ছবি: সংগৃহীত
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দ্বিতীয় হামলায় একজন নিহত এবং ১১ জন আহত হয়েছেন। সৌদি সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, গতকাল রোববার কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি প্রজেক্টাইল (ক্ষেপণাস্ত্র) আঘাত হানে, যার ফলে এর একটি প্যাসেঞ্জার হলে আগুন ধরে যায়। এই হামলায় একজন পাকিস্তানি বাসিন্দা নিহত হয়েছেন।
গত দুইদিনে রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের এটি দ্বিতীয় হামলা। চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে একই ধরনের হামলায় এই বিমানবন্দরে ১৩ জন নিহত এবং ৩০৮ জন আহত হওয়ার এক দিন পরই এ ঘটনা ঘটল।
ইয়েমেনের হুতিরা এ হামলার দায় স্বীকার করেছে। গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় তারা ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ড্রোন ব্যবহার করে বিমানবন্দরটিকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। তাদের সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি বলেছেন, তারা পূর্ব সৌদি আরবের তেল স্থাপনা এবং দাম্মাম বিমানবন্দরেও হামলা চালিয়েছে।
পবিত্র নগরী মক্কা ও মদিনার বিমানবন্দরগুলো ছাড়া সৌদি আরবের অন্যান্য সব বিমানবন্দর সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু বলে সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি। সৌদি আরবের অভ্যন্তরে হামলার হুমকিও দিয়েছেন তিনি।
হুতিরা জানিয়েছেন, ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে সরকারি বাহিনীর প্রতি তাদের সমর্থন এবং সানায় বিমানবন্দরে চালানো বিমান হামলার কারণেই তারা সৌদি আরবকে লক্ষ্যবস্তু করছেন।
গতকাল রোববার সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি বলেন, রিয়াদ বিমানবন্দরের কাছে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একটি ক্ষেপণাস্ত্র ইন্টারসেপ্ট করেছে, অন্যদিকে ৪ নম্বর প্যাসেঞ্জার হলে আঘাত হানা একটি অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের কারণে সৃষ্ট আগুন নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, হুতিদের ওপর হামলা চালানো হবে কি না সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে। এ বিষয়ে খুব দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং ইঙ্গিত দিয়েছেন, যুক্তরাজ্য সম্ভবত সৌদি আরবকে আরও বেশি সহায়তা প্রদান করতে পারে।
খবরটি শেয়ার করুন