শনিবার, ২৮শে মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৪ই চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ কমিটির প্রথম বৈঠক চলছে *** ৫ আগস্টের আগে ও পরে পুলিশ হত্যার বিচার হবে: আইজিপি *** শরীয়তপুরে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগ *** ঝিনাইদহে স্বাধীনতা দিবসে ইউএনওর বক্তব্যে বিএনপির ক্ষোভ, ভিডিও ভাইরাল *** মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের সবচেয়ে গৌরবজনক অর্জন, এর সঙ্গে অন্য ঘটনা মেলানোর সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *** স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তিকে রুখে দিতে হবে, কোনোভাবেই ছাড় হবে না: মির্জা ফখরুল *** আলোচনার নামে এমন কিছু করা উচিত নয়, যা মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করে: প্রধানমন্ত্রী *** ড. ইউনূস ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে পারেননি কেন? *** সরকার এপ্রিল পর্যন্ত জ্বালানি নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী *** তেল সরবরাহ স্বাভাবিক, তবে কালোবাজারির প্রভাব আছে: জ্বালানিমন্ত্রী

আতা ফলের শত গুণ

লাইফস্টাইল ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, ৩১শে অক্টোবর ২০২৩

#

ছবি: সংগৃহীত

বাজারে এখন নানান ফলের ভিড়ে পাওয়া যাচ্ছে আতাফল। এটি অনেকের কাছে শরিফা নামেও পরিচিত। আতা ফল ভিটামিন বি এর সমৃদ্ধ উৎস, যা শরীরে ডোপামিনের উৎপাদন বাড়ায়। সুপারফুড আতার আরও বেশ কিছু উপকারিতা রয়েছে। ভারতীয় একটি গণমাধ্যম প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে এমনই কিছু উপকারিতার কথা।  

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট : উচ্চ অক্সিডেটিভসম্পন্ন স্ট্রেস ক্যান্সার, হৃদরোগের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগের কারণ হতে পারে। আতা ফলে থাকা কৌরেনোইক অ্যাসিড, ভিটামিন সি ফ্ল্যাভোনয়েড এবং ক্যারোটিনয়েডের মতো শক্তিশালী যৌগ দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে : আতা ফলে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায় যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও, আতা ফল হৃৎপিণ্ড সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে, উচ্চ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগ যেমন স্ট্রোক, হৃদরোগ ইত্যাদি প্রতিরোধ করে।

হজমশক্তির উন্নতি ঘটায় : আতা ফলে উচ্চ ফাইবার থাকায় এটি কোষ্ঠকাঠিন্য এবং ডায়রিয়ার মতো হজমের সমস্যাগুলি দূর করতে সহায়তা করে। এই ফলে উপস্থিত ফ্যাটি অ্যাসিড হজম প্রক্রিয়াকে প্রদাহের মতো রোগ থেকে রক্ষা করে এবং শরীরে শক্তি জোগায়।

কোলেস্টেরল কমায়: অকারণে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বজায় রাখতে আতা ফল খেতে পারেন। এতে নিয়াসিন ভিটামিন পাওয়া যায়। নিয়াসিন ভিটামিন শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা ভারসাম্য বজায় রেখে হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। 

আরো পড়ুন : আপেল-স্ট্রবেরি নয়, পেয়ারা বা বরই খেলেই মিলবে উপকার

রক্তস্বল্পতা নিরাময় করে : রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে আতা ফল খেতে পারেন। কখনও কখনও ফোলেটের অভাবের কারণেও শরীরে রক্তশূন্যতা হতে পারে। ফোলেট-সমৃদ্ধ আতা ফল শরীরে ফোলেটের অভাব দূর হয়। সেই সঙ্গে এটি রক্তাল্পতার ঝুঁকি রোধ করতে উপকারী হতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, আতা ফলে রয়েছে ভিটামিন সি, যা আয়রন শোষণে সাহায্য করতে পারে। সুতরাং, যখন অন্যান্য খাবারের সাথে যদি আতা ফল খাওয়া হয়, তখন এটি শরীরের অন্যান্য খাবারে উপস্থিত আয়রন শোষণ করতে সাহায্য করতে পারে।

ওজন বাড়াতে সাহায্য করে: আতা ফল শক্তির উৎস।  এটি ওজন বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। পাশাপাশি অন্যান্য খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত ব্যায়ামের দিকেও মনোযোগ দেওয়া জরুরি।

হাঁপানি রোগীদের স্বস্তি দেয়: হাঁপানি একটি চিকিৎসা অবস্থা যা প্রদাহের কারণে ঘটে। আতা ফল খেলে কিছুটা হলেও স্বস্তি পাওয়া যায়। এটি চমৎকার অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্যযুক্ত একটি ফল। বৈজ্ঞানিক গবেষণা অনুসারে, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য অ্যাজমার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

এস/ আই.কে.জে

ফল উপকারিতা আতা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250