বুধবার, ২রা সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৮ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** দেশজুড়ে বোমা বিস্ফোরণ ও উদ্ধারে নতুন উদ্বেগ, পেছনে কি একই গোষ্ঠী? *** চলন্ত ট্রেনে নারীকে ধর্ষণ: ৪ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার *** ‘মক্কা চুক্তিকে’ ইরানের বিরুদ্ধে মনে করে না তেহরান, বাংলাদেশের সিদ্ধান্তেও উদ্বিগ্ন নয় *** প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী দীনেশ ত্রিবেদী *** কারাগারে অসুস্থ ফারজানা রূপা হাসপাতালে *** সৌদিতে রমজানের কাউন্টডাউন শুরু, সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ *** সাংবাদিকদের ওপর হামলা, মামলা ও হুমকি থেমে নেই—বদলেছে সরকার, বদলায়নি ঝুঁকি *** প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের পারিবারিক প্রতিষ্ঠানে ৭১ কোটি টাকার সরকারি কাজ *** হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি জ্বালানিমন্ত্রী টুকু *** লঘুচাপে টানা বৃষ্টির আভাস, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা

বর্তমানে আয়োডিনযুক্ত লবণ খাচ্ছে ৭৬ শতাংশ পরিবার

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৪:৫২ অপরাহ্ন, ২১শে অক্টোবর ২০২৩

#

ছবি: সংগৃহীত

বর্তমানে দেশের ৭৬ শতাংশ পরিবার আয়োডিনযুক্ত প্যাকেট লবণ খাচ্ছে। তিন দশক আগে এ হার ছিল অনেক কম। ফলে ওই সময় (১৯৯৩ সাল) আয়োডিনের অভাবজনিত সমস্যার হার ছিল ৬৮ দশমিক ৯০ শতাংশ। যা এখন কমে দাঁড়িয়েছে ২৪ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। আগে ৮ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ মানুষের মাঝে গলগণ্ড এবং শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ মানুষের মাঝে বামনত্ব ছিল।

বিশ্ব আয়োডিন দিবস উপলক্ষে শনিবার (২১ অক্টোবর) এক আলোচনা সভায় এসব তথ্য জানানো হয়। স্বল্প পরিসরে বাংলাদেশে দিবসটি পালন করে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)। এবারই দেশে প্রথমবারের মতো দিবসটি পালিত হলো।

আলোচনা সভায় বলা হয়, আয়োডিন মানুষের স্বাভাবিক, মানসিক ও শারীরিক বৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য। দেশে অনুপুষ্টির অভাবজনিত সমস্যার মধ্যে আয়োডিন ঘাটতিজনিত সমস্যা ছিল অন্যতম। নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত ছিল এ সমস্যা। ওই সময় গলগণ্ড, হাবাগোবা, বামনত্ব, অকাল গর্ভপাত, শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধীত্বসহ বিভিন্ন সমস্যা প্রকট ছিল। যা এখন উন্নতি হয়েছে।

সভায় জানানো হয়, কোনো দেশের ৯০ শতাংশ মানুষ আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করলে সে দেশ আন্তর্জাতিকভাবে আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহারে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে। আর মাত্র ১৪ শতাংশ মানুষকে আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহারের আওতায় নিয়ে আসতে পারলেই বাংলাদেশ সে স্বীকৃতি অর্জন করবে।

বিসিক চেয়ারম্যান বলেন, একসময় দেশের বেশকিছু স্থানে বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে আয়োডিন ঘাটতিজনিত সমস্যা ব্যাপক আকারে দেখা দেয়। সে সময় পথেঘাটে গলগণ্ড রোগী দেখা যেত। এসব সমস্যা থেকে উত্তরণের বিসিক আয়োডিন ঘাটতিজনিত সমস্যা নিরসনে সর্বজনীন আয়োডিনযুক্ত লবণ উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে নব্বই দশক থেকে। কার্যক্রমের অংশ হিসেবে লবণ মিলের নিবন্ধন প্রদান, মিলসমূহকে পটাশিয়াম আয়োডেট সরবরাহ ও কারিগরি সহায়তা প্রদান, লবণমিল ও বাজার পর্যায়ে মনিটরিং এবং আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহারে সচেতনতামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এখন পরিস্থিতি অনেক ভালো হয়েছে। দীর্ঘ তিন দশকের পরিশ্রমের ফলে দেশ দৃশ্যমান গলগণ্ড এবং বামনত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়েছে।

আরো পড়ুন: নিয়মিত ধূমপায়ীদের ফুসফুস ভালো রাখতে যা খাবেন

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিসিক চেয়ারম্যান মাহবুবর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব নূরুজ্জামান এনডিসি, বিসিকের পরিচালক (অর্থ) কামাল উদ্দিন বিশ্বাস, পরিচালক (পরিকল্পনা ও গবেষণা) আহসান কবীর, পরিচালক (শিল্প উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ) মোহাম্মদ জাকির হোসেন, পরিচালক (প্রশাসন) শ্যামলী নবী, পরিচালক (দক্ষতা ও প্রযুক্তি) কাজী মাহাবুবুর রশিদ প্রমুখ।

আরও ছিলেন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনালের (এনআই) কান্ট্রি ডিরেক্টর সায়কা সিরাজ, গেইনের পোর্টফোলিও লিড ড. আশেক মাহফুজ, বাংলাদেশ লবণ মিল মালিক সমিতির সভাপতি নুরুল কবির।

এসকে/ 

পরিবার আয়োডিনযুক্ত লবণ গলগণ্ড

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250