মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২১শে আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** রওনা দিয়েছেন ইমরান খানের সমর্থকেরা—লক্ষ্য ইসলামাবাদ *** জাতীয় দিবসে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর *** এশিয়ায় শক্তিশালী অংশীদারত্ব গড়তে চায় ডেনমার্ক: রাষ্ট্রদূত *** রমজানের আগেই তিন ধাপের ইউপি নির্বাচন *** ৭ নভেম্বর ছুটি ঘোষণা, বাড়ল পূজার ছুটিও *** আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির শেষ রাত *** মেসির শেষ ম্যাচে থাকতে পারছেন না দিবালাসহ যে বিশ্বকাপজয়ীরা *** বিচার ছাড়া আওয়ামী লীগের সঙ্গে কোনো সমঝোতা নয়: ডেপুটি স্পিকার *** দুর্গাপূজায় রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে শপিংমল-দোকান *** বাংলাদেশকে কৌশলগত অংশীদার হিসেবে দেখতে চায় কানাডা

‘প্রমাণহীন’ মামলায় বিচার ছাড়াই ৬২০ দিন পর্যন্ত আটক সাংবাদিকেরা, প্রশ্নের মুখে আইনের শাসন

আদিত্য কবির

🕒 প্রকাশ: ০২:১২ অপরাহ্ন, ৩রা মে ২০২৬

#

ফাইল ছবি

প্রতিবছরের মতো এবারও বিশ্ব যখন ৩ মে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উদযাপন করছে, তখন বাংলাদেশের বাস্তবতা এক ভিন্ন চিত্র তুলে ধরছে। দেশে অন্তত পাঁচজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ৫৯৩ থেকে ৬২০ দিন পর্যন্ত বিচার ছাড়াই কারাগারে আটক রয়েছেন। ২০২৪ সালের জুলাইয়ের আন্দোলনের পর গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে এখনো তাদের বিরুদ্ধে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়নি। এই দীর্ঘ বিচারপূর্ব আটক শুধু ব্যক্তি অধিকার নয়, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং বিচারব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তুলছে।

কী অভিযোগ, কীভাবে মামলা

এই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত সহিংসতা ও মৃত্যুর ঘটনা। এসব ঘটনার বাস্তবতা অস্বীকার করা না গেলেও, সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

আরেক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদকে গ্রেপ্তার করা হয় গত ডিসেম্বরে। জনতা পার্টির মহাসচিব শওকত মাহমুদকে আটকের পর সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একটি মামলয় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

ফারজানা রূপা, শাকিল আহমেদ, শ্যামল দত্ত এবং মোজাম্মেল বাবুকে অভিযুক্ত করা হয়েছে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ঢাকার মিরপুরে সংঘটিত এক হত্যাকাণ্ডে। ওই ঘটনায় নিহত হন ২১ বছর বয়সী বিএনপির কর্মী ও ফার্মাসিউটিক্যাল কর্মী মাহফুজ আলম শ্রাবণ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, মিরপুর কমপ্লেক্স ও মিরপুর মডেল থানার মধ্যবর্তী সড়কে সেদিন বিকেল আড়াইটার দিকে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও আওয়ামী লীগ কর্মীরা বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা চালান। সে সময় শেখ হাসিনা গণভবন ত্যাগ করছিলেন বলেও উল্লেখ করা হয়।

এফআইআরে বলা হয়, শ্রাবণের বাম বুকে গুলি লাগে এবং তা কোমর দিয়ে বের হয়ে যায়। বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে ডা. আজমল হাসপাতালে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

শ্রাবণ ছিলেন নওগাঁর এক মোটর মেকানিকের ছেলে। পড়াশোনার জন্য ঢাকায় এসে ল্যাব সহকারী হিসেবে কাজ করে নিজের খরচ চালাতেন। ঘটনাটির নয় মাস পর দায়ের করা মামলায় মোট ৪০৮ জনকে আসামি করা হয়, যার মধ্যে ২৫ জন সাংবাদিক।

‘হলুদ সাংবাদিকতা’—অভিযোগের ভিত্তি কতটা দৃঢ়?

এই মামলায় সাংবাদিকদের অন্তর্ভুক্ত করার ভিত্তি হিসেবে সুখবর ডটকমের অনুসন্ধানে এফআইআরের একটি মাত্র অনুচ্ছেদের উল্লেখ পাওয়া যায়। সেখানে আসামি নম্বর ২১২ থেকে ২৩৬ পর্যন্ত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে “হলুদ সাংবাদিকতা”, “মিথ্যা তথ্য প্রচার” এবং “উসকানিমূলক বক্তব্য” দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। দাবি করা হয়, এসব কর্মকাণ্ড আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে হত্যাকাণ্ডে প্ররোচিত করেছে।

তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এফআইআরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতিবেদন, বক্তব্য বা প্রমাণের উল্লেখ নেই। আরও উদ্বেগজনক হলো, মামলায় উল্লেখিত তিনজন সাক্ষীই জানিয়েছেন যে তারা এই মামলার বিষয়ে কিছু জানেন না, এমনকি তারা প্রত্যক্ষদর্শীও নন।

আরেকটি মামলা: ‘যুদ্ধ ঘোষণায় সহায়তা’

ফারজানা রূপা ও শাকিল আহমেদকে আরেকটি মামলায় সাবেক মন্ত্রী, জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা এবং আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে সহ-আসামি করা হয়েছে। সেখানে অভিযোগ করা হয়, তারা “সাধারণ জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণায় সহায়তা” করেছেন।

মামলার বাদী দাবি করেন, তিনি স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করে সাংবাদিকদের শনাক্ত করেছেন। এই মামলায় রূপা ও শাকিলকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।

যাত্রাবাড়ির ঘটনা ও নতুন অভিযোগ

মোজাম্মেল বাবুকে অভিযুক্ত করা হয়েছে ১৯ বছর বয়সী শিক্ষার্থী ইমরান হাসানের হত্যার মামলায়। ইমরান মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের গুলিতে নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলার সময় তিনি নিহত হন।

এই ঘটনায় ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর দায়ের করা মামলায় ২৯৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং আরও ২৫০ থেকে ৩০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। তাদের মধ্যে ১১ জন সাংবাদিক।

এফআইআরে বলা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ১৪ দলীয় জোটের নেতাদের “সরাসরি নির্দেশ ও পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রে” অভিযুক্তরা অনলাইন ও অফলাইনে “গুজব ছড়িয়েছে”, যার ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী “নির্বিচারে গুলি ও নির্যাতন” চালিয়েছে।

একজন টেলিভিশন সম্পাদক হিসেবে বাবুকে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য এবং পুলিশের গুলির জন্য দায়ী করা হয়েছে—যা আইনি বিশ্লেষকদের কাছে অত্যন্ত বিতর্কিত ও নজিরবিহীন অভিযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

শাহরিয়ার কবিরের মামলা

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা শাহরিয়ার কবিরকে ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই যাত্রাবাড়ীর মনোয়ারা হাসপাতালের সামনে হামলায় নিহত মো. রফিকুল ইসলামের মৃত্যুর মামলায় আসামি করা হয়। তার স্ত্রী নার্জিয়া স্বামীর মৃত্যুর পাঁচ সপ্তাহ পর এই মামলা করেন। ৭৫ বছর বয়সী কবিরের বিরুদ্ধে নয়টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে পাঁচটিতে তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘ আটক: সংখ্যা ও বাস্তবতা

বর্তমানে ফারজানা রূপা ও শাকিল আহমেদ ৬১৯ দিন ধরে বিচারপূর্ব আটক রয়েছেন। মোজাম্মেল বাবু ও শ্যামল দত্ত ৫৯৩ দিন এবং শাহরিয়ার কবির ৫৯২ দিন ধরে কারাগারে আছেন।

মামলার সংখ্যাও কম নয়—রূপার বিরুদ্ধে নয়টি, শাকিল ও বাবুর বিরুদ্ধে আটটি করে, শ্যামল দত্তের বিরুদ্ধে ছয়টি এবং শাহরিয়ার কবিরের বিরুদ্ধে অন্তত নয়টি মামলা রয়েছে, যার একটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।

জামিন প্রক্রিয়া: এক অন্তহীন চক্র

জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্না বলছেন, “নিম্ন আদালত থেকে জামিন পাওয়ার কোনো আশা নেই। যখনই কেউ জামিন পান, সঙ্গে সঙ্গে অন্য মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখানো হয়।”

শাকিল ও রূপার পরিবার জানায়, নিম্ন আদালতে বারবার ব্যর্থ হওয়ার পর তারা উচ্চ আদালতে যান। একবার জামিন পেলেও তা দ্রুত স্থগিত করা হয়। ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি হাইকোর্ট একটি হত্যা মামলায় তাদের জামিন দিলেও দুই দিন পর আপিল বিভাগ তা স্থগিত করে।

এরপর আবার নিম্ন আদালত থেকে প্রক্রিয়া শুরু করতে হয়, যা প্রায় এক বছর সময় নেয়। অবশেষে ২০২৬ সালের ২৮ এপ্রিল তারা আবার হাইকোর্টে শুনানির তারিখ পান। ২১ এপ্রিল শুনানি শেষ হলেও রাষ্ট্রপক্ষের সময় চাওয়ার কারণে রায় ১১ মে পর্যন্ত স্থগিত করা হয়।

শ্যামল দত্তের ক্ষেত্রেও একই ধরনের জটিলতা দেখা গেছে। গ্রেপ্তারের আট মাস পর হাইকোর্ট সরকারকে কারণ দর্শাতে বলে কেন তাকে জামিন দেওয়া হবে না। বিষয়টি এখন আপিল বিভাগে, যেখানে প্রায় এক বছর ধরে একই প্রশ্নে শুনানি চলছে।

আন্তর্জাতিক উদ্বেগ

২০২৫ সালের ৭ মার্চ জাতিসংঘের তিনজন বিশেষজ্ঞ এই বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, “সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হত্যার মতো গুরুতর অভিযোগ আনা এবং সরাসরি সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ ছাড়াই তাদের আটক রাখা উদ্বেগজনক।”

তারা আরও আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, এসব গ্রেপ্তার সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। চিঠিতে বলা হয়, বক্তব্য সহিংসতা উসকে দিতে পারে—তবে তা সরাসরি হত্যার সঙ্গে এক করে দেখা যায় না।

২০২৫ সালের আগস্টে জাতিসংঘের ‘ওয়ার্কিং গ্রুপ অন আর্বিট্রারি ডিটেনশন’ শাহরিয়ার কবিরের আটককে “আইনগত ভিত্তিহীন” ও “স্বেচ্ছাচারী” বলে উল্লেখ করে। তারা জানায়, তাকে গ্রেপ্তারের সময় কোনো পরোয়ানা ছিল না, আইনজীবীর সহায়তা দেওয়া হয়নি এবং হেফাজতে নির্যাতন করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কবিরের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক—তার বাম পায়ে ধাতব রড রয়েছে, তিনি স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারেন না এবং লাঠি বা হুইলচেয়ারের প্রয়োজন হয়। আদালতে বসার অনুমতি চাইলেও তা দেওয়া হয়নি। এমনকি আদালতে তাকে দু’বার হামলার শিকার হতে হয়েছে।

আইনের শাসনের সংকট

মানবাধিকার আইনজীবী ও গবেষকরা বলছেন, এই ধরনের মামলা ও দীর্ঘ বিচারপূর্ব আটক বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের এক অধ্যাপক সুখবর ডটকমকে বলেন, “কোনো ব্যক্তিকে অপরাধের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ ছাড়াই শুধু মতামত বা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে হত্যা মামলায় জড়ানো অত্যন্ত বিপজ্জনক নজির তৈরি করে। এতে সাংবাদিকতা পেশা ঝুঁকির মুখে পড়ে।”

মানবাধিকার বিশ্লেষকদের মতে, বহু মামলায় এক ব্যক্তিকে আসামি করা এবং জামিন পেলেই নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো—এটি কার্যত বিচারপ্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত করার একটি পদ্ধতি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জাতিসংঘের নির্যাতনবিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক ড. অ্যালিস এডওয়ার্ডস সম্প্রতি ঢাকার জাতীয় একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, “এ ধরনের স্বেচ্ছাচারী আটক বিচারিক তদারকির আওতায় আনা জরুরি। পুলিশকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে পেশাদার মানদণ্ডে কাজ করতে হবে।”

তিনি আরও সতর্ক করেন, “প্রতিশোধের চক্রের ওপর কোনো সমাজ দাঁড়াতে পারে না। আইনের শাসন, ক্ষমতার বিভাজন ও মানবাধিকারের ভিত্তিতেই টেকসই সমাজ গড়ে ওঠে।”

ভুক্তভোগী পরিবার বনাম ন্যায়বিচার

এই মামলাগুলোর পেছনে যেসব পরিবার তাদের স্বজন হারিয়েছে, তারা ন্যায়বিচার চাইছে—এটি অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, সেই ন্যায়বিচার কি সঠিক প্রক্রিয়ায় হচ্ছে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা জরুরি, কিন্তু প্রমাণবিহীনভাবে সাংবাদিকদের জড়ানো হলে তা বিচারব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করে।

দেশে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এসব মামলা, দীর্ঘ বিচারপূর্ব আটক এবং জামিন প্রক্রিয়ার জটিলতা একটি বৃহত্তর বাস্তবতার দিকে ইঙ্গিত করছে—যেখানে আইনের শাসন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং ন্যায়বিচারের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা কঠিন হয়ে উঠছে।

এই পরিস্থিতি শুধু পাঁচজন সাংবাদিকের ব্যক্তিগত দুর্ভোগ নয়; এটি গণতন্ত্র, গণমাধ্যম এবং বিচারব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে। এখন দেখার বিষয়—এই প্রশ্নগুলোর উত্তর রাষ্ট্র কীভাবে দেয়।

গণমাধ্যম সাংবাদিক

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250