মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৭ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘শেখ হাসিনা কেন এখনো এনডিটিভির চোখে প্রধানমন্ত্রী’ *** গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকবে কি না, সিদ্ধান্ত পুলিশের ব্যবস্থা দেখে *** এত কিছুর পরেও গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ থাকে কীভাবে: টিআইবি *** ঋণ পরিশোধ না করায় মেসির নতুন ক্লাবের শেয়ার জব্দ *** লঞ্চভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব *** বর্তমান সরকারের জন্য এয়ারবাস হলো ‘পরীক্ষা’: ফরাসি রাষ্ট্রদূত *** আসাদ আলম সিয়ামকে দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার করার সিদ্ধান্তে সম্মতি ভারতের *** কুড়িগ্রামে সারের দাবিতে সড়ক অবরোধ, পরে বিতরণ শুরু *** রিমান্ডে গাজী নজরুলের প্রথম স্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন, আদালতকে জানালেন তদন্ত কর্মকর্তা *** সৌদির অনুরোধে হুতিদের বিরুদ্ধে হামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ট্রাম্প, সরে দাঁড়ান শেষ মুহূর্তে

কোন প্রাণী ঘুমায় না?

ডেস্ক নিউজ

🕒 প্রকাশ: ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, ৪ঠা আগস্ট ২০২৩

#

প্রতীকী ছবি

ঘুমাতে কে না ভালোবাসে? ছুটির দিনে কিংবা অবসর মিললেই ঘণ্টা দুয়েক বেশি ঘুমান অনেকে। কাজের চাপে বা ক্লান্তিতে প্রায়ই দু চোখ জড়িয়ে আসে। কিন্তু জানলে অবাক হবেন, এমন একটি প্রাণী রয়েছে যে কখনোই ঘুমায় না? 

এই প্রাণীটি কিন্তু আমাদের সবার চেনা। হ্যাঁ, কখনো ঘুমায় না যে প্রাণীটি সেটি পিঁপড়া। বিশ্বের একমাত্র প্রাণী এটি যারা কখনো ঘুমায় না। 

পিঁপড়ার সারাদিন কাটে ব্যস্ততা আর ছোটাছুটিতে। হাজার কাজ আর পরিশ্রমে সময় কাটে তাদের। তবুও তাদের ঘুম নেই। তাই বলে বলে পিঁপড়া বিশ্রাম নেয় না এমনটা নয়। দিনে প্রায় ২৫০ বার বিশ্রাম নেয় তার। এক একবার বিশ্রামের মেয়াদ ১ মিনিট। 

এখন প্রশ্ন জাগতে পারে পিঁপড়া কেন ঘুমায় না? আসলে পিঁপড়ের চোখের পাতা নেই। তাই তারা চোখ বন্ধ করতে পারে না। তবে পাতা না থাকায় তাদের দেখতে কোনো সমস্যা হয় না। অধিকাংশ পিঁপড়ের দুটি চোখ থাকে, এতে কয়েকটি লেন্স থাকে যার সাহায্যে এরা খুব ভালো দেখতে পায়। 

মানুষ ঘুমের জন্য একসঙ্গে ৬/৭ ঘণ্টা ব্যয় করেন। আর পিঁপড়ার ঘুম লুকিয়ে থাকে গভীর বিশ্রামে। পুরো দিনে ২৫০বার বিশ্রাম নেওয়ার মানে প্রায় ৪ ঘণ্টার ঘুম। বিশ্রামের সময় পিঁপড়ার ম্যান্ডিবল ও অ্যান্টেনার সঞ্চালন কমে যায়। তাই এই দশাকে গভীর বিশ্রাম দশা বলে।

পিঁপড়ার শরীরে একটি ফুসফুস থাকে। এর মাধ্যমে অক্সিজেন শরীরে প্রবেশ করে গোটা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। তবে তাদের শ্বাস-প্রশ্বাস প্রক্রিয়াটি আমাদের থেকে একেবারেই ভিন্ন। পিঁপড়ার শরীরে অসংখ্য ছিদ্র রয়েছে। এই ছিদ্রগুলো সংযোগ করেছে নালি বা টিউব। শরীরে অক্সিজেন প্রবেশ করার পর এই নালির মাধ্যমে পুরো শরীরে অক্সিজেন ছড়িয়ে পড়ে।

এছাড়া পিঁপড়ার হাঁটু ও পায়ে আছে এক বিশেষ ধরণের সেনসিং ভাইব্রেশন। এর মাধ্যমে তারা আশপাশের পরিস্থিতি বুঝতে পারে। বিপদ আগে থাকতেই আঁচ করতে পারে। বিপদ টের পেলে এক বিশেষ ধরণের কেমিক্যাল সিগন্যাল দেয়। খাবারের সন্ধান পেলে পিঁপড়া এক বিশেষ কেমিক্যাল ফেরোমোন নির্গত করে সঙ্গীদের সংকেত দেয়। পোকামাকড়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় মস্তিষ্কের অধিকারী হলো পিঁপড়া। 

ওআ/

ঘুম প্রাণী

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250