সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৩ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন হঠাৎ ভারতে, চার মাসে তৃতীয় সফর, নেপথ্যে কী *** ডেঙ্গুতে আরও ৮ মৃত্যু, সেপ্টেম্বরে এখন পর্যন্ত ১৩৬ *** অজিত দোভাল কি সত্যিই গোপনে ঢাকা সফর করেছেন? *** সংবাদমাধ্যম প্রাসঙ্গিক না থাকলে সমাজ সংকটে পড়বে *** চাঁদাবাজির প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে ইজিবাইকের চালকদের বিক্ষোভ *** নাইজেরিয়ায় ২৫ লাখ আফিম ট্যাবলেট জব্দ, ভারত-বাংলাদেশ থেকে পাচার বলে দাবি কর্তৃপক্ষের *** ফের আরব আমিরাতে নেতানিয়াহুর গোপন সফর, প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক *** প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফরে তিন স্তরের নিরাপত্তা, মাঠে থাকবে ২ হাজার পুলিশ *** চীন-আমিরাতের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রীর *** চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ সেনাপ্রধানের

জন্মের সময় শিশুর ওজন কম হলে কী করবেন? জেনে নিন

লাইফস্টাইল ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১২:২৫ অপরাহ্ন, ৯ই জুলাই ২০২৪

#

ছবি : সংগৃহীত

জন্মের পর থেকে ২৮ দিন পর্যন্ত সময়কালকে নবজাতক পিরিয়ড ধরা হয়। আর নবজাতকের স্বাভাবিক ওজন খুব গুরুত্বপূর্ণ। জন্মের সময় নবজাতকের ওজন যদি আড়াই কেজির কম হয়, তাহলে তা ভাববার বিষয়। আর ওজন যদি দেড় কেজিরও কম হয়, তাহলে তাকে খুব কম ওজনের শিশু বা ভেরি লো বার্থ ওয়েট বেবি বলা হয়। আবার ৭৫০ গ্রামের কম হলে সেই শিশুকে ওজনহীন শিশু বলা হয় চিকিৎসার ভাষায়। তাই জন্মের সময় শিশুর ওজন কম হলে কী করবেন? চলুন জেনে নিই-

কিশোরী মায়ের সন্তানের ক্ষেত্রে ওজন সাধারণত খুব কম হয়ে থাকে। আবার গর্ভের শিশু অপরিণত বয়সে ভূমিষ্ঠ হলেও ওজন খুব কম হয়। এ ছাড়া গর্ভাবস্থায় মায়ের যদি ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, হৃদরোগ, কিডনি রোগ, পুষ্টিহীনতা, রক্তশূন্যতা, বড় কোনো ইনফেকশন, একলাম্পসিয়া, অতিরিক্ত রক্তস্রাব বা এ ধরনের জটিল কোনো রোগ থাকে, তাহলে নবজাতকের ওজন কম হতে পারে।

আরো পড়ুন : এই তিন সুপারফুড এড়িয়ে চলুন

করণীয়-

১. ওজন কম হলে যত দ্রুত মায়ের বুকের দুধ পান শুরু করানো যায় ততই মঙ্গল।

২. শিশু বুকের দুধ পানে অসমর্থ থাকে, তবে নলের সাহায্যে মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে, কিন্তু তোলা দুধ বা কেনা দুধ নয়। এতে ক্ষতির আশঙ্কা আরও বেশি।

৩. স্বাভাবিক ওজনের নবজাতকের মতোই সময়সূচি মেনে তার টিকাদান চলবে। ওজন কম বলে বা প্রি–ম্যাচিউর বলে দেরিতে শুরু করার নিয়ম নেই।

৪. এদের সংক্রমণ বেশি হয়, তাই শিশুর পরিচর্যাকারীর পরিচ্ছন্নতা জরুরি। কেউ বাইরে থেকে এলে অবশ্যই পরিষ্কার হয়ে ধরবেন।

৫. এসব শিশুর ঘন ঘন সংক্রমণ, রক্তশূন্যতা, বুদ্ধির বিকাশ, দৃষ্টি ও শ্রবণশক্তির প্রয়োজনীয় পরীক্ষা বা মনিটরিং ১২-১৮ মাস পর্যন্ত চালিয়ে যেতে হবে।

৬. কোথাও পিছিয়ে পড়ছে কি না নজর রাখতে হবে। তবে যথাযথ পুষ্টি ও যত্ন পেলে অন্য সব নবজাতকের মতোই এরা দ্রুত বেড়ে উঠবে।

৭. ন্যূনতম ১২ মাস বয়স পর্যন্ত এসব শিশুর বাড়তি ভিটামিন ডি, ক্যালসিয়াম ও আয়রন দরকার হয়।

এস/ আই.কে.জে/

নবজাতক

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250