শনিবার, ৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৪শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** যমুনার সামনে আহতদের কেউ গুলিবিদ্ধ নয়: ঢামেক পরিচালক *** ‘৫ই আগস্টের চেতনা এখন জামায়াতের গর্ভে’ *** মার্কিন নাগরিকদের ‘অবিলম্বে ইরান ছাড়ার’ নির্দেশ ট্রাম্প প্রশাসনের *** যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে ইরানের ‘সম্মতি’ *** ‘মনে করেছিলাম, ড. ইউনূস নির্বাচনের সময়গুলোতে এতটা নিচে নামবেন না’ *** জামায়াতকে ভোট দেওয়া মুসলমানদের ‘জায়েজ’ হবে না: হেফাজত আমির *** নির্বাচনের ফলাফল অত্যন্ত সূক্ষ্ম কৌশলে সাজানো হতে পারে *** জাতীয় পার্টির মহাসচিবের সভায় দর্শকদের দাঁড়িপাল্লা স্লোগান, ভিডিও ভাইরাল *** ‘খালেদা জিয়ার স্থান সফলভাবে পূরণ করেছেন তারেক রহমান’ *** ‘পুরুষাঙ্গে ইনজেকশন’ নিচ্ছেন স্কি জাম্পাররা!

‘একুশে পদকপ্রাপ্তির খবর শুনেছি চিঠি পাইনি’

বিনোদন প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, ৬ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

#

ফাইল ছবি

দেশের চলচ্চিত্রের জীবন্ত কিংবদন্তি অভিনেত্রী ববিতা। চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৬ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ই ফেব্রুয়ারি) বিকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। 

একুশে পদকের জন্য মনোনীত বাকিরা হলেন- অধ্যাপক আবদুস সাত্তার, আইয়ুব বাচ্চু, মেরিনা তাবাশ্যুম, ইসলাম উদ্দিন পালাকার, সাংবাদিক শফিক রেহমান, অধ্যাপক মাহবুবুল আলম মজুমদার, তেজশ হালদার যশ ও অর্থী আহমেদ। আর প্রতিষ্ঠান হিসেবে ‘ওয়ারফেজ’। 

একুশে পদকের খবরে ববিতা জানান, সরকার থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক চিঠি পাননি তিনি।  অভিনেত্রী বলেন, ‘এটা শুনে ভালো লাগল। তবে একুশে পদকপ্রাপ্তির খবর এখনো আমার হাতে আসেনি, প্রজ্ঞাপনও চোখে পড়েনি। অফিসিয়াল চিঠি পেয়ে নিই, তারপর একুশে পদক পেয়ে কেমন লাগছে-সেটা জানানো সমীচীন মনে করছি।’ 

উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত অভিনয় জীবনে সাড়ে তিন শতাধিক সিনেমায় কাজ করেছেন ববিতা। ১৯৭৫ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রবর্তনের পর জিতেছেন তিনবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার। ১৯৮৫ সালে আবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী, ১৯৯৬ সালে শ্রেষ্ঠ প্রযোজক, ২০০২ ও ২০১১ সালে পার্শ্ব চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন ববিতা। ২০১৬ সালে তাকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা জানানো হয়। 

নন্দিত নির্মাতা জহির রায়হানের ‘সংসার’ সিনেমায় শিশুশিল্পী হিসেবে ববিতার অভিষেক হয় ১৯৬৮ সালে। তখন তার নাম ছিল ফরিদা আক্তার পপি। পরে আব্দুল্লাহ আল মামুনের টেলিভিশন নাটক ‘কলম’-এ অভিনয় করেন তিনি। জহির রায়হানের ‘জ্বলতে সুরুজ কি নিচে’ ছবিতে অভিনয়ের সময় তাকে ‘ববিতা’ নাম দেওয়া হয়।

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসমাপ্ত উপন্যাস ‘অশনি সংকেত’ অবলম্বনে উপমহাদেশের খ্যাতিমান চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় সিনেমা নির্মাণ করেছিলেন, যা ববিতার চলচ্চিত্রজীবনের উল্লেখযোগ্য একটি সিনেমা। 

পরবর্তীতে এই অভিনেত্রীকে ‘টাকা আনা পাই’, ‘স্বরলিপি’, ‘বাঁদী থেকে বেগম’, ‘লাঠিয়াল’, ‘সূর্যগ্রহণ’, ‘নয়নমনি’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘গোলাপী এখন ঢাকায়’, ‘কি যে করি’, ‘এক মুঠো ভাত’, ‘অনন্ত প্রেম’, ‘বসুন্ধরা’, ‘পোকামাকড়ের ঘর বসতি’, ‘স্বপ্নের পৃথিবী’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘জীবন সংসার’, ‘দীপু নাম্বার টু’, ‘প্রাণের চেয়ে প্রিয়’, ‘এখনো অনেক রাত’, ‘ম্যাডাম ফুলি’, ‘হাছন রাজা’, ‘চার সতীনের ঘর’-এর মতো সিনেমায় দেখা গেছে। 

জে.এস/

একুশে পদক

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250