শনিবার, ১৪ই মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩০শে ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** রাত থেকে গণপরিবহনে তেল নেওয়ার সীমা থাকছে না: সড়কমন্ত্রী *** তিন মাস পর জামিনে মুক্ত সাংবাদিক আনিস আলমগীর *** হয়তো এখনই নয়, তবে ইরান সরকারের পতন হবেই: ট্রাম্প *** ‘পদত্যাগ ও মেয়াদ পূর্ণ করার কথা—সাহাবুদ্দিন দুটিই বলেন প্রধানমন্ত্রীর ইঙ্গিতে’ *** সাধারণ মানুষের প্রশংসায় ‘সাধাসিধা’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান *** ‘প্রধানমন্ত্রীর সামনে যে সুযোগ রয়েছে, তা আগের কোনো দলীয় নেতার ছিল না’ *** অপারেশন থিয়েটারে মির্জা আব্বাস, মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার *** মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী *** বিতর্কিত শোক প্রস্তাব নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মাসুদ কামাল *** ‘ওসমান হাদি হত্যার পেছনে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব থাকতে পারে’

নমস্কার কী এবং কেন করা হয়

ধর্ম ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১২:৩৫ অপরাহ্ন, ১০ই মে ২০২৩

#

ছবি: সংগৃহীত

প্রণাম বলতে বোঝায় প্রকৃষ্টরূপে নমন বা নমস্কার। শ্রী হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় তার বঙ্গীয় শব্দকোষ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, প্রণাম চার প্রকারের : 

         ১. অভিবাদন

         ২. পঞ্চাঙ্গ প্রণাম

         ৩. অষ্টাঙ্গ প্রণাম 

         ৪. নমস্কার

অভিবাদন : 
নিজ বাক্য দ্বারা প্রণাম করি বলে আনত হওয়াকে অভিবাদন বলা হয়। অনেক সময় বাক্য উচ্চারণ না করে শুধু আনত হয়েও অভিবাদন জানানো হয় । 

পঞ্চাঙ্গ প্রণাম :
বাহুদ্বয়, জানুদ্বয়, মস্তক, বক্ষস্থল ও দর্শনেন্দ্রিয় যোগে অবনত হয়ে যে প্রণাম করা হয় তাকে পঞ্চাঙ্গ প্রণাম বলে। 

অষ্টাঙ্গ প্রণাম : 
জানু, পদ, হস্ত, বক্ষ, শির, নাসা, বাক্য ও দৃষ্টি । প্রণামের এই আটটি অঙ্গ যখন ব্যবহার করা হয় তখন তাকে অষ্টাঙ্গ প্রণাম বলে । 

নমস্কার : 
নমস্কার প্রণামের প্রতিশব্দ। নমস্কার তিন প্রকার। কায়িক, বাচিক ও মানসিক। 

নমস্কার সকল যজ্ঞের মধ্যে প্রধান। এটির যথাযথ প্রয়োগ দ্বারাই মানুষ ব্রহ্মকে লাভ করে। 

পবিত্র বেদে বলা হয়েছে, ছোট, বড়, ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শুদ্র, ধনী, গরীব, কৃষক, শ্রমিক সকলকেই নমস্কার কর। এখন কিছু মানুষ হয়তো বলবে যে আমরা ছোটদেরকে কেন নমস্কার করবো? 

হ্যা, এরও উত্তর আছে।

প্রকৃতপক্ষে আমরা নমস্কার করছি কাকে ? 

জীবের মধ্যে অবস্থিত ব্রহ্মকে ! 

আর জ্ঞানীরা তো জানেন। ব্রহ্ম না ছোট আর না বড়, সে না ধনী আর না গরীব। তিনি সকলের মধ্যেই বিরাজমান। তাই বলছি প্রতিদিন ব্রহ্ম-মূহুর্তে ঘুম থেকে উঠে পরমেশ্বরের সমগ্র সৃষ্টিকে নমস্কার করুন। 

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকেই নমস্কার করুন। 

তাতে আপনার মোটেও সম্মানহানী হবে না। মনে এক অভূতপূর্ব শান্তি লাভ করবেন। আর ঈশ্বরকে প্রণাম করতে আবার সম্মানহানী কিসের?

আরো পড়ুন: কেদারনাথের ধাম সাজানো হলো ৩৫ কুইন্ট্যাল ফুলে

নমস্কারের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:

নতুন কারও সঙ্গে আলাপ হলে, কাউকে অভ্যর্থনা জানানোর সময় আমরা সাধারণত দুটো হাত জোড় করে নমস্কার করি। কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন, আমারা কেন হাত জোড় করে নমস্কার করি? এর নেপথ্যে রয়েছে বড় বৈজ্ঞানিক কারণ।

বিজ্ঞান বলছে, হাতজোড় করার ফলে আমাদের দুই হাতের পাঁচটি আঙুলের ডগা পরস্পরের সঙ্গে মিলে যায়। এর ফলে আমাদের চোখ, কান এবং মস্তিষ্কের প্রেশার পয়েন্টে চাপ পড়ে। এই চাপই ওই ব্যক্তিকে দীর্ঘ দিনের জন্য মনে রাখতে আমাদের সাহায্য করে।

নমস্কার হচ্ছে বৈদিকযুগ হতে প্রচলিত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ব্যবহৃত অভিবাদনসূচক শব্দ। সাধারণত দুই হাত জোড় করে ‘নমস্কার’ শব্দটি উচ্চারণ করা হয়ে থাকে বলে একে অঞ্জলি মুদ্রা বা প্রণামও বলা হয়। কাউকে নমস্কার করা মানে তাঁকে সম্মান প্রদর্শন।

এসি/ আই. কে. জে/

নমস্কার

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250