বুধবার, ৪ঠা ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২২শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** নির্বাচনী কার্যক্রম সমন্বয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে ইসি *** আজ ইশতেহার ঘোষণা করবে জামায়াত *** নির্বাচনী কার্যক্রম সমন্বয়ে ইসির উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ *** গণমাধ্যম ও সম্প্রচার কমিশনের খসড়া অধ্যাদেশ নিয়ে উদ্বেগ আর্টিকেল নাইনটিনের *** ‘প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তারেক রহমান এগিয়ে’ *** ভারত থেকে দেশে ফেরার পরিকল্পনা শেখ হাসিনাসহ অন্য নেতাদের *** শেখ হাসিনার সমালোচনা করায় ‘প্রচণ্ড জনপ্রিয়’ ছিলেন আইন উপদেষ্টা *** জুলাই সনদ রক্তের অক্ষরে শপথের স্বাক্ষর: আলী রীয়াজ *** ‘ভারতীয় ও সাপের সঙ্গে দেখা হলে আগে ভারতীয়কে মারো’, নরওয়েজীয় কূটনীতিকের বর্ণবাদী মন্তব্য *** র‍্যাবের নাম ও পোশাক বদলে শিগগির প্রজ্ঞাপন জারি

বিনা খরচে পেঁয়াজ চাষে লাভবান এই কৃষক

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০১:১০ অপরাহ্ন, ৭ই মে ২০২৪

#

ছবি: সংগৃহীত

যশোরের ঝিকরগাছায় অনেকেই পেঁয়াজ চাষ করে লাভবান হয়েছেন। বিনা খরচে এবং বিনা পরিশ্রমে এসব চাষি পটল ক্ষেতে সাথী ফসল হিসেবে পেঁয়াজ চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছেন। বাজারে পেঁয়াজের দাম বেশি হওয়ায় হাসি ফুটেছে তাদের মুখে। ফলে আগামীতে বাড়বে চাষির সংখ্যা।

উপজেলার বোধখানা গ্রামের বেলেমাঠপাড়ার ওসমান গণী এ পেঁয়াজ চাষ করেন। ২৪ শতক জমিতে তিনি পটল ক্ষেতে সাথী ফসল হিসেবে চাষ করে অন্তত ৪০ হাজার টাকা লাভের আশা করছেন।

পেঁয়াজ চাষি ওসমান গণী বলেন, ‘নভেম্বরের প্রথম দিকে কৃষি অফিসের দেওয়া পেঁয়াজ বীজতলায় ফেলি। চারার বয়স ২৫-২৬ দিন হলে রোপণ করি। আগেই ক্ষেতে পটল লাগানো ছিল। এতে সরকারের দেওয়া সার দিয়েছি। কোনো খরচ হয়নি। পেঁয়াজ বিক্রির টাকা পুরোটাই লাভ। পটল গাছও বড় হয়েছে। পেঁয়াজ খুব বড় হয়েছে। ৮-৯টি পেঁয়াজে ১ কেজি হচ্ছে। ২০ মণ পেঁয়াজ পেয়েছি। প্রতি মণের দাম পাইকাররা ২ হাজার টাকা বলেছেন।’

আরো পড়ুন: কৃষকরা কত শতাংশ ভর্তুকি পাচ্ছেন জানালেন খাদ্যমন্ত্রী

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় খরিপ-২ মৌসুমে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ আবাদ বৃদ্ধির জন্য ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে উপজেলার ৬০০ কৃষককে বীজ ও রাসায়নিক সার দেওয়া হয়। অক্টোবর-নভেম্বর মাসে গ্রীষ্মকালীন ১ কেজি পেঁয়াজ বীজের সাথে ২০ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার, জমি প্রস্তুত, সেচ, শ্রমিক ও বাঁশ ক্রয় বাবদ মোট ২ হাজার ৮০০ করে টাকা দেওয়া হয়।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আইয়ুব হোসেন বলেন, ‘মূলত প্রণোদনার এ পেঁয়াজ গ্রীষ্মকালীন হলেও তা শীত মৌসুমেও ভালো ফলন হয়েছে। ওসমান গণীর মতো এই ব্লকের বারবাকপুর গ্রামের রুবিয়া বেগম ও বোধখানার মিকাইল হোসেনও ৪০-৪৫ হাজার টাকার পেঁয়াজ বিক্রি করেছেন। খরচ না থাকায় লাভ বেশি হওয়ায় কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে।’

এসি/ আই.কে.জে/ 


কৃষক পেঁয়াজ চাষ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250