশ্বাসযোগ্যতাও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। ইসরায়েল বলছে, হামলাগুলো হামাসের সামরিক তৎপরতা ঠেকানোর জন্য পরিচালিত হচ্ছে। হামাস এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। রয়টার্স জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েলি হামলা ও অন্যান্য সহিংসতায় ১ হাজার ৪০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। একই সময়ে কয়েকজন ইসরায়েলি সেনাও নিহত হয়েছেন। অর্থাৎ ‘যুদ্ধবিরতি’ শব্দটি বড় আকারের সামরিক অভিযান কমে যাওয়াকে বোঝালেও, সাধারণ ফিলিস্তিনির জন্য সহিংসতার অবসান ঘটেনি।

মানবিক পরিস্থিতিতেও পরিকল্পনার সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট। যুদ্ধবিরতির পর ত্রাণ প্রবাহ বেড়েছে, কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় তা এখনও অনেক কম। সমন্বিত খাদ্য নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার জুলাইয়ের মূল্যায়ন অনুযায়ী, এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে জুনের শেষ পর্যন্ত গাজার ১২ লাখের বেশি মানুষ খাদ্যসংকটের তৃতীয় ধাপ বা তার চেয়েও ভয়াবহ অবস্থায় ছিলেন। এর মধ্যে ২ লাখ ১২ হাজার মানুষ জরুরি পর্যায়ের খাদ্যসংকটে ছিলেন।

পুনর্গঠনের পরিস্থিতি আরও কঠিন। সেপ্টেম্বরে ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদ গাজার জন্য ২৪৫ কোটি ডলারের একটি প্রাথমিক পুনর্গঠন পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এতে অবকাঠামো, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আশ্রয় ও খাদ্যনিরাপত্তার ৬৬টি প্রকল্পের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু পুরো গাজা পুনর্গঠনে প্রয়োজনীয় অর্থের তুলনায় এই অর্থ খুবই সামান্য।

জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ মূল্যায়নে গাজার পুনরুদ্ধার ও পুনর্গঠনে আগামী ১০ বছরে ৭১৪০ কোটি ডলার প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে প্রথম ১৮ মাসেই দরকার ২৬৩০ কোটি ডলার। ৩ লাখ ৭১ হাজারের বেশি আবাসিক ইউনিট ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অর্ধেকের বেশি হাসপাতাল অকার্যকর এবং প্রায় সব স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।

অর্থাৎ ২৪৫ কোটি ডলারের প্রাথমিক পরিকল্পনা পুরো পুনর্গঠনের প্রয়োজনের তুলনায় মাত্র একটি সূচনামাত্র। আরও বড় প্রশ্ন হলো—নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক কাঠামো চূড়ান্ত না হলে বড় আকারের পুনর্গঠন কীভাবে শুরু হবে। জাতিসংঘের মূল্যায়নেও বলা হয়েছে, ধ্বংসস্তূপ সরানো, বিস্ফোরক অবশিষ্টাংশ অপসারণ এবং ভূমি ও সম্পত্তির অধিকার নিশ্চিত করা পুনর্গঠনের পূর্বশর্ত।

গাজা পরিচালনার জন্য প্রস্তাবিত ফিলিস্তিনি কারিগরি প্রশাসনও এখনো প্রত্যাশিত ভূমিকা নিতে পারেনি। একইভাবে আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী গঠনের পরিকল্পনা থাকলেও এর পূর্ণাঙ্গ মোতায়েন হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের মেজর জেনারেল জ্যাসপার জেফার্সকে এর নেতৃত্বে আনার কথা বলা হয়েছে এবং কয়েকটি দেশ সেনা দেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে। কিন্তু বাহিনী মাঠে না নামা পর্যন্ত এটি কাগজে থাকা একটি নিরাপত্তা কাঠামোই থেকে যাচ্ছে।

ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিও ট্রাম্পের পরিকল্পনার ভবিষ্যৎকে জটিল করে তুলছে। দেশটির কট্টর ডানপন্থী নেতাদের একটি অংশ গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের ‘স্বেচ্ছায়’ অন্যত্র চলে যাওয়ার ধারণাকে সমর্থন করছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজও গত মাসে বলেছেন, গাজার সমস্যার বাস্তবসম্মত সমাধানের জন্য এই ধরনের দেশান্তরের প্রয়োজন হতে পারে। অথচ ট্রাম্পের মূল পরিকল্পনায় গাজায় ফিলিস্তিনিদের থাকার এবং অঞ্চলটি পুনর্গঠনের কথা বলা হয়েছিল। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত পরিকল্পনা ও ইসরায়েলি ডানপন্থীদের কাঙ্ক্ষিত ভবিষ্যতের মধ্যে ফারাকও ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে।

জুলাইয়ে ইসরায়েলের সীমিত আকারে আন্তর্জাতিক বাহিনীকে গাজায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্তকেও বিশেষজ্ঞরা সতর্কতার সঙ্গে দেখেছেন। আল-জাজিরার বিশ্লেষণে মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ সামাল দেওয়ার কৌশল এবং একই সঙ্গে গাজার ভূখণ্ডকে নিয়ন্ত্রিত ও খণ্ডিত রাখার প্রচেষ্টা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। তাদের মতে, ইসরায়েল পরিকল্পনার কাঠামো মেনে নেওয়ার বদলে নিজেদের নিরাপত্তাগত শর্ত অনুযায়ী এর বাস্তবায়ন করতে চাইছে।

এখানেই ট্রাম্পের পরিকল্পনার মূল রাজনৈতিক সমস্যা। একটি যুদ্ধ শেষ করার জন্য শুধু যুদ্ধবিরতি যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন নিরাপত্তা নিশ্চয়তা, রাজনৈতিক বৈধতা, ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ, পুনর্গঠনের অর্থ এবং ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা নিয়ে পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমঝোতা। গাজায় এই পাঁচটির কোনোটিই এখনো পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

ফলে এক বছর পর ট্রাম্পের পরিকল্পনার সবচেয়ে বড় অর্জন হলো পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের তীব্রতা কমিয়ে জিম্মি ও বন্দিবিনিময়ের একটি কাঠামো তৈরি করা। কিন্তু সবচেয়ে বড় লক্ষ্য—স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, ইসরায়েলি প্রত্যাহার, হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং গাজার পুনর্গঠন—এখনো অধরা।

রয়টার্সের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিকল্পনাটি এখন এমন এক অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে যেখানে প্রথম ধাপের সাফল্য পরবর্তী ধাপের অচলাবস্থাকে ঢাকতে পারছে না।  আর আল-জাজিরার বিশ্লেষকদের বক্তব্যে যে বিষয়টি বারবার উঠে এসেছে, তা হলো—ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে শুধু শর্তের পার্থক্য নয়, ভবিষ্যৎ গাজার রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাগত কাঠামো নিয়েও মৌলিক মতবিরোধ রয়েছে।

এই বাস্তবতায় ট্রাম্পের পরিকল্পনাকে পুরোপুরি ব্যর্থ বলা হয়তো এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। কিন্তু এক বছর পর এটিকে সফল শান্তি পরিকল্পনা বলার মতো বাস্তব অগ্রগতিও নেই। যুদ্ধবিরতি আছে, কিন্তু হামলা থামেনি; নিরস্ত্রীকরণের আলোচনা আছে, কিন্তু হামাস নিরস্ত্র হয়নি; সেনা প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি আছে, কিন্তু ইসরায়েল গাজার বড় অংশে অবস্থান করছে; পুনর্গঠনের অর্থের ঘোষণা আছে, কিন্তু ধ্বংসস্তূপের ওপর মানুষের জীবন এখনো আটকে আছে। এই বৈপরীত্যই গাজা প্রশ্নে ট্রাম্পের পরিকল্পনার সবচেয়ে বড় বাস্তবতা।

ডোনাল্ড ট্রাম্প

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে যাচ্ছে এনসিটি, ১৫ বছরের চুক্তি আজ

🕒 প্রকাশ: ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, ৮ই অক্টোবর ২০২৬

ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত ধরে নিয়েছেন বাংলাদেশ সবকিছু যুক্তরাষ্ট্রকে দিয়ে দিয়েছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

🕒 প্রকাশ: ০৪:১১ পূর্বাহ্ন, ৮ই অক্টোবর ২০২৬

দিল্লিতে বাংলাদেশ–ভারত বাণিজ্য বৈঠক আজ, পাটের শুল্ক ও বাণিজ্য বাধা নিয়ে ঢাকার চাপ

🕒 প্রকাশ: ০৪:০০ পূর্বাহ্ন, ৮ই অক্টোবর ২০২৬

ধর্ম, বর্ণ ও পরিচয় অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে বাধা হবে না: প্রধানমন্ত্রী

🕒 প্রকাশ: ০১:০২ পূর্বাহ্ন, ৮ই অক্টোবর ২০২৬

এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করল বিমান

🕒 প্রকাশ: ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, ৮ই অক্টোবর ২০২৬

Footer Up 970x250