রবিবার, ১লা মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বেঁচে আছেন, মাঠে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, দাবি ইরানের *** খামেনির মরদেহ পাওয়া গেছে, ইসরায়েলের শীর্ষ কর্মকর্তার দাবি *** ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি ‘বেঁচে নেই এমন লক্ষণ পাওয়া গেছে’, দাবি নেতানিয়াহুর *** কুয়েতের সব মসজিদে তারাবির নামাজ বন্ধ ঘোষণা *** মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত সরকার *** খামেনির অবস্থা কোথায়, জানে না ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় *** কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কোনো বার্তা পেয়েছে কি আওয়ামী লীগ? *** এনসিপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে সেতুমন্ত্রী, নাহিদের উচ্ছ্বাস *** চট্টগ্রাম থেকেও মধ্যপ্রাচ্যে ফ্লাইট বাতিল *** ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা: জেদ্দায় আটকা পড়েছেন মুশফিক

সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, ২২শে জুন ২০২৪

#

ছবি: সংগৃহীত

পাহাড়ি ঢল কমে আসায় সুনামগঞ্জের সুরমা, যাদুকাটা ও বোলাই নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। তবে পানি কমলেও সুনামগঞ্জের ছাতক, দোয়ারা বাজার, তাহিরপুর, বিশম্ভরপুর ও মধ্যনগর উপজেলার নিম্নাঞ্চলের মানুষরা এখনো ভোগান্তিতে রয়েছেন। কারণ নদনদীর পানি কমলেও তাদের বসতভিটা থেকে এখনো পানি কমেনি। এমনকি নিম্নাঞ্চলের তলিয়ে যাওয়া গ্রামীণ সড়কগুলোও থেকেও পানি নামেনি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ৬ থেকে ৭ দিনের টানা বৃষ্টি ও উজানের পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের সকল নদনদীর পানি বাড়ে। ফলে সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলের পাশাপাশি পৌর শহরের নিচু এলাকায় পানি ঢোকে। তবে এরইমধ্যে শহরের নিচু এলাকা থেকে পানি নামলেও নিম্নাঞ্চল থেকে পানি নামেনি। ফলে পরিবার নিয়ে এখনো পানিবন্দি অবস্থায় আছেন জেলার ৫ লাখ মানুষ।

এদিকে বন্যার্ত মানুষের জন্য জেলা প্রশাসনের ৫১৫টি আশ্রয় কেন্দ্রে এরইমধ্যে ২৫ হাজার মানুষ উঠেছেন। কিন্তু এই আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে এরইমধ্যে বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্য সহায়তার চরম সংকট দেখা দিয়েছে।

আশ্রয় কেন্দ্রে আসা মানুষরা বলেন, পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্য সহায়তা পাচ্ছি না। সেইসঙ্গে যা খাদ্য সহায়তা আসে সেগুলো কোউ পায় কেউ পায় না।

তাহিরপুর উপজেলার নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দা রনি মিয়া বলেন, ঢলের পানি ঘরের ভেতরে। তারপরও আশ্রয়কেন্দ্রে যাইনি ভিটামাটির মায়ায়। 

আরো পড়ুন: বন্যা থেকে সিলেটবাসীকে রক্ষা করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দা সুরুজ মিয়া বলেন, সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলের মানুষরা বন্যায় সব থেকে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে। এই বন্যা থেকে আল্লাহ কবে যে মুক্তি দেবেন।

সদর উপজেলার জগন্নাথপুরের বাসিন্দা আব্দুল্লাহ বলেন, আশ্রয় কেন্দ্রে এসে বিশুদ্ধ পানি পাচ্ছি না। পর্যাপ্ত খাবার পাচ্ছি না। সত্যি অনেক কষ্টে আছি এই বন্যায়।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় সুনামগঞ্জের নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। ফলে বন্যা পরিস্থিতি উন্নীত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে, চেরাপুঞ্জিতে বৃষ্টি কম হওয়ায় কমতে শুরু করছে নদীর পানি। উন্নতি হয়েছে বন্যা পরিস্থিতির। সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর পানি ষোলঘর পয়েন্টে বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এসি/ আই.কে.জে/

বন্যা সুনামগঞ্জ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250