বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২২শে আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত ধরে নিয়েছেন বাংলাদেশ সবকিছু যুক্তরাষ্ট্রকে দিয়ে দিয়েছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী *** দিল্লিতে বাংলাদেশ–ভারত বাণিজ্য বৈঠক আজ, পাটের শুল্ক ও বাণিজ্য বাধা নিয়ে ঢাকার চাপ *** ১৩ জন হত্যাকারী নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড ফায়ারিং স্কোয়াডে অনুমোদন ট্রাম্পের *** ধর্ম, বর্ণ ও পরিচয় অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে বাধা হবে না: প্রধানমন্ত্রী *** এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করল বিমান *** বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক চায় ভারত *** অর্থনীতি বাড়ছে, কিন্তু কর্মসংস্থান বাড়ছে না কেন *** আওয়ামী লীগকে কি রাজনৈতিক পরিসর থেকে স্থায়ীভাবে বাদ দেওয়া সম্ভব, প্রশ্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের *** ট্রাম্পের ‘ব্যর্থ’ গাজা পরিকল্পনা: বন্ধ হয়নি ইসরায়েলি হামলা, নিরস্ত্র হয়নি হামাস *** নাগরিকদের গোপন তথ্য কেনাবেচার অভিযোগে ৪ পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্যে জুতার মালা, মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাঙচুরের ধারাবাহিকতায় নতুন ঘটনা

শুভ্র বড়ুয়া

🕒 প্রকাশ: ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, ৭ই অক্টোবর ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

ঝিনাইদহ শহরের প্রবেশদ্বার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্যে জুতার মালা পরানোর অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ছবিতে ভাস্কর্যটির গলায় জুতার মালা ঝোলানো অবস্থায় দেখা যায়। খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।

জেলা প্রশাসন বলছে, ঘটনাটি জানার পরই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

ঢাকায় বসে মুঠোফোনে কথা হয় ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক নোমান হোসেনের সঙ্গে। তিনি সুখবর ডটকমকে বলেন, ‘বিষয়টি জানার পর রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেছি। আমরা পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছি। দ্রুতই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

জেলা প্রশাসকের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি নিছক অবমাননার অভিযোগ হিসেবে দেখেই থেমে থাকতে চায় না প্রশাসন। কারা, কখন এবং কীভাবে ভাস্কর্যটিতে জুতার মালা ঝোলাল, তা খুঁজে বের করাই এখন তদন্তের বিষয়।

ঝিনাইদহ সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আবু তোয়াব অপু বলেন, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফেসবুকে বিষয়টি দেখতে পান তিনি। এরপর বেলা ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে ভাস্কর্যটির গলায় জুতার মালা ঝোলানো দেখতে পান। সেখান থেকেই মুঠোফোনে বিষয়টি জেলা প্রশাসককে জানান তিনি।

জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা কামালুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে দুপুরে তিনি হামিদুর রহমান চত্বরে যান। তবে তিনি যাওয়ার আগেই কেউ জুতার মালাটি সরিয়ে ফেলেছিল। স্থানীয় দোকানদারদের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, রাতের কোনো এক সময়ে এ ঘটনা ঘটতে পারে। বিষয়টি নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে বৈঠক করে পরবর্তী করণীয় ঠিক করার কথাও জানান তিনি।

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাতিজা হাফিজুর রহমানও ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তার ভাষায়, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন। একই সঙ্গে ভাস্কর্যটি নিয়ে রাজনৈতিক পক্ষ-বিপক্ষ তৈরি হওয়ায় সেখানে নিরাপত্তা জোরদার এবং সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন তিনি। তার আশঙ্কা, ভাস্কর্যটি ভেঙে দিয়ে এক পক্ষ অন্য পক্ষকে দায়ী করার চেষ্টা করতে পারে।

এর আগে হামিদুর রহমানের এই ভাস্কর্যকে ঘিরে বিতর্ক ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। ২০১৯ সালের ২৬ মার্চ ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের প্রবেশমুখে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বর উদ্বোধন করা হয়। সেখানে তার ভাস্কর্যের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের পতাকা ও মুষ্টিবদ্ধ হাতের ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ভাস্কর্যটিতে দুই দফায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এরপর চলতি বছরের জুলাইয়ে আবারও ভাস্কর্যটি ভাঙার চেষ্টা হয়। কয়েক দিন ধরে ভাঙচুরের পর গত ১৬ জুলাই জাতীয় গণমাধ্যমে এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে জেলা প্রশাসন কাজটি স্থগিত করে। সাম্প্রতিক সময়ে ভাস্কর্যটিতে সাদা রং করা হয়েছিল। ফলে দূর থেকেও এটি সহজে চোখে পড়ে। এর মধ্যেই গলায় জুতার মালা ঝোলানোর ঘটনা সামনে এল।

হামিদুর রহমানের ভাস্কর্যে সর্বশেষ ঘটনার গুরুত্ব আরও বেড়ে যায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক, ভাস্কর্য ও স্থাপনায় হামলার ধারাবাহিকতার কারণে।

এক অনুসন্ধানে বলছে, ২০২৪ সালের ৫ থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত ৫৯টি জেলায় প্রায় ১ হাজার ৪৯৪টি ভাস্কর্য, রিলিফ ভাস্কর্য, ম্যুরাল ও স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ কিংবা উপড়ে ফেলার তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। এর বড় অংশের ঘটনা ঘটে ৫, ৬ ও ৭ আগস্ট। এসব স্থাপনার মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ও ম্যুরালের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধ এবং ঐতিহাসিক ঘটনাসংশ্লিষ্ট স্থাপনাও ছিল।

৫ আগস্ট মেহেরপুরের মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিকেন্দ্রে দুই দফায় হামলা চালিয়ে ভাস্কর্যগুলো ভাঙচুর করা হয়। সেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য, ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল অস্থায়ী সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে সৈয়দ নজরুল ইসলামকে দেওয়া ‘গার্ড অব অনার’-এর দৃশ্যের ভাস্কর্য, পাকিস্তানি সেনাদের আত্মসমর্পণের দৃশ্য এবং মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টরের যুদ্ধের বর্ণনা তুলে ধরা ছোট ছোট ভাস্কর্য ছিল। এসব ভাস্কর্যের অনেকগুলো এখনো ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে।

একই দিন যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার চিত্রা নদীর পাড়ের স্বাধীনতা চত্বর ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। নওগাঁ শহরের ব্রিজের মোড়, মান্দার প্রসাদপুর বাজার এবং পত্নীতলার নজিপুর পৌরসভার এলাকায় থাকা মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির তিনটি ভাস্কর্যও ৫ আগস্টের পর ভাঙচুর করা হয়।

নওগাঁ শহরের ব্রিজের মোড়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে নির্মিত ‘সশস্ত্র প্রতিরোধ’ ভাস্কর্যটি ভাঙার পর স্থানীয় সংস্কৃতিকর্মীরা সেটি সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু একটি গোষ্ঠী তাদের বাধা দেয় বলে স্থানীয় মুক্তিযুদ্ধ গবেষক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা জানান। ফলে ভাস্কর্যটি আর সংস্কার করা সম্ভব হয়নি।

বরিশালের ত্রিশ গোডাউন এলাকার বধ্যভূমি ও পাকিস্তানি বাহিনীর নির্যাতনকেন্দ্রও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট হামলার শিকার হয়। ভাঙচুরের পাশাপাশি সেখান থেকে শব্দব্যবস্থা, বাতিসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে প্রথম আলো। পরে ওই স্থাপনায় আবারও হামলার অভিযোগ ওঠে। দেড় বছর পরও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থানটির ক্ষত পুরোপুরি মেরামত হয়নি।

বরগুনার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরেও ৫ আগস্টের পর হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার তথ্যও দেশের গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

রাজধানীতেও একই সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একাধিক ভাস্কর্য আক্রান্ত হয়। ৫ আগস্ট বিজয় সরণির ‘মৃত্যুঞ্জয়ী প্রাঙ্গণ’-এর বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুর করা হয়। ওই স্থাপনায় ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসও বিভিন্ন দেয়ালের চিত্রে তুলে ধরা হয়েছিল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুলার রোডের ‘স্বাধীনতা সংগ্রাম’ ভাস্কর্যও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ব্যাপক ভাঙচুরের শিকার হয়। ভাস্কর শামীম সিকদারের নির্মিত প্রায় ১১৬টি ভাস্কর্যের মধ্যে অধিকাংশই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরেও সেগুলোর অনেকগুলো ভাঙা অবস্থায় পড়ে থাকার কথা সুখবর ডটকমের প্রতিবেদনে উঠে আসে।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতেও যশোর শহরে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য, ম্যুরাল ও মুক্তিযুদ্ধসংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটে। ৫ ফেব্রুয়ারি রাতে একদল যুবক শহরের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ভাঙচুর করে। পরে জেলা পরিষদ চত্বরে থাকা ম্যুরাল, পৌরসভা এলাকায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য এবং মুক্তিযুদ্ধের ‘বিজয় স্তম্ভে’ থাকা ম্যুরাল ও নামফলকও ভাঙা হয়। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনাগুলোর সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ঘটনাস্থলে দেখা যায়নি।

এই ঘটনাগুলো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আনে—সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত কোনো ব্যক্তির ভাস্কর্য বা স্থাপনা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হতে পারে, কিন্তু সেই বিতর্কের আড়ালে মুক্তিযুদ্ধ, শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির সঙ্গে যুক্ত স্থাপনাগুলো কেন হামলার লক্ষ্য হবে?

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে। কোনো স্থাপনা নিয়ে আপত্তি থাকলে সেটি অপসারণ, পুনর্নির্মাণ বা সংরক্ষণ নিয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগও রয়েছে। কিন্তু রাতের আঁধারে ভাঙচুর, স্মৃতিস্তম্ভের অংশ খুলে নেওয়া কিংবা বীর মুক্তিযোদ্ধার ভাস্কর্যে জুতার মালা ঝোলানো কোনো স্বাভাবিক রাজনৈতিক বিতর্কের অংশ নয়। এসব ঘটনার ক্ষেত্রে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অভিযোগই সামনে আসে।

ঝিনাইদহের ঘটনায়ও এখন সবচেয়ে জরুরি হলো দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত। হামিদুর রহমান বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের একজন বীর শহীদ। ১৯৭১ সালে অসীম সাহসিকতার জন্য তিনি দেশের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ অর্জন করেন। তার স্মৃতির সঙ্গে যুক্ত একটি ভাস্কর্যে কারা জুতার মালা ঝোলাল, সেটি শুধু রাজনৈতিক অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে ঘটনার প্রকৃত রহস্য বের হবে না।

ঘটনাস্থলের আশপাশের দোকান, বাস টার্মিনাল ও সড়কের নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য এবং রাতের চলাচলের তথ্য যাচাই করে তদন্ত এগিয়ে নেওয়ার দাবি উঠেছে। হামিদুর রহমানের পরিবারের সদস্যদেরও একই দাবি।

কারণ একটি ভাস্কর্য ভাঙা বা অবমাননা করার ঘটনা কেবল একটি স্থাপনার ক্ষতি নয়। এর সঙ্গে যুক্ত থাকে একটি ঐতিহাসিক স্মৃতি। আর সেই স্মৃতির সঙ্গে যদি মুক্তিযুদ্ধ ও একজন বীরশ্রেষ্ঠের নাম যুক্ত থাকে, তাহলে ঘটনার তদন্ত ও দায় নির্ধারণে প্রশাসনের দায়িত্ব আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত ধরে নিয়েছেন বাংলাদেশ সবকিছু যুক্তরাষ্ট্রকে দিয়ে দিয়েছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

🕒 প্রকাশ: ০৪:১১ পূর্বাহ্ন, ৮ই অক্টোবর ২০২৬

দিল্লিতে বাংলাদেশ–ভারত বাণিজ্য বৈঠক আজ, পাটের শুল্ক ও বাণিজ্য বাধা নিয়ে ঢাকার চাপ

🕒 প্রকাশ: ০৪:০০ পূর্বাহ্ন, ৮ই অক্টোবর ২০২৬

ধর্ম, বর্ণ ও পরিচয় অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে বাধা হবে না: প্রধানমন্ত্রী

🕒 প্রকাশ: ০১:০২ পূর্বাহ্ন, ৮ই অক্টোবর ২০২৬

এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করল বিমান

🕒 প্রকাশ: ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, ৮ই অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক চায় ভারত

🕒 প্রকাশ: ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, ৮ই অক্টোবর ২০২৬

Footer Up 970x250