রবিবার, ৬ই এপ্রিল ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
২২শে চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস আজ *** শুল্ক নিয়ে সরাসরি আমেরিকার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন ড. ইউনূস *** খেলাধুলা শিশু ও তরুণদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে: প্রধান উপদেষ্টা *** ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘জিহাদের’ আহ্বানে বিরল ‘ফতোয়া’ জারি *** ‘দুই নেতার বৈঠকের পর সম্পর্কের বরফ কতটা গলছে’ *** আপনার প্রতি হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি, আমরা সব সময় সম্মান করি: ইউনূসকে মোদি *** এখন থেকে কাদের সিদ্দিকী ‘জয় বাংলা’ বলবেন যে কারণে *** এবার ঈদের ছুটিতে ৭ দিনে ঢাকা ছাড়েন ১ কোটি ৭ লাখ সিমধারী *** বিমসটেক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি *** আমেরিকান শুল্ক নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার জরুরি বৈঠক আহ্বান

এবার জর্জিয়া দখলের হুমকি রাশিয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, ২৩শে আগস্ট ২০২৩

#

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (ডানে) এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ: ফাইল ছবি

পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য হওয়ার জন্য জর্জিয়ার উদ্যোগে ক্ষিপ্ত রাশিয়া। এতে করে দেশটির দুটি অঞ্চল রাশিয়ার ভূখণ্ডের সঙ্গে সংযুক্ত করে নেওয়ার হুমকি দিয়েছে মস্কো।  

রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ও ক্রেমলিনের শক্তিশালী নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি দিমিত্রি মেদভেদেভ দক্ষিণ ওশেটিয়া ও আবখাজিয়াকে রাশিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার হুমকি দিয়েছেন। 

ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে এবার ইউরোপের আরেক দেশ জর্জিয়ার দিকে নজর দিচ্ছে রাশিয়া। 

মস্কোভিত্তিক সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘আগুমেন্তি আই ফ্যাক্তি’ বুধবার (২৩ আগস্ট) দিমিত্রি মেদভেদেভের লেখা একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছে। 

এতে তিনি দুই অঞ্চলকে রাশিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি জর্জিয়াকে ন্যাটোভুক্ত করতে আলোচনার চেষ্টার মধ্য দিয়ে এই অঞ্চলকে পশ্চিমারা অস্থিতিশীল করতে চাইছে বলে অভিযোগ করেন। খবর আলজাজিরার। 

মেদভেদেভ নিবন্ধে লিখেছেন, দক্ষিণ ওশেটিয়া ও আবখাজিয়া অঞ্চলকে রাশিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত করার ধারণা এখনো বেশ জনপ্রিয়। যদি যৌক্তিক কোনো কারণ থাকে, তাহলে এই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দেওয়া হতে পারে।

১৯৯১ সালে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর দক্ষিণ ওশেটিয়া ও আবখাজিয়ার ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারায় জর্জিয়া। নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার চেষ্টায় ২০০৮ সালে রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক সংঘাতে জড়ায় জর্জিয়া। এই অভিযান ছিল সংক্ষিপ্ত, তবে রক্তক্ষয়ী। এর পর থেকে জর্জিয়ার এই দুই অঞ্চলকে ‘স্বাধীন ভূখণ্ড’ হিসেবে বিবেচনা করছে মস্কো।

২০০৮ সালের ওই সংক্ষিপ্ত রক্তক্ষয়ী সামরিক অভিযান এবং দক্ষিণ ওশেটিয়া ও আবখাজিয়াকে ‘স্বাধীন’ অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতির ১৫তম বর্ষপূর্তিতে সংবাদপত্রে নিবন্ধটি লিখেছেন মেদভেদেভ।

এদিকে নিরাপত্তা উদ্বেগ থেকে ন্যাটোর সঙ্গে যুক্ত হতে চায় জর্জিয়া। এই পরিস্থিতিতে মেদভেদেভ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জর্জিয়ার ন্যাটোভুক্ত হওয়ার বিষয়ে আমাদের আশঙ্কা যদি বাস্তবতার কাছাকাছিও যায়, তাহলে আমরা আর পাল্টা পদক্ষেপ নিতে অপেক্ষা করব না।

আরো পড়ুন; বাজপাখির কাউন্ট ডাউন শুরু, এফ-১৬ এখন ইউক্রেনে

তবে সাথে সাথে জর্জিয়ার পক্ষ থেকে হুমকির জবাবে বলা হয়েছে, পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে দেশটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কেননা দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ধরে রাখার পথে এটা সবচেয়ে কার্যকর কৌশল।

এদিকে সামরিক জোট ন্যাটোর ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, জর্জিয়া ন্যাটো জোটের ঘনিষ্ঠ অংশীদারদের একটি।

এতে আরও বলা হয়েছে, ন্যাটোর সদস্য হতে চায় জর্জিয়া। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ন্যাটো ও জর্জিয়ার মধ্যে একটি ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। এই সম্পর্ক জর্জিয়ার সংস্কার প্রচেষ্টা ও ইউরো-আটলান্টিক এক করার ধারণাকে সমর্থন করে।

এর আগে ২০১৪ সালে সামরিক অভিযান চালিয়ে ইউক্রেনের ক্রিমিয়া দখল করে নেয় রাশিয়া। আর চলমান যুদ্ধ শুরুর পর ইউক্রেনের চার অঞ্চলকে আনুষ্ঠানিকভাবে রুশ ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে মস্কো। অঞ্চল চারটি হলো দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, জাপোরিঝঝিয়া ও খেরসন।

এসকে/ 



রাশিয়া ইউক্রেন ন্যাটো জর্জিয়া

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন