বুধবার, ৪ঠা মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২০শে ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ই-হেলথ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর *** সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার মাজারে চিফ হুইপসহ হুইপবৃন্দের শ্রদ্ধা *** অন্তর্বর্তী সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে যা বললেন মির্জা ফখরুল *** চাঁদাবাজদের তালিকা করে শিগগিরই অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *** সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসারকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর *** ট্রেনে ১৪ই মার্চের ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট বিক্রি হচ্ছে আজ *** ছাড় দিচ্ছে না ইরান, বড় হচ্ছে যুদ্ধ *** ইরানের মাশহাদ শহরে দাফন করা হবে খামেনিকে *** ড. ইউনূস কি রাষ্ট্রপতি হওয়ার অপেক্ষায়? *** ‘পুলিশ হত্যাকাণ্ড কোনো অবস্থাতেই দায়মুক্তি পেতে পারে না’

সেহরির পর কতক্ষণ ঘুমানো উচিত?

লাইফস্টাইল ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১২:১২ অপরাহ্ন, ১৪ই মার্চ ২০২৪

#

ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র রমজান মাসে মুসল্লিদের সেহরি করতে ভোরের আগে উঠতে হয়। এর জন্য এই মাসে ঘুমের স্বাভাবিক নিয়মে কিছুটা পরিবর্তন আসে। তাই রোজায় সঠিক খাদ্যাভ্যাসের মতোই পর্যাপ্ত গভীর ঘুমও খুব গুরুত্বপূর্ণ। 

ইসলাম এবং স্বাস্থ্যবিজ্ঞান বলছে, রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাওয়া এবং সকালে দ্রুত ঘুম থেকে ওঠা আবশ্যক।

রমজানে সেহরি খেতে উঠতে হয় বলে রাতে একটানা ঘুমানো যায় না। ফলে অধিকাংশ মানুষই সেহরি খেয়ে আবার ঘুমিয়ে যান। কিন্তু সেহরির পরপরই ঘুমিয়ে যাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কমপক্ষে আধাঘণ্টা পর ঘুমাতে যাওয়া উচিত।

আমাদের শরীরের অভ্যন্তরে বায়োলজিক্যাল ক্লক নামে একটি প্রাকৃতিক ঘড়ি রয়েছে, যাকে দেহঘড়ি বলা হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এর নাম সার্কাডিয়ান রিদম। এই প্রক্রিয়াটি আমাদের ঘুমানো এবং ঘুম থেকে জেগে ওঠার পেছনে কাজ করে। এই প্রক্রিয়ার কারণে আমরা সাধারণত একটানা সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমিয়ে থাকি।

রোজায় এই সময়ের মধ্যে জেগে উঠতে হলে সার্কাডিয়ান রিদমে ব্যাঘাত ঘটে। আবার সেহরির পর অফিস ও দিনের কাজের জন্যও বেশিক্ষণ ঘুমানো যায় না। ফলে রমজান মাসে একটানা বেশি সময় ঘুমানোর সুযোগ নেই। এ জন্য রাতে যত তাড়াতাড়ি ঘুমানো যায় তত ভালো, বিশেষ করে তারাবি নামাজ পড়ে যত দ্রুত ঘুমানো যাবে, তত বেশি ঘুমানোর সময় পাওয়া যাবে।


রাতের ঘুমের অভাব পূরণ করতে অধিকাংশ মানুষই সেহরি খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। এতে একদিকে যেমন ওজন বেড়ে যায়, অন্যদিকে হজমে সমস্যা দেখা দেয়। কেননা খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়লে আমাদের মেটাবলিজমের হার কমে যায়। এতে মুটিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

তাই সেহরির পর নামাজ পড়ুন, কুরআন তেলাওয়াত করুন। সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে না পড়ে কমপক্ষে আধাঘণ্টা পর বিছানায় যেতে পারেন। কিন্তু আমাদের মধ্যে অনেককেই দেখা যায় সেহরি খাওয়ার পর পরই ঘুমিয়ে পড়েন। এ কাজটি পরিহার করা উচিত।

আবার যাদের হাঁটার অভ্যাস আছে তারা হাঁটতে যাবেন বলে চিন্তা করতে পারেন। কিন্তু এটাও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ভরা পেটে হাঁটলে শরীরের ওপর চাপ বাড়ে, এতে স্বাস্থ্যহানি হতে পারে।  

এ জন্য রমজান মাসে রাত ১১টার মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়ুন। রাতে উঠে সেহরি খেয়ে ফজর নামাজ পড়ে কিছুক্ষণ সময় অতিবাহিত করে এরপর ঘুমাতে যেতে পারেন। অথবা অফিস শেষ করে দুপুরের পর এসে ঘুমাতে পারেন। এ ঘুমটাও আপনাকে সতেজ ও স্বাভাবিক থাকতে সাহায্য করবে।

এস/ আই. কে. জে/ 

ঘুম রোজা পালন

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250