সোমবার, ১৬ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৪ঠা ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বিশ্বজুড়ে ইরান সরকারের বিরুদ্ধে লাখো মানুষের বিক্ষোভ *** আওয়ামী লীগের ভাঙাচোরা কার্যালয়ে দুপুরে নেতা-কর্মীদের স্লোগান, বিকেলে অগ্নিসংযোগ *** ঠাকুরগাঁওয়ে দেড় বছর পর আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের প্রকাশ্যে স্লোগান *** মধ্যপ্রাচ্যে আবারও মার্কিন রণতরী, কী ঘটছে ইরানের সঙ্গে? *** তারেক রহমানের আগমন জাতীয় রাজনীতির জন্য ঐতিহাসিক মুহূর্ত: জামায়াত আমির *** ড. ইউনূস ‘দ্বিতীয় মীরজাফর’ ও ‘আমেরিকার দালাল’, তার পোস্টারে আগুন *** নতুন সরকার যখন বলবে তখনই ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী *** দেশের জন্য কাজ করতে এসে আমার সব সঞ্চয় শেষ, দাবি সেই ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের *** নির্ধারিত সময়ের আগেই পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন আইজিপি *** ভারত কি সত্যিই বিএনপি সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়বে

‘জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তির সঙ্গে জড়িতরা যেন দেশ ছেড়ে যেতে না পারেন’

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০১:০৬ অপরাহ্ন, ৫ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

#

ফাইল ছবি

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনায় দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির উদ্যোগকে জাতীয় স্বার্থবিরোধী তৎপরতা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।

তিনি বলেছেন, এই চুক্তি বাস্তবায়নে জড়িতদের কেউ যেন দেশ ছেড়ে যেতে না পারেন–বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

গত মঙ্গলবার (৩রা ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে এক সংহতি সমাবেশে এসব কথা বলেন আনু মুহাম্মদ। ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে এনসিটি ইজারার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে এবং বন্দর শ্রমিকদের কর্মবিরতির সমর্থনে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি এ সমাবেশের আয়োজন করে।

আনু মুহাম্মদের অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকারের এমন কোনো এখতিয়ার নেই–তারা এমন চুক্তি করবে, যার ফলে বাংলাদেশ আগামী ৩০ থেকে ৬০ বছরের জন্য অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও ভূ-কৌশলগতভাবে বাঁধা পড়ে যাবে। তবু সরকার জোরজবরদস্তি ও তড়িঘড়ি করে এ চুক্তি করতে যাচ্ছে। 

আনু মুহাম্মদ বলেন, ১২ই ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে যে সরকার ক্ষমতায় আসবে, তাদের প্রথম দায়িত্ব হবে–অন্তর্বর্তী সরকার কেন এবং কীসের বিনিময়ে জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তিগুলো করেছে, সে বিষয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশ করা। পাশাপাশি এসব সিদ্ধান্তের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি করা। 

অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে অনিয়ম, অস্বচ্ছতা ও জনস্বার্থ উপেক্ষার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, বিদেশি কোম্পানির হাতে এনসিটি তুলে দিলে বন্দর থেকে সরকারের আয় ও মাশুল কমে যাবে। এই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সম্প্রতি বিভিন্ন পণ্যের ওপর মাশুল বাড়ানো হয়েছে। যার ফলে আমদানি ব্যয় ও রপ্তানি খরচ বেড়েছে। এতে পুরো অর্থনীতিই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

চট্টগ্রাম বন্দরকে দেশের অর্থনীতির ‘হৃৎপিণ্ড’ উল্লেখ করে এ অর্থনীতিবিদ বলেন, দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ আমদানি-রপ্তানি এই বন্দর দিয়েই হয়। সেই বন্দর যদি বিদেশি একটি কোম্পানির নিয়ন্ত্রণে চলে যায়, তাহলে বাংলাদেশ কার্যত একটি বিদেশি শক্তির কাছে জিম্মি হয়ে পড়বে। এতে দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে।

জাতীয় নির্বাচনের ঠিক আগে এই চুক্তি করতে সরকারের তাড়াহুড়োর কারণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন আনু মুহাম্মদ। তিনি বলেন, শ্রমিক, বিশেষজ্ঞ এমনকি বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীরাও যখন এই চুক্তির বিরোধিতা করছেন, তখন প্রশ্ন ওঠে–কার স্বার্থে এই চুক্তি করা হচ্ছে?

জে.এস/

আনু মুহাম্মদ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250