শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৮ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** দেশের বিভিন্ন কারাগারে ৪০৭ বিদেশি, সাজা শেষে ফেরার অপেক্ষায় ১৭২ *** সাজেক সড়কে অবরোধ অব্যাহত, রিসোর্টের ৬০ শতাংশ বুকিং বাতিল *** দ্রুততম মানব ইমরানুর, মুকুট ধরে রাখলেন শিরিনও *** ১৩ বছর বয়সী ছাত্রীকে ধর্ষণে সহায়তা করেছিলেন মাদ্রাসাশিক্ষকের স্ত্রী, গ্রেপ্তার *** কোনো কিছুই পক্ষে নেই, কেন কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি সৌদি যুবরাজ *** ‘শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরছেন’ জানিয়ে নওগাঁয় মাইকিং *** ছাত্রীকে যৌন হয়রানির খবরে মহিলা মাদ্রাসায় আগুন, শিক্ষককে পুলিশে সোপর্দ *** ১৩ বছর বয়সী ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, মাদরাসা শিক্ষক পলাতক *** টঙ্গীতে শিশুকে যৌন নিপীড়ন: মাদ্রাসাশিক্ষককে থাপ্পড়ের ভিডিও ভাইরাল, থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ *** বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্টের আগে সুখবর দিল বিসিবি

র‍্যাগিং করেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী!

বিনোদন ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, ১০ই অক্টোবর ২০২৩

#

ছবি-ফাইল

মিঠুন চক্রবর্তী ও শক্তি কপুর বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা। দু'জনেই তাঁদের কেরিয়ারের শুরু দিকে বেশ কিছু ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছেন। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ‘ডান্স ডান্স’, 'বাদল’, ‘প্যায়ার কা কর্জ’, 'গুন্ডা’। 

একটা দীর্ঘ সময় ইন্ডাস্ট্রিতে কাটানোর পর মিঠুনকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন শক্তি। বললেন, মিঠুন নাকি তাঁকে র‌্যাগিং করেছিলেন। এমনকি, তাঁর চুল কেটে অন্ধকার ঘরে বন্ধ করে রাখেন। কাকুতি-মিনতিতেও লাভ হয়নি।

মিঠুন ও শক্তি দু'জনেই পুণের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউশনের ছাত্র ছিলেন। মিঠুন ছিলেন শক্তির সিনিয়র। সেখানে পড়াকালীন মিঠুন ও তাঁর বন্ধুরা মিলে শক্তিকে দীর্ঘ সময় ধরে র‌্যাগিং করেছিলেন। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে শ্রদ্ধা কপুরের বাবা তাঁর এফটিআইতে পড়ার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। 

যে সময় মিঠুন ও শক্তি এফটিআইতে পড়ছিলেন, সেই সময় রাকেশ রোশনও ছিলেন সেখানকার ছাত্র। তাঁর সঙ্গেই হস্টেলে গিয়েছিলেন শক্তি। ঢুকেই দেখেন, এক ব্যক্তি শারীরিক কসরত করছেন। তিনিই মিঠুন। সেই সময় মিঠুনকে বিয়ার খাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন শক্তি। মিঠুনের উত্তর এসেছিল, তিনি মদ্যপান করেন না।

আরো পড়ুন: ‘ওয়াই প্লাস’ নিরাপত্তা পাচ্ছেন শাহরুখ, সাথে থাকবে ৬ কমান্ডার, ৪ পুলিশ

তার পর রাকেশ চলে যেতেই নাকি আসল রূপ ধারণ করেন মিঠুন। শক্তির চুলের মুঠি ধরে মিঠুন বলেছিলেন, ‘‘ভুলে যেও না আমি তোমার সিনিয়র।’’ তার পরই তাঁকে একটি ঘরে নিয়ে যান মিঠুন এবং কোনায় বসিয়ে রাখেন। সঙ্গে-সঙ্গে দুজন বন্ধুকেও ডাকেন। 

ঘরের আলো নিভিয়ে দেওয়া হয়। কেবল শক্তির মুখের উপর ছিল আলো। জিজ্ঞেস করেন, “এ বার বলো তুমি কি বিয়ার খাবে?” শক্তি আরও বলেন, "ওরা বলেছিল, আমি নাকি কলেজে ঢুকেছি হিরোদের মতো। সেই সময় কাঁচি নিয়ে এসে আমার চুল কেটে দিয়েছিল ওরা। ’’

শক্তি বলেন, আমি কাঁদতে শুরু করেছিলাম। ওদের পা ধরেছিলাম। তার পর আমাকে সুইমিং পুলে নিয়ে যায় ওরা। ৪০টি ল্যাপ করতে বলেছিল। আমি তখনও কাঁদছিলাম। শেষমেশ ওরা আমাকে ছেড়ে দেয়। তবে সে সব কাহিনি এখন কেউই মনে রাখেননি। দু'জনের পেশাদার জীবনেও তা প্রভাব ফেলতে পারেনি।

এসি/ আই.কে.জে


মিঠুন চক্রবর্তী র‌্যাগিং

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250