সোমবার, ১২ই অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৭শে আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘স্বৈরাচার’ ও ‘গুপ্তরা’ এক হতে পারে, এমপিদের সতর্ক করলেন তারেক রহমান *** অপকর্মে জড়ালে নেতা-এমপি-মন্ত্রী কারও ছাড় নেই: প্রধানমন্ত্রী *** দিল্লিতে বিমসটেকের প্রথম বৈঠক, যাচ্ছেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *** ‘প্রতারক’ দুয়োর জবাব মাঠেই দিল ম্যানসিটি *** সৌদি আরবের বিমানবন্দরে আবারও হুতিদের হামলা, টার্মিনালে আগুন *** রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: আটকা পড়েছেন অন্তত ৫০০ বাংলাদেশি যাত্রী *** ‘লড়াই মাত্র শুরু’—দেশজুড়ে আন্দোলনের ঘোষণা ককরোচদের *** শেরেবাংলা নগরে যাচ্ছে সচিবালয় *** রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে অঙ্গীকারবদ্ধ বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *** সৌদিতে মক্কা-মদিনার বাইরে নতুন হামলার হুমকি হুতিদের

ফুলকপি চাষে স্বাবলম্বী আসাদুল্লাহ

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৪:০৩ অপরাহ্ন, ২৩শে নভেম্বর ২০২৪

#

ছবি: সংগৃহীত

৩০ বছর ধরেই কৃষি কাজে যুক্ত আছেন ৭০ বছর বয়সী মো. আসাদুল্লাহ। প্রতি বছর বিভিন্ন মৌসুমি শাক-সবজি চাষ করেন। এবারও নিজের ৩টি জমিতে ফুলকপি চাষ করেছেন। অতিরিক্ত লাভের আশায় নিয়মিত যত্ন নিচ্ছেন। তার বিশ্বাস এবারও লাভবান হবেন।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের বৈদ্যের বাজার ইউনিয়নের হামছাদী এলাকার বাসিন্দা মো. আসাদুল্লাহ। কৃষিকাজ করেই তিনি স্বাবলম্বী। বৃদ্ধ বয়সে এখনো পরিবারের হাল ধরে আছেন। নিজের ৩টি ক্ষেতে এবার ৩ হাজার ফুলকপি চাষ করেছেন। যা আগামী মাসের মধ্যে উত্তোলন করে বাজারে তুলতে পারবেন।

এই কৃষক জানান, ৩ হাজার পিস চারার প্রত্যেকটিতে ১০-১২ টাকা করে ব্যয় হয়েছে। চারা রোপণে এখন পর্যন্ত মোট ৩৫-৩৬ হাজার টাকা খরচ করেছেন। হয়তো আরও কিছু টাকা খরচ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। রোপণের দেড় মাস পরই উত্তোলন করা হয় এ সবজি। নিয়ম অনুযায়ী আগামী ২০ দিনের মধ্যে ফুলকপি তুলতে পারবেন।

আরও পড়ুন: আগাম খিরা চাষে লাভবান মিরসরাইয়ের কৃষকরা

তার মতে, প্রায় ৭০-৭৫ হাজার টাকা মূল্যে রোপণ করা সবজি বিক্রি করা সম্ভব। বিগত দিনেও তিনি প্রায় ৪০ শতাংশ লাভ করে আসছিলেন। এ বছর ফুলকপি ক্ষেতে জৈব, টিএসপি আর গোবর সার প্রয়োগ করেন। তিনদিন পর পর ফুলকপি চারায় পানি দেন। এ সবজি মূলত আশ্বিন মাসের প্রথমদিকে রোপণ করা হয়। উৎপাদিত ফসল ভাদ্র মাসে উত্তোলন করে থাকেন।

তার সহযোগী শাহজাহানের দেখভালে এখন পর্যন্ত ভালো ফলনের দেখা পেয়েছেন। তবে প্রতি বছরই ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার চারার মধ্যে অন্তত ৩০০-৪০০ চারা বাদ যায়। এতে তেমন কোনো সমস্যা হয় না। নিয়মিত কাজ করা শাহজাহান বলেন, ‘এবার ক্ষেতে বাম্পার ফলন হয়েছে। এবারও ভালো লাভবান হবো। এখন পর্যন্ত আবাদের তেমন কোনো চারা বাদ যায়নি। সে ক্ষেত্রে অল্প কিছু চারা বাদ পড়লেও প্রভাব পড়বে না।’

সোনারগাঁ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আফরোজা সুলতানা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বর্তমানে সোনারগাঁয়ে ৯ হাজার ২২০ হেক্টর জমিতে কৃষকেরা চাষাবাদ করছেন। আমরা নিয়মিত তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। আমরা শুধু ফুলকপি চাষির সুবিধা দেওয়ার কথা ভাবি না। সব কৃষিপণ্য চাষিদের সেবা দিতে হয়। তবে রোগবালাইমুক্ত চাষাবাদের পাশাপাশি ভালো ফলন পাওয়ার বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকি।’

এসি/কেবি


ফুলকপি চাষ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250