শনিবার, ৩০শে আগস্ট ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ঢামেকে এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ আসিফ নজরুল, বেরোলেন বাগান গেট দিয়ে *** কাকরাইলে দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি প্রসঙ্গে আইএসপিআরের বক্তব্য *** আসিফ নজরুলকে 'ভণ্ডামি বাদ দিতে' বললেন হাসনাত আবদুল্লাহ *** অনলাইনে মিথ্যা তথ্য দিয়ে পণ্য বিক্রি করলে জেল ও জরিমানা *** মুরগি খাওয়া রোধে পাতা ফাঁদে ধরা পড়ল মেছো বাঘ *** আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির সময় তাহলে ফুরিয়ে এল *** লতিফ সিদ্দিকী যা বললেন আদালতে *** ভারতে ইসলাম থাকবে, মানিয়ে নিতে শিখুন: আরএসএস প্রধান *** আটকের ১২ ঘণ্টা পর মামলা লতিফ সিদ্দিকী, শিক্ষক কার্জনসহ ১৬ জন কারাগারে *** নির্বাচনী কর্মকর্তাদের জুতার মালা ও জেলের কথা মনে করিয়ে দিলেন ইসি

শীতের মৌসুমে জনপ্রিয়তা বেড়েছে কালো ভাপা পিঠার!

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১০:২৫ পূর্বাহ্ন, ১৪ই জানুয়ারী ২০২৫

#

ছবি : সংগৃহীত

শীতের মৌসুমে গ্রাম ও শহরে নানান পদের পিঠা তৈরি হয়। এসময় অনেকেই খুলে বসেন পিঠার দোকান। নতুন চাল দিয়ে তৈরি বিভিন্ন পিঠা ভোজনরসিকদের তালিকায় ঠাঁই করে নেয় নিয়মিত। ভাপা, চিতই আর তেলেভাজা পিঠার জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি। তবে ভাপা পিঠা খেতে ভালোবাসেন সব বয়সী মানুষ। সাদা চালের গুঁড়া দিয়ে তৈরি হয় মজাদার এই ভাপা। কিন্তু পাহাড়ে চিত্র কিছুটা ভিন্ন। এখানে দেখা মেলে ব্যতিক্রম এক ভাপা পিঠার। যে ভাপার রং সাদা নয় কালো। দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে জুমে উৎপাদিত বিনি চালের এই কালো ভাপা পিঠা। দেখতে অনেকটা ডার্ক চকলেট কেকের মতো। শহরের বিভিন্ন এলাকায় বসেছে এই পিঠার ভাসমান দোকান।

শহরের রাজবাড়ি এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বেশ কয়েকটি পিঠার ভাসমান দোকান তৈরি হয়েছে। যাদের প্রায় সবাই কালো বিনি চালের পিঠা তৈরিতে ব্যস্ত। সাদা চালের পিঠার চেয়ে এই পিঠার চাহিদাই বেশি দেখা যায়।

বিকেল থেকে রাত অব্দি এসব দোকানে চলে পিঠা বিক্রি। বিকেলের কিছু পর থেকে ক্রেতা সমাগম বাড়তে শুরু করে। কিছু দোকানে পিঠার স্বাদ নিতে আসা ক্রেতাদের ভিড় লেগেই থাকে।

প্রতিদিন বিকেলে পিঠার পসরা সাজিয়ে বসা একজন বিক্রেতা জানালেন এই পিঠা বানানোর প্রক্রিয়া। তিনি বলেন, এই চালগুলো পাহাড়ের জুমে উৎপাদিত বিশেষ বিনি চাল। চাল সংগ্রহ করার পর আমরা এগুলো ধুয়ে পরিষ্কার করে শুকাই। শুকানোর পর মেশিনে গুঁড়ো করা হয়। গুঁড়ো হওয়া চালগুলো হালকা পানি এবং লবণ দিয়ে মাখানোর পর ভাপে দেওয়া হয় এবং কিছুক্ষণ পর নামিয়ে পরিবেশন করা হয়।

আরো পড়ুন : রামরাই দীঘিতে বাহারী পরিযায়ী পাখিতে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা

তিনি আরও বলেন, এই পিঠাগুলো কিছুটা আঁঠালো কিন্তু অন্যান্য চালের গুঁড়ার পিঠার চেয়ে এগুলোর স্বাদ বেশি। প্রতিদিন ৫-৬ কেজি চালের পিঠা তৈরি করি এবং ২-৩ হাজার টাকা বিক্রি হয়।

আরেক বিক্রেতা বলেন, বিনি চাল অনেক প্রকারের হয়। সাদা বিনিও হয়, তবে এই কালো বিনি চালটার নাম লঙ্কা পড়া বিনি। এই চালের গুঁড়ার সঙ্গে নারিকেল, গুড় মিশিয়ে ভাপে দিয়ে পিঠাটা তৈরি করা হয়। এই পিঠার স্বাদ অন্যান্য পিঠা থেকে বেশি তাই সবার মধ্যে এটির চাহিদাও বেশি।

বিকেলের পর থেকে পিঠাপ্রেমীদের ভিড় জমতে শুরু করে স্টেডিয়াম এলাকায়। ছোট-থেকে বড়, পাহাড়ি-বাঙালি সকলের কাছেই সমান জনপ্রিয় এই কালো পিঠা। কাঁঠাল পাতায় করে পরিবেশন করা হয় এই পিঠা।

পিঠা খেতে আসা একজন ক্রেতা বলেন, এই পিঠাটি বাংলাদেশের অন্যকোথাও পাওয়া যায় না। এটি শুধু পার্বত্য চট্টগ্রামেই পাওয়া যায়। সাদা পিঠার চেয়ে এই পিঠার স্বাদ বেশি, তাই খেতে আসা।

এস/ আইকেজে

কালো ভাপা পিঠা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন