শনিবার, ২৮শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘আসিফ নজরুল তৃতীয় শ্রেণির লেখক’ *** নরসিংদীতে কিশোরীকে অপহরণ ও হত্যা: প্রধান আসামি গাজীপুরে গ্রেপ্তার *** ফাওজুল কবিরের সরকারি বাসায় সাবেক উপদেষ্টাদের ইফতার ও নৈশভোজ *** আমি কিছু দেখিনি, ভুল কিছু করিনি—বিল ক্লিনটনের সাক্ষ্য *** হতাহত নিয়ে পাকিস্তান-আফগানিস্তানের পাল্টাপাল্টি দাবি *** ‘কোনো নির্বাচনই শতভাগ নিখুঁত হয় না’ *** জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পুলিশ হত্যার বিষয়টি তদন্ত হবে: মির্জা ফখরুল *** তালেবানের পৃষ্ঠপোষক থেকে কেন প্রতিপক্ষ হয়ে উঠল পাকিস্তান *** ‘ড. ইউনূসের সময়কালে অপসারণ চেষ্টা’—রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের *** কবি মোহন রায়হানকে ‘অপমান’ করায় উদীচীর নিন্দা

শীতে ভিটামিন ডি পেতে কোন সময় রোদ পোহাবেন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৪:২৪ অপরাহ্ন, ২রা ডিসেম্বর ২০২৪

#

ছবি : সংগৃহীত

সুস্থ থাকতে আমাদের শরীরে ভিটামিন ডি এর প্রয়োজনীয়তা অনেক। এই ভিটামিন শরীরকে ক্যালসিয়াম গ্রহণে সাহায্য করে। ফলে হাড় হয় শক্তিশালী। শুধু তাই নয়, এই ভিটামিনের গুণে ইমিউনিটি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। ফলে একাধিক রোগের ঝুঁকি কমে। এমনকি প্রদাহও কমায়। এর পাশাপাশি ভিটামিন ডি মন ভালো রাখতেও সাহায্য করে। তাই সুস্থ থাকতে পর্যাপ্ত এই ভিটামিন গ্রহণের বিকল্প নেই। তবে জানেন কি, শীতে ভিটামিন ডি পেতে কোন সময় রোদ পোহাবেন? চলুন জেনে নেওয়া যাক-

মনে রাখবেন, ভিটামিন ডি’র সবচেয়ে বড় উৎস হলো সূর্যালোক। ত্বকের উপর সূর্যরশ্মি এসে পড়লেই এই ভিটামিন তৈরি হবে। তবে দিনের যে কোনো সময় রোদে দাঁড়ালে কিন্তু এই উপকার মিলবে না। একটা নির্দিষ্ট সময়ে খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে রোদ পোহাতে হবে, বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

কোন সময় রোদ পোহাবেন?

দিনের যে কোনো সময় রোদ পোহালে কিন্তু আপনি ভিটামিন ডি পাবেন না। এক্ষেত্রে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টার মধ্যে অন্তত ৩০ মিনিট রোদ পোহাতে হবে। আর এই কাজ করতে হবে সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন।

সেক্ষেত্রে শীতের দিনে গোসল করার আগে তেল মেখে কিংবা সানস্ক্রিন মেখে হাত-পা উন্মুক্ত রেখে রোদ পোহান। এতেই শরীরে মিলবে ভিটামিন ডি। এর পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় রাখুন ভিটামিন ডি’সমৃদ্ধ খাবার। যেমন-

১. সার্ডিনের মতো মাছ

২. কড লিভার অয়েল

৩. ক্যানড টুনা

৪. ডিমের কুসুম

৫. মাশরুম ইত্যাদি।

আরো পড়ুন : ঘি খেয়েই আকর্ষণীয় বলিউড তারকারা!

ভিটামিন ডি’র ঘাটতি হলে কী কী লক্ষণ দেখা দেয়?

বেশির ভাগ সময়ই শরীরে তেমন কোনো লক্ষণ থাকে না। তবে সমস্যা একটু বাড়াবাড়ির দিকে গেলে কয়েকটি উপসর্গ দেখা যায়। যেমন ধরুন-

১. ক্লান্তি

২. পেশিতে ব্যথা

৩. হাড়ে যন্ত্রণা

৪. পেশিতে টান ধরা

৫. মুড খারাপ থাকা ইত্যাদি।

এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ভিটামিন ডি টেস্ট।

ওষুধের প্রয়োজন

অনেক সময় খাবার খেয়ে এবং সূর্যের আলোর তলায় দাঁড়িয়েও ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি মেটানো যায় না। এমন পরিস্থিতিতে রোগীর বিষয় বিবেচনা করে ৬০ হাজার পাওয়ারের ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট প্রতি সপ্তাহে একটা করে খাওয়ার পরামর্শ দিতে পারেন চিকিৎসকরা।

এভাবে ৮-১২ সপ্তাহ খেতে বলা হয় রোগীকে। তবে সমস্যা বেশি থাকলে আরও বেশিদিন ধরে এই ওষুধ চালানোর পরামর্শ দিতে পারেন চিকিৎসকরা।

সূত্র: মায়োক্লিনিক/ হেলথলাইন

এস/কেবি

ভিটামিন ডি

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250