রবিবার, ১১ই অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৬শে আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** কন্যাশিশুর নিরাপত্তা রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী *** রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু *** দুর্গাপূজায় চলবে তিন জোড়া বিশেষ ট্রেন, পাঁচ ট্রেনের অফ ডে বাতিল, নিরাপত্তায় বাড়তি নজরদারি *** রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ২ বাংলাদেশি নিহত, আইসিইউতে ৪ জন: শামা ওবায়েদ *** সৌদি বিমানবন্দরে হামলা: ঢাকা থেকে রিয়াদগামী ৭ ফ্লাইট বাতিল *** দিল্লিতে নির্বিচার আটক বন্ধ ও স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিতের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের *** রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হতাহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে *** রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে কালি: চারজন রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার *** পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা জারি *** রাষ্ট্র নাগরিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে, লড়াই চলবে: সংবাদ সম্মেলনে ককরোচরা

যেসব রোগের মহৌষধ আমলকী

লাইফস্টাইল ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০১:১৭ অপরাহ্ন, ৮ই নভেম্বর ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

আমলকী হলো একটি ভেষজ ফল, যা ভিটামিন ‌‘সি’, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট (পলিফেনল, ট্যানিন, এলাজিটানিন) এবং ফাইবারে ভরপুর। যা প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয় এবং খাবার গ্রহণের পর রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে। সেই সঙ্গে আমলকী শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে রক্তে বন্ধনহীন গ্লুকোজ হ্রাস করতে ভূমিকা পালন করে। 

এটি আপনার শরীরের নানা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। যেমন— চুলের স্বাস্থ্য উন্নত করা ও হজমশক্তির উন্নতি ঘটানো এবং ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে। এ ছাড়া উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। আর খালি পেটে বা অতিরিক্ত পরিমাণে আমলকী খেলে অ্যাসিডিটি হতে পারে। তবে প্রতিদিন খালি পেটে সামান্য পরিমাণ আমলকীর রসের সঙ্গে পানি মিশিয়ে পান করা যেতে পারে। এটি সকালে খালি পেটে কাঁচা আমলকী খাওয়া উপকারী। তাই সতর্ক থাকা উচিত।

আমলকীর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স মাত্র ১৫, যা এটিকে একটি ডায়াবেটিস-বান্ধব ফল বলা যেতে পারে। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়ায় না। যদিও এটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হলেও কোনো ওষুধের বিকল্প নয়। এটি খাদ্যতালিকায় যোগ করার আগে একজন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত। তবে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে ধীরে ধীরে উপকার পাওয়া যায়, তাৎক্ষণিকভাবে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ কমে যায় না।

আর আমলকীতে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড এবং পলিফেনল ইনসুলিনের কার্যকারিতা বা সংবেদনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে শরীর গ্লুকোজকে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে পারে। সেই সঙ্গে আপনার শরীরের বিপাক প্রক্রিয়াকে উন্নত করে, যা রক্তের বাড়তি শর্করাকে শরীরে জমতে বাধা দেয়।

আমলকীর গুঁড়া পানির সঙ্গে মিশিয়ে বা খাবারের সঙ্গে যোগ করে খাওয়া যায়। আর শুকনো আমলকীর টুকরো পানিতে ফুটিয়ে এবং স্বাদ বাড়াতে দারুচিনির মতো ডায়াবেটিস-বান্ধব ভেষজ মিশিয়ে আমলকীর চা পান করা যেতে পারে। 

জে.এস/

আমলকী

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250