রবিবার, ২০শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৫ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** হুতিদের মোকাবিলায় এবার সৌদির পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা তুরস্কের! যুদ্ধ করবে কি? *** কমলাপুর রেলস্টেশনে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণ *** তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর আগামী নভেম্বরে করা যায় কি না, আলোচনায় ঢাকা-দিল্লি *** জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান *** মন্ত্রী বড়, নাকি সংসদ সদস্য—কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রশ্ন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের *** আওয়ামী লীগ-জামায়াত এক হয়েও বিএনপির কিছুই করতে পারেনি: এমপি চাঁদ *** তেজগাঁওয়ে মসজিদে গোপন বৈঠক: উগ্রবাদ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ১২ জন ৩ দিনের রিমান্ডে *** কেরানীগঞ্জে থানার সামনে ট্রাকে আগুন, আব্দুল্লাহপুরে ককটেল বিস্ফোরণ *** রাজধানীর মিরপুর ও মধ্যবাড্ডায় ৩ বাসে অগ্নিসংযোগ, যাত্রাবাড়ীতে ককটেল বিস্ফোরণ *** ‘আসিফ মাহমুদের দুর্নীতি ও লুটপাটের গডফাদার ড. ইউনূস’

রিটার্ন দাখিলেই ন্যূনতম করের বিষয়ে ভাবছে সরকার

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১১:০৬ অপরাহ্ন, ২৩শে মে ২০২৩

#

ছবি: সংগৃহীত

আয়কর রিটার্ন দাখিল করেন অথচ করযোগ্য আয় নেই– এমন ব্যক্তিদের ওপরও ন্যূনতম কর আরোপের কথা ভাবছে সরকার। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রায় ৮৬ লাখ জনের টিআইএন (করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর) থাকলেও তাদের বড় অংশই রিটার্ন দাখিল করেন না।

তাদের সবাইকে করের আওতায় আনার পাশাপাশি রাজস্ব বাড়ানোর আরও পথ রয়েছে। কিন্তু করযোগ্য আয় নেই, তারপরও ন্যূনতম কর আরোপের বিধান যৌক্তিক হবে না। এটা করমুক্ত আয়সীমার ধারণারও পরিপন্থি।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, আগামী ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে আয়কর রিটার্ন দাখিলে ন্যূনতম কর হিসেবে ২ হাজার টাকা আরোপ করা হতে পারে। পরে ধীরে ধীরে সব টিআইএনধারীর ওপর এ কর আরোপ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মুস্তাফিজুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, টিআইএন আছে অথচ রিটার্ন দাখিল করেন না– এমন অনেকের বেশি কর দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে। তাদের করের আওতায় এনে রাজস্ব বাড়ানো সম্ভব।

তা ছাড়া যেসব সেবায় রিটার্ন বাধ্যতামূলক, সেসব ক্ষেত্রেও ফি বাড়ানো যেতে পারে। কিন্তু একজনের কর দেওয়ার মতো আয় নেই অথচ ন্যূনতম করের নামে ২ হাজার টাকা নেওয়া হবে– এটা যৌক্তিক হবে না।

সর্বশেষ হিসাবে দেখা যায়, ব্যক্তি শ্রেণিতে টিআইএনধারীর সংখ্যা প্রায় ৮৬ লাখ। এর মধ্যে মাত্র ৩২ লাখ ব্যক্তি আয়কর রিটার্ন জমা দেন। তাদের মধ্যে প্রায় আট লাখের করযোগ্য আয় নেই।

তাদের ওপর ন্যূনতম কর ধার্য হলে সরকারের বাড়তি ১৬০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হবে। আর ন্যূনতম করের নিয়মটি সব টিআইএনধারীর ওপর প্রয়োগ হলে ১ হাজার ২৪০ কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আয় হবে।

আরো পড়ুন: বিলাসবহুল গাড়ি নিয়ে মোংলা বন্দরে বিদেশি জাহাজ
 

করমুক্ত আয়সীমার বেশি আয় থাকলে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক। এ ছাড়া সরকার অথবা সরকারের কোনো কর্তৃপক্ষ, করপোরেশন, সত্তা বা ইউনিট বা প্রচলিত কোনো আইন, আদেশ বা দলিলের মাধ্যমে গঠিত কোনো কর্তৃপক্ষ, করপোরেশন, সত্তা বা ইউনিটের কর্মচারীর মাসিক বেতন ১৬ হাজার টাকা কিংবা এর বেশি হলে কোনো ব্যবসা বা পেশায় যে কোনো নির্বাহী বা ব্যবস্থাপনা পদে বেতনভোগী কর্মী, ফার্মের অংশীদার, মোটরগাড়ির মালিক, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ করে কোনো ব্যবসা বা পেশা পরিচালনা করাসহ ১৯ ধরনের ব্যক্তির রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ ছাড়া ৪০ ধরনের সেবায় আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ উপস্থাপন করতে হয়।

বর্তমানে ব্যক্তি শ্রেণিতে করমুক্ত আয়সীমা পুরুষ করদাতাদের জন্য ৩ লাখ টাকা, নারী ও ৬৫ বছর বয়সী পুরুষদের জন্য সাড়ে ৩ লাখ টাকা, প্রতিবন্ধীদের জন্য সাড়ে ৪ লাখ টাকা এবং যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। আয়সীমার নিচে হলে একজন করদাতা শূন্য আয় দেখিয়েও রিটার্ন জমা দিতে পারেন। এ ক্ষেত্রে কোনো কর দিতে হয় না।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকার করদাতাদের জন্য ন্যূনতম কর ৫ হাজার টাকা। অন্যান্য সিটি করপোরেশনে ৪ হাজার টাকা। আর সিটি করপোরেশনের ন্যূনতম করের পরিমাণ ৩ হাজার টাকা।

এসি/আইকেজে/

রিটার্ন কর

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250