বৃহস্পতিবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৪ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** প্রধান উপদেষ্টাসহ সব উপদেষ্টার বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্ত করবে দুদক *** গভর্নরের নিয়োগ হঠাৎ বাতিল করে সমালোচনার মুখে সরকার *** মার্কিন শুল্ক নিয়ে সতর্ক ঢাকা, দেখেশুনে সিদ্ধান্ত *** মব ‘আতঙ্কে’ সরকারি বাসভবন ছাড়তে ‘অনীহা’ সাবেক উপদেষ্টাদের *** জাপান যাবেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, চলতি মাসেই যমুনা ছাড়বেন *** গভর্নর বদল নিয়ে দিনভর যা হলো *** ‘মবের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডগুলোর জন্য ইউনূস সরকার দায়ী’ *** দ্য হান্ড্রেডে ভারত-পাকিস্তান ‘ঝামেলা’ নিয়ে মুখ খুলল ইংল্যান্ড *** বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার পর যৌন কেলেঙ্কারিতে তোলপাড় ইতালি *** সৌদি আরবের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পকেটের মধ্যেই সস্তায় সম্পূর্ণ কম্পিউটার!

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৯:৩৮ অপরাহ্ন, ১০ই ডিসেম্বর ২০২৩

#

ছবি : সংগৃহিত

বর্তমান যুগেও অনেকেই প্রযুক্তির নাগাল পান না। আর সেটা নির্ভর করে আর্থিক সামর্থ্যের ওপর। প্রতিটা মানুষের কম্পিউটার ব্যবহারের সুযোগ থাকা উচিত বলে মনে করেন উগান্ডার সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ইভান কারুগাবার। এমন একটি উদ্যোগে নিজেই টাকা ব্যয় করছেন তিনি। ২০১৭ সালে ‘ফিউজ স্টিক’ নামের সস্তার মিনি কম্পিউটার তৈরি করেন তিনি।

কারুগাবা মনে করেন, প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আমরা বাকি বিশ্বের তুলনায় অনেকটা পিছিয়ে আছি। তিনি বলেন, মহাদেশ হিসেবে আফ্রিকার দিকে তাকালে এমনটাই বোঝা যায়। আমরা উদ্ভাবন করতে পারি না, আফ্রিকার মানুষ সম্পর্কে এমন প্রচলিত ধারণা আমি বদলাতে চাই। মানুষের উদ্ভাবনী শক্তি কাজে লাগিয়ে আমরা এমন সব কিছুর নাগাল পেতে চাই।’ অনেকটা মেমরি স্টিকের মতো কাজ করে মিনি কম্পিউটার। এর ভেতরে সাধারণ কম্পিউটার প্রোগ্রাম ভরা রয়েছে। সেই স্টিক যেকোনো স্মার্ট স্ক্রিনে ঢুকিয়ে দিলে কিছুক্ষণের মধ্যেই কম্পিউটারের সুবিধা পাওয়া যায়। আর এর আকর্ষণ মূল্যতে। এর বর্তমান মূল্য প্রায় ৭০ ডলার । যা কিনা প্রায় পাঁচ গুণ কম উগান্ডায় প্রচলিত কম্পিউটারের তুলনায়।

আরো পড়ুন : যেভাবে মোবাইল ফোনে ভূমিকম্প সতর্কতা চালু করবেন

এক পরীক্ষামূলক ইউনিট হাতে পেয়েছিলেন ডেন্টাল ছাত্রী সামান্থা আসিমওয়ে। সেসময় থেকেই সেটি ব্যবহার করে চলেছেন তিনি। আড়াই লাখ উগান্ডান শিলিং দিয়ে একটি ইউনিট কিনেছিলেন বলে তিনি নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। তার এটা দারুণ কাজে লেগেছে বলে জানান। কারণ তিনি এক টেলিভিশনের পর্দায় সব কাজ করতে পারছিলেন। তিনি আরও বলেন, আমি আমার রিপোর্ট প্রিন্ট করতে পারি, লিখতে পারি, আমার তথ্য জমা রাখতে পারি। এমনকি এটাতে মিউজিকের ব্যবস্থা থাকায় মাঝে মাঝে কানে হেডফোন লাগিয়ে গানও শুনতে পারি।

কারুগাবার আশা করছেন মিনি কম্পিউটারের দাম আরও কমানো যাবে। কারণ এটা চালাতে প্রয়োজনের তুলনায় কম শক্তি লাগে। তিনি বলেন,‘আমাদের ডিভাইস চালাতে প্রায় চার ওয়াট শক্তি লাগে। যা এনার্জি সেভিং বাল্বের তুলনায় অনেক কম। এখানকার চূড়ান্ত ব্যবহারকারীর কাঁধে এমনিতেই জ্বালানি বাবদ ব্যয়ের বিশাল বোঝা রয়েছে। সাধারণ ল্যাপটপ চালাতে ৬৫ ওয়াট আর ডেস্কটপ সেটআপ চালাতে প্রায় ১২৫ ওয়াট লাগে। ফলে আমাদের পণ্য অনেক বেশি সাশ্রয় করে।’

কাম্পালার বেশিরভাগ জঞ্জাল গিয়ে পড়ে এমন উপচে পড়া আবর্জনার স্তূপে। এর মধ্যে পুরোনো বাতিল কম্পিউটারের মতো ইলেকট্রনিক বর্জ্যও থাকে। কারুগাবা পরিবেশের ক্ষতি যতটা সম্ভব এড়াতে চান। পকেটে ভরা যায়, এমন ডিভাইসের ডেস্কটপ প্রযুক্তি দিয়ে।

কারুগাবা ১৫০ বেশি মিনি কম্পিউটার তৈরি করেছেন গত দুই বছরে। কারুগাবা আরও বড় আকারে উৎপাদন বাড়িয়ে বাজারে প্রবেশের আশা করছেন। আর এ জন্য সদ্য আর্থিক অনুদানও পেয়েছেন তিনি।

এস/ আই.কে.জে/

কম্পিউটার পকেটের মধ্যেই

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250