শনিবার, ৩০শে আগস্ট ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ঢামেকে এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ আসিফ নজরুল, বেরোলেন বাগান গেট দিয়ে *** কাকরাইলে দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি প্রসঙ্গে আইএসপিআরের বক্তব্য *** আসিফ নজরুলকে 'ভণ্ডামি বাদ দিতে' বললেন হাসনাত আবদুল্লাহ *** অনলাইনে মিথ্যা তথ্য দিয়ে পণ্য বিক্রি করলে জেল ও জরিমানা *** মুরগি খাওয়া রোধে পাতা ফাঁদে ধরা পড়ল মেছো বাঘ *** আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির সময় তাহলে ফুরিয়ে এল *** লতিফ সিদ্দিকী যা বললেন আদালতে *** ভারতে ইসলাম থাকবে, মানিয়ে নিতে শিখুন: আরএসএস প্রধান *** আটকের ১২ ঘণ্টা পর মামলা লতিফ সিদ্দিকী, শিক্ষক কার্জনসহ ১৬ জন কারাগারে *** নির্বাচনী কর্মকর্তাদের জুতার মালা ও জেলের কথা মনে করিয়ে দিলেন ইসি

ষড়যন্ত্র উতরে বেঁচে গেলেও শেষ পর্যন্ত স্বাধীন দেশে হত্যা

সম্পাদকীয়

🕒 প্রকাশ: ১২:৫৮ অপরাহ্ন, ৮ই আগস্ট ২০২৩

#

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

আদিত্য মামুন

পাকিস্তানের মিয়ানওয়ালি কারাগার থেকে ধানমণ্ডি ৩২। সবখানেই মুজিবকে হত্যা করতে চেয়েছিল পাক-মার্কিন এজেন্ট। জেলখানায় কয়েদি লেলিয়ে হত্যাচেষ্টা থেকে বেঁচে গেলেও ধানমণ্ডি হয়েছে রক্তাক্ত। খুনি আর তাদের পরামর্শদাতা এখনও সোচ্চার নানান ইস্যুতে। 

১৯৭১ সালের ৭ মার্চের আগে ও পরে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিপক্ষে বরাবরই ছিল মার্কিন চাপ। ভূ-রাজনীতির স্বার্থে মার্কিন-পাকিস্তান মিত্রতায় হেনরি কিসিঞ্জার চ্যালেঞ্জ মেনেছিলেন অবিসংবাদিত মুজিবকে। যে কারণে ২৫ মার্চ শেখ মুজিবকে গ্রেফতারের পর থেকেই তাঁকে অধিকতর নজরদারিতে রেখেছিল আমেরিকা।

সাবেক রাষ্ট্রদূত ওয়ালিউর রহমান বলেন, “কিসিঞ্জারের ক্ষমতার দাপট যখন সারাবিশ্বে তখন শেখ মুজিব তার কথা রাখেননি। তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সৃষ্টি করেছেন মুজিব। বিষয়টি ভালোভাবে নেননি কিসিঞ্জার।”

লায়ালপুর আর মিয়ানওয়ালি জেলে একাধিকবার হত্যার চেষ্টাও করেছে পাক প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার অনুগতরা। ফাঁসির আদেশ হওয়ার পর কবরও খুঁড়েছিল তারা। সাধারণ মানুষকে উস্কে দিতে ভাড়াটে সাংবাদিক আমির তাহিরিকে দিয়ে ইরানের কায়হান ইন্টারন্যাশনাল পত্রিকায় মুজিব সম্পর্কে বিতর্কিত প্রতিবেদনও করেছিল পাকিস্তান সরকার।

এতো ষড়যন্ত্র উতরে বেঁচে গেলেও শেষ পর্যন্ত স্বাধীন দেশের খুনিরা হত্যা করে জাতির জনককে। 

২০০৮ সালের নির্বাচনে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। সার্বজনীন দাবির প্রেক্ষিতে ক’জনের ফাঁসি কার্যকর হলেও আত্মস্বীকৃত খুনিরা দিব্যি বাস করছে আমেরিকা আর কানাডায়। মানবাধিকারের কথা বলে দেশ দুটি বঙ্গবন্ধুর খুনিদের আশ্রয়ও দিয়ে রেখেছে।

আরো পড়ুন: বঙ্গবন্ধু রয়েছেন আমাদের নিশ্বাসে-প্রশ্বাসে

সাবেক রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জমির বলেন, “খুনিদের একজন কানাডায় ও আরেকজন আমেরিকায় রয়েছে। তাদেরকে বলা হয়েছে, বিচার ব্যবস্থার অনুসারে তাদেরকে আমাদের দেশে পাঠাও। 

তখন কয়েকজন বলেছিল, যারা যে দেশে ক্যাপিটাল পানিসমেন্টে আছে সে দেশে আমরা কোনো কনভিক্টকে পাঠাবো না। কিন্তু তোমরা যে লাখ লাখ লোককে খুন করেছো আফগানিস্তান-ইরাক-সিরিয়ায় ও বিভিন্ন জায়গায়। তাদেরকে কি কোর্টের অনুমতি নিয়ে করেছিলে।”

আমেরিকা বাংলাদেশের মানবাধিকার নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন তোলে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, শেখ হাসিনার অধিকতর উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতেই তারা একের পর এক এমন কর্মকাণ্ড করছে। 

মোহাম্মদ জমির বলেন, “যখন ন্যান্সি ফেলোসিস স্পিকারের চেয়ারের উপরে উঠে প্রসাব করলো, ওনার ল্যাপটপ চুরি করে নিয়ে গেলো তখন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল কি কিছু বলেছিল। কিছুই বলেনি, চুপচাপ ছিল। কেন চুপচাপ ছিল। এখনও ডোনাল্ড ট্রাম্প মানছে না যে সে নির্বাচনে হেরেছিল।”

এসি/ আই. কে. জে/ 



স্বাধীন দেশ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন